হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

অন্তর্বর্তী সরকার কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১১ অক্টোবর – নৌপরিবহন ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়। আমাদের কোনো পার্টি নেই, কোনো পার্টিকে সাপোর্টও করবো না। আমরা শুধু একটি ফ্রি, ফেয়ার ও ক্রেডিবল নির্বাচন নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চাই। কোন দল ক্ষমতায় এলো সেটা আমাদের বিষয় না৷

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে নির্বাচন কমিশন প্রণীত সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা-২০২৫ শীর্ষক পর্যালোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন

কাউকে ‘সংখ্যালঘু’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, সবাই এ দেশের গর্বিত নাগরিক: সালাহউদ্দিন আহমদ

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নীতিমালায় ছোট ছোট সংস্কার আনা দরকার ৷ এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত, সরকারের নয়। ইসি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাইলে যতটুকু সম্ভব উদার হতে হবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন (সাংবাদিক কার্ড) দেওয়ার পর ভোটকক্ষে প্রবেশ কোনো বাধা দেওয়া উচিত নয়। কতক্ষণ থাকবে সেটাতেও বাধা দেওয়া উচিত নয়। ভোটকক্ষে যেতে পারমিশনের বিধান থাকা উচিত নয়৷ এটা বাদ দেওয়া উচিত। কিন্তু গোপন কক্ষে যেতে পারবেন না।

কক্ষে দু’জনের বেশি যেতে পারবেন না এটা আমাদের সময়ও ছিল- এমন মন্তব্য করে সাবেক এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, এটা করা হয়েছিল কারণ কক্ষ তো এত বড় না। সেখানে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা, বিভিন্ন দলের এজেন্ট থাকে, তার ওপর বেশিসংখ্যাক সাংবাদিক প্রবেশ করলে জায়গা হবে না৷ তখন ভোটগ্রহণে অসুবিধা হয়। তবে কক্ষে দু’জনের বেশি প্রবেশে মানা করেছে ইসি, সেটা এখন বিবেচনা করা উচিত। প্রকৃত ভোটার ভোট দিচ্ছে কি না, অনিয়ম হচ্ছে কি না সেটা দেখতে হবে। আমরা টিভিতে লাইভ দেখে ব্যবস্থা নিতাম। নারায়ণগঞ্জ সিটি ভোটের সময় আমরা টিভিতে দেখে সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, ইসির প্রতি অনুরোধ জানান সাংবদিকদের সঙ্গে বসুন৷ এমন কিছু নেই যে আলোচনা করে সমাধান বের করা যায় না। এখনো সময় আছে বসুন। মেইক ইট ট্রান্সপারেন্ট। লাইভ টেলিকাস্ট করতে দেন। ইসি বলছে শতাব্দীর বেস্ট ইলেকশন করবে। তাহলে ইসির আই (চোখ) শুড বি ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার৷ কেন্দ্রে ঢুকার পরে ভোটকক্ষে প্রবেশে অনুমতি নিতে হবে, নো নিড। আশা করবো অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকার ইচ্ছার প্রতিফলন করবে ইসি। এজন্য অবশ্যই মিডিয়ার সহায়তা নিতে হবে। কারণ মিডিয়াই হচ্ছে তাদের চোখ। দুধের মধ্যে যদি এক ফোটা চুনা পড়ে, তাহলে সেই চুনা তুলে দুধ বিক্রি করা যায় না। তেমনি একটাও যদি জাল ভোট পড়ে রিইলেকশন করতে হবে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ১১ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

অন্তর্বর্তী সরকার কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

অন্তর্বর্তী সরকার কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১১ অক্টোবর – নৌপরিবহন ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়। আমাদের কোনো পার্টি নেই, কোনো পার্টিকে সাপোর্টও করবো না। আমরা শুধু একটি ফ্রি, ফেয়ার ও ক্রেডিবল নির্বাচন নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চাই। কোন দল ক্ষমতায় এলো সেটা আমাদের বিষয় না৷শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে নির্বাচন কমিশন প্রণীত সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা-২০২৫ শীর্ষক পর্যালোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নীতিমালায় ছোট ছোট সংস্কার আনা দরকার ৷ এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত, সরকারের নয়। ইসি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাইলে যতটুকু সম্ভব উদার হতে হবে। প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন (সাংবাদিক কার্ড) দেওয়ার পর ভোটকক্ষে প্রবেশ কোনো বাধা দেওয়া উচিত নয়। কতক্ষণ থাকবে সেটাতেও বাধা দেওয়া উচিত নয়। ভোটকক্ষে যেতে পারমিশনের বিধান থাকা উচিত নয়৷ এটা বাদ দেওয়া উচিত। কিন্তু গোপন কক্ষে যেতে পারবেন না।কক্ষে দু’জনের বেশি যেতে পারবেন না এটা আমাদের সময়ও ছিল- এমন মন্তব্য করে সাবেক এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, এটা করা হয়েছিল কারণ কক্ষ তো এত বড় না। সেখানে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা, বিভিন্ন দলের এজেন্ট থাকে, তার ওপর বেশিসংখ্যাক সাংবাদিক প্রবেশ করলে জায়গা হবে না৷ তখন ভোটগ্রহণে অসুবিধা হয়। তবে কক্ষে দু’জনের বেশি প্রবেশে মানা করেছে ইসি, সেটা এখন বিবেচনা করা উচিত। প্রকৃত ভোটার ভোট দিচ্ছে কি না, অনিয়ম হচ্ছে কি না সেটা দেখতে হবে। আমরা টিভিতে লাইভ দেখে ব্যবস্থা নিতাম। নারায়ণগঞ্জ সিটি ভোটের সময় আমরা টিভিতে দেখে সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছিলাম।তিনি বলেন, ইসির প্রতি অনুরোধ জানান সাংবদিকদের সঙ্গে বসুন৷ এমন কিছু নেই যে আলোচনা করে সমাধান বের করা যায় না। এখনো সময় আছে বসুন। মেইক ইট ট্রান্সপারেন্ট। লাইভ টেলিকাস্ট করতে দেন। ইসি বলছে শতাব্দীর বেস্ট ইলেকশন করবে। তাহলে ইসির আই (চোখ) শুড বি ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার৷ কেন্দ্রে ঢুকার পরে ভোটকক্ষে প্রবেশে অনুমতি নিতে হবে, নো নিড। আশা করবো অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকার ইচ্ছার প্রতিফলন করবে ইসি। এজন্য অবশ্যই মিডিয়ার সহায়তা নিতে হবে। কারণ মিডিয়াই হচ্ছে তাদের চোখ। দুধের মধ্যে যদি এক ফোটা চুনা পড়ে, তাহলে সেই চুনা তুলে দুধ বিক্রি করা যায় না। তেমনি একটাও যদি জাল ভোট পড়ে রিইলেকশন করতে হবে।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ১১ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×