হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে নতুন নোট

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৮ মার্চ – ঈদুল ফিতর উদযাপনকে কেন্দ্র করে সালামি ও উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্যে নতুন টাকার নোটের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সুযোগ বুঝে বিক্রেতারাও বিভিন্ন অঙ্কের নতুন নোট সাজিয়ে ফুটপাতে পসরা বসিয়েছেন। তবে এই নতুন নোট কেনাবেচায় অতিরিক্ত মূল্য আদায় নিয়ে বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ঈদের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নোটের দামও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে গিয়ে নতুন নোট না পেলেও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ঠিকই এসব নোটের দেখা মিলছে। এক্ষেত্রে বান্ডেল প্রতি ১৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। বাজারে সবচেয়ে বেশি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে দুই টাকার নোট।

বিক্রেতাদের দাবি তারা বেশি দামে কিনে আনার কারণেই বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের মতে বান্ডেল প্রতি মাত্র ১০ থেকে ২০ টাকার বেশি লাভ থাকছে না। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় দুই টাকার নতুন নোটের একশ পিসের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। এছাড়া পাঁচ টাকার বান্ডেল ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকায়, দশ টাকার বান্ডেল ১৪০০ টাকায় এবং বিশ টাকার বান্ডেল ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পঞ্চাশ টাকার বান্ডেল ৫৩০০ টাকা ও একশ টাকার বান্ডেল ১০ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। রিজভী নামের এক ক্রেতা জানান দশ টাকার বান্ডেল ১৪০০ টাকার নিচে কোনোভাবেই বিক্রি করতে রাজি হচ্ছেন না বিক্রেতারা যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।

আরও পড়ুন

সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩ উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ে আজ গুলশানে সাক্ষাৎকার

লিয়াকত হোসেন নামের এক বিক্রেতা জানান তারা ঢাকার গুলিস্তানের হকারদের কাছ থেকে এসব টাকা সংগ্রহ করেন এবং সামান্য লাভে বিক্রি করেন। বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল জানান তিনি নিজের ব্যাংকে নতুন নোট না পেয়ে ফুটপাত থেকে কিনতে বাধ্য হয়েছেন। তার অভিযোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এসব নোট হকারদের হাতে চলে যাচ্ছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বনিক জানান এভাবে প্রকাশ্যে নতুন নোট বিক্রি সম্পূর্ণ অবৈধ। অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পেলেও এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকির বিষয় হওয়ায় তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

এস এম/ ১৮ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে নতুন নোট

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে নতুন নোট

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৮ মার্চ – ঈদুল ফিতর উদযাপনকে কেন্দ্র করে সালামি ও উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্যে নতুন টাকার নোটের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সুযোগ বুঝে বিক্রেতারাও বিভিন্ন অঙ্কের নতুন নোট সাজিয়ে ফুটপাতে পসরা বসিয়েছেন। তবে এই নতুন নোট কেনাবেচায় অতিরিক্ত মূল্য আদায় নিয়ে বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ঈদের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নোটের দামও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে গিয়ে নতুন নোট না পেলেও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ঠিকই এসব নোটের দেখা মিলছে। এক্ষেত্রে বান্ডেল প্রতি ১৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। বাজারে সবচেয়ে বেশি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে দুই টাকার নোট।বিক্রেতাদের দাবি তারা বেশি দামে কিনে আনার কারণেই বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের মতে বান্ডেল প্রতি মাত্র ১০ থেকে ২০ টাকার বেশি লাভ থাকছে না। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় দুই টাকার নতুন নোটের একশ পিসের বান্ডেল বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। এছাড়া পাঁচ টাকার বান্ডেল ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকায়, দশ টাকার বান্ডেল ১৪০০ টাকায় এবং বিশ টাকার বান্ডেল ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পঞ্চাশ টাকার বান্ডেল ৫৩০০ টাকা ও একশ টাকার বান্ডেল ১০ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। রিজভী নামের এক ক্রেতা জানান দশ টাকার বান্ডেল ১৪০০ টাকার নিচে কোনোভাবেই বিক্রি করতে রাজি হচ্ছেন না বিক্রেতারা যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।লিয়াকত হোসেন নামের এক বিক্রেতা জানান তারা ঢাকার গুলিস্তানের হকারদের কাছ থেকে এসব টাকা সংগ্রহ করেন এবং সামান্য লাভে বিক্রি করেন। বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল জানান তিনি নিজের ব্যাংকে নতুন নোট না পেয়ে ফুটপাত থেকে কিনতে বাধ্য হয়েছেন। তার অভিযোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এসব নোট হকারদের হাতে চলে যাচ্ছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বনিক জানান এভাবে প্রকাশ্যে নতুন নোট বিক্রি সম্পূর্ণ অবৈধ। অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পেলেও এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকির বিষয় হওয়ায় তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।এস এম/ ১৮ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×