হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

জ্বালানি তেলের অভাবে সেচ সংকটে দামুড়হুদার কৃষকরা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন


চুয়াডাঙ্গা, ১৪ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে। এর ফলে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধানের ফুল আসার এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রয়োজনীয় সেচ দিতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। কৃষকরা জানান, বর্তমানে ধানক্ষেতে ফুল আসার সময় ঘনিয়ে এসেছে। এই সময়ে জমিতে পর্যাপ্ত পানি ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ কার্যক্রম চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন

দেশের অধিকাংশ এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়া, কয়েক দিন পর কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস

উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে খুচরা বিক্রেতারা তেল বিক্রি বন্ধ রাখায় কৃষকদের ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সামান্য পরিমাণ তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এই সামান্য তেল তাদের বিশাল ফসলি জমির চাহিদার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। উপজেলার পারদামুড়হুদা গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদ জানান, তিনি শ্যালো মেশিন দিয়ে দুই বিঘা জমিতে ধান ও দুই বিঘা জমিতে ভুট্টার আবাদ করেছেন। একই মেশিন ব্যবহার করে তার দুই ভাইয়ের আরও প্রায় সাত থেকে আট বিঘা জমিতে সেচ দিতে হয়।

বর্তমানে ধানে ফুল আসা শুরু হয়েছে এবং ভুট্টারও মোচা ধরেছে। এই অবস্থায় ধানক্ষেতে সার্বক্ষণিক পানি থাকা আবশ্যক। পানি না পেলে ধানের ফলন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। প্রতিদিন তাদের অন্তত ছয় থেকে সাত লিটার ডিজেলের প্রয়োজন হলেও পাম্প থেকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র তিন থেকে চার লিটার। ফলে তারা ঠিকমতো জমিতে পানি দিতে পারছেন না।

দামুড়হুদায় দশমী পাড়ার আরেক কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, তার ১০ বিঘা জমির আমবাগানে সেচ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে কিন্তু পাম্পে গিয়ে তেল পাচ্ছেন না। গত দুই দিন ধরে বিভিন্ন দোকানে ঘুরেও তিনি কোনো ডিজেল জোগাড় করতে পারেননি। মেসার্স আলিফ অটোমোবাইল হাউসের স্বত্বাধিকারী আলিফ হোসেন বলেন, তাদের কাছে যতক্ষণ পর্যন্ত তেল মজুদ থাকছে, ততক্ষণ তারা সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন।

কৃষকদের এই সংকটের বিষয়টি তারা গভীর গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। কৃষকরা যেন তাদের চাহিদামতো জ্বালানি পান এবং সময়মতো সেচ দিয়ে ফসলের ক্ষতি এড়াতে পারেন, সেজন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

এ এম/ ১৪ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

জ্বালানি তেলের অভাবে সেচ সংকটে দামুড়হুদার কৃষকরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

জ্বালানি তেলের অভাবে সেচ সংকটে দামুড়হুদার কৃষকরা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] চুয়াডাঙ্গা, ১৪ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে। এর ফলে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধানের ফুল আসার এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রয়োজনীয় সেচ দিতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। কৃষকরা জানান, বর্তমানে ধানক্ষেতে ফুল আসার সময় ঘনিয়ে এসেছে। এই সময়ে জমিতে পর্যাপ্ত পানি ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ কার্যক্রম চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে খুচরা বিক্রেতারা তেল বিক্রি বন্ধ রাখায় কৃষকদের ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সামান্য পরিমাণ তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এই সামান্য তেল তাদের বিশাল ফসলি জমির চাহিদার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। উপজেলার পারদামুড়হুদা গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদ জানান, তিনি শ্যালো মেশিন দিয়ে দুই বিঘা জমিতে ধান ও দুই বিঘা জমিতে ভুট্টার আবাদ করেছেন। একই মেশিন ব্যবহার করে তার দুই ভাইয়ের আরও প্রায় সাত থেকে আট বিঘা জমিতে সেচ দিতে হয়।বর্তমানে ধানে ফুল আসা শুরু হয়েছে এবং ভুট্টারও মোচা ধরেছে। এই অবস্থায় ধানক্ষেতে সার্বক্ষণিক পানি থাকা আবশ্যক। পানি না পেলে ধানের ফলন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। প্রতিদিন তাদের অন্তত ছয় থেকে সাত লিটার ডিজেলের প্রয়োজন হলেও পাম্প থেকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র তিন থেকে চার লিটার। ফলে তারা ঠিকমতো জমিতে পানি দিতে পারছেন না।দামুড়হুদায় দশমী পাড়ার আরেক কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, তার ১০ বিঘা জমির আমবাগানে সেচ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে কিন্তু পাম্পে গিয়ে তেল পাচ্ছেন না। গত দুই দিন ধরে বিভিন্ন দোকানে ঘুরেও তিনি কোনো ডিজেল জোগাড় করতে পারেননি। মেসার্স আলিফ অটোমোবাইল হাউসের স্বত্বাধিকারী আলিফ হোসেন বলেন, তাদের কাছে যতক্ষণ পর্যন্ত তেল মজুদ থাকছে, ততক্ষণ তারা সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন।কৃষকদের এই সংকটের বিষয়টি তারা গভীর গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। কৃষকরা যেন তাদের চাহিদামতো জ্বালানি পান এবং সময়মতো সেচ দিয়ে ফসলের ক্ষতি এড়াতে পারেন, সেজন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।এ এম/ ১৪ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×