বিশ্ব নারী দিবসে নারীর ক্ষমতায়ন, নেতৃত্ব ও সাফল্যের আলোচনায় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমার নাম উঠে আসে অনিবার্যভাবেই। নারীরা এখন শুধু কর্মক্ষেত্রে অংশ নিচ্ছেন না, বরং নেতৃত্বের দায়িত্বেও এগিয়ে আসছেন—এটি উখিয়ার প্রথম নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা স্বপ্রমাণ করেছেন। প্রশাসনিক দক্ষতা, দৃঢ় নেতৃত্ব এবং জনসেবায় নিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি উখিয়া উপজেলায় নারীর ক্ষমতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
৩৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের রিফাত আসমা ৪২ বছরের উখিয়া প্রশাসনিক ইতিহাসে প্রথম নারী ইউএনও। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ এই উপজেলায় দায়িত্ব পালন করে তিনি শিক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বাজার তদারকি, যানজট নিরসন, সরকারি রাজস্ব আদায়, খাসজমি উদ্ধার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং মাদক-চোরাচালান দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।
বিশেষভাবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে তার অবদান প্রশংসিত। উখিয়ায় বড় ধরনের সংঘাত ছাড়াই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা স্থানীয়দের কাছে তার নেতৃত্বের এক স্বীকৃতি।
রিফাত আসমা বর্তমানে ইউএনও, উপজেলা পরিষদের প্রশাসক এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে গড়ে তুলেছেন “টিম উখিয়া উপজেলা”, যা আন্তরিকতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে জনসেবা নিশ্চিত করছে।
১০ পর্যটকের মৃত্যু: তানভীরসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার সুমন
নিজের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে রিফাত আসমা বলেন,“নারীরাও যে কোনো কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। একাধিক দায়িত্ব চ্যালেঞ্জিং হলেও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমি ও আমার টিম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনসাধারণের সহযোগিতা পেলে কাজ আরও সহজ হবে।”
রিফাত আসমার এই উদাহরণ প্রমাণ করছে, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ কেবল সম্ভব নয়, বরং ফলপ্রসূ ও প্রগতিশীল।




মন্তব্য করুন