হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই নারীর সঙ্গে অভিযুক্তরা পূর্বপরিচিত: পুলিশ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩০ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক::

কক্সবাজারে বেড়াতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই নারীর সঙ্গে অভিযুক্তদের আগে থেকেই পরিচয় ছিল বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান। এসময় তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই নারী পর্যটক গত দুই মাসে তিনবার কক্সবাজার এসেছেন। ধর্ষণে অভিযুক্তরা তার পূর্বপরিচিত। ওই নারী ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সেবা পাননি বলে যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা বলেও দাবি করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ সাংবাদিকদের জানান, পর্যটকদের হয়রানি নিয়ে যে সব অভিযোগ আসছে তা সমাধানে আমরা কাজ করছি। নারীকে ধর্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আমরা এসব বিষয় নিয়ে পর্যটন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি।

আরও পড়ুন

ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ না থাকায় ৬২৭ কোটি রুপি পর্যন্ত লোকসানের শঙ্কায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড

এ সময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা ওই নারীর পূর্বপরিচিত। তাদের মধ্যে কী নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল, অন্য কোনো বিষয় ছিল কিনা তা পুলিশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করছে। তবে ধর্ষণের শিকার হাওয়া নারীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে আজ। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকার যাত্রাবাড়ীর জুরাইন এলাকায় থাকার কথা বললেও ওই দম্পতি তাদের সন্তানসহ তিন মাস ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে থাকছিলেন। তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নাম ব্যবহার করতেন।’ ওই নারী পুলিশের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

গত বুধবার (২২ ডিসেম্বর) স্বামী-সন্তানকে জিম্মি ও হত্যার ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে দুইবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। অভিযোগ পেয়ে রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজারের কলাতলীর ‘জিয়া গেস্ট ইন’ নামে একটি হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র‌্যাব-১৫। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত তিনজনের মধ্যে দুইজনকে শনাক্তও করা হয়েছে।

‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের’ অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ ও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন।

মামলায় নাম উল্লেখ করা চার আসামি হলেন— কক্সবাজার শহরের মধ্যম বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ শফি ওরফে ইসরাফিল হুদা জয় ওরফে জয়া, মেহেদী হাসান বাবু ও জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন।

পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত আশিকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন, ছিনতাই, ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৬টি মামলা আছে। তার অন্যতম সহযোগী জয়ার বিরুদ্ধেও দুটি মামলা আছে। তারা মূলত কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনের ত্রাস হিসেবে পরিচিত। তাদের গ্যাংয়ে অর্ধশতাধিক সদস্য রয়েছেন। তারা গ্রেপ্তারও হয়েছেন একাধিকবার।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই নারীর সঙ্গে অভিযুক্তরা পূর্বপরিচিত: পুলিশ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই নারীর সঙ্গে অভিযুক্তরা পূর্বপরিচিত: পুলিশ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩০ অপরাহ্ন
Print Image
নিজস্ব প্রতিবেদক:: কক্সবাজারে বেড়াতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই নারীর সঙ্গে অভিযুক্তদের আগে থেকেই পরিচয় ছিল বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান। এসময় তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই নারী পর্যটক গত দুই মাসে তিনবার কক্সবাজার এসেছেন। ধর্ষণে অভিযুক্তরা তার পূর্বপরিচিত। ওই নারী ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সেবা পাননি বলে যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা বলেও দাবি করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ সাংবাদিকদের জানান, পর্যটকদের হয়রানি নিয়ে যে সব অভিযোগ আসছে তা সমাধানে আমরা কাজ করছি। নারীকে ধর্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আমরা এসব বিষয় নিয়ে পর্যটন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। এ সময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা ওই নারীর পূর্বপরিচিত। তাদের মধ্যে কী নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল, অন্য কোনো বিষয় ছিল কিনা তা পুলিশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করছে। তবে ধর্ষণের শিকার হাওয়া নারীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে আজ। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকার যাত্রাবাড়ীর জুরাইন এলাকায় থাকার কথা বললেও ওই দম্পতি তাদের সন্তানসহ তিন মাস ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে থাকছিলেন। তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নাম ব্যবহার করতেন।’ ওই নারী পুলিশের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। গত বুধবার (২২ ডিসেম্বর) স্বামী-সন্তানকে জিম্মি ও হত্যার ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে দুইবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। অভিযোগ পেয়ে রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজারের কলাতলীর ‘জিয়া গেস্ট ইন’ নামে একটি হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র‌্যাব-১৫। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত তিনজনের মধ্যে দুইজনকে শনাক্তও করা হয়েছে। ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের’ অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ ও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় নাম উল্লেখ করা চার আসামি হলেন— কক্সবাজার শহরের মধ্যম বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ শফি ওরফে ইসরাফিল হুদা জয় ওরফে জয়া, মেহেদী হাসান বাবু ও জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন। পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত আশিকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন, ছিনতাই, ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৬টি মামলা আছে। তার অন্যতম সহযোগী জয়ার বিরুদ্ধেও দুটি মামলা আছে। তারা মূলত কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনের ত্রাস হিসেবে পরিচিত। তাদের গ্যাংয়ে অর্ধশতাধিক সদস্য রয়েছেন। তারা গ্রেপ্তারও হয়েছেন একাধিকবার।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×