
ঢাকা, ২২ এপ্রিল – জাতীয় সংসদের অধিবেশনে একগুচ্ছ জনকল্যাণমূলক ও সংস্কারধর্মী উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারপ্রধান দেশের স্বাস্থ্য, কৃষি এবং জনপ্রতিনিধিদের সুযোগ সুবিধার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের রূপরেখা তুলে ধরেন।
অব্যবহৃত সরকারি সম্পদ জনগণের সেবায় ব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে একটি মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
দেশের অধিকাংশ এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া, কয়েক দিন পর কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস
প্রধানমন্ত্রী জানান, শহরের অব্যবহৃত ২০০টি সরকারি বহুতল ভবন দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে হস্তান্তর করা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এসব ভবনকে আধুনিক হাসপাতাল ও মাতৃসদন ক্লিনিকে রূপান্তর করে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া বিগত সময়ের অবহেলা কাটিয়ে ইউনিসেফের সহায়তায় প্রায় দুই কোটি শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট মেটাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
কৃষিখাতের উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে বিশেষ কার্ড প্রদান করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ঘরে বসেই ১০টি জরুরি সেবা পাবেন।
এছাড়া কৃষি উৎপাদন বাড়াতে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী সিন্ডিকেট বা ডিলারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ন্যানো সারের ব্যবহার এবং আধুনিক কোল্ডস্টোরেজ স্থাপনের মাধ্যমে কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা হবে।
উন্নয়নের পাশাপাশি আইনের শাসন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
এনএন/ ২২ এপ্রিল ২০২৬




মন্তব্য করুন