হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক::

নিজস্ব প্রতিবেদক::

বুধবার, ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন

সকাল বেলা। কক্সবাজার বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন আসে। ওপাশ থেকে জানানো হয়, ‘ব্লুওয়েব এয়ারওয়েজের’ বিডব্লিউএ-৭৮৯ ফ্লাইটের ভেতরে একটি বোমা রাখা হয়েছে, যা যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারে।

মুহূর্তেই পাল্টে যায় বিমানবন্দরের দৃশ্যপট। কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে দ্রুত বিষয়টি বিমানবন্দর পরিচালক ও এভিয়েশন সিকিউরিটি ইনচার্জকে জানানো হলে পুরো বিমানবন্দর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়।

এভিয়েশন সিকিউরিটি, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), র‍্যাব, বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, আনসার ও ডগ স্কোয়াড দ্রুত অবস্থান নেয়। প্রস্তুত রাখা হয় ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স। এটি কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়, বরং কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রথমবারের মতো আয়োজিত একটি বিশাল নিরাপত্তা মহড়ার খণ্ডচিত্র।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে শুরু হয় মূল উদ্ধার অভিযান। প্রথমে বিমানটি ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনী। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিমান থেকে ৮ জন যাত্রী ও ২ জন কেবিন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার চলাকালীন এক যাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন

বিয়ের পাত্র চেয়ে গুগল ফর্মে পোস্ট!: ২৪১ আবেদন ও দেড় হাজার মেসেজে তোলপাড়

এরপর বোম ডিসপোজাল ইউনিট বিমানের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে একটি ব্রিফকেসে থাকা বোমাটি শনাক্ত করে এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তা নিষ্ক্রিয় করে। শেষে সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের ডগ স্কোয়াড পুরো বিমানে তল্লাশি চালিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে দুপুর ১২টায় শেষ হয় এই সফল মিশন।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) আয়োজিত এই মহড়াটি প্রতি দুই বছর পরপর আয়োজনের নিয়ম থাকলেও কক্সবাজারে এটিই ছিল প্রথম। বেবিচকের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট এয়ার কমোডর আসিফ ইকবালের নেতৃত্বে এই উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়।

এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল বলেন, এই মহড়ার প্রধান লক্ষ্য ছিল আমাদের প্রস্তুতির সার্বিক অবস্থা যাচাই করা এবং কোথায় কী ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করা। এই ঘাটতিগুলো নিয়ে একটি ইভালুয়েশন টিম গঠন করা হয়েছে, যারা আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে।

এ ছাড়া এপিবিএন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশসহ সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোই ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। মহড়াটি পর্যবেক্ষণ করেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা যাচাই করতেই এই আয়োজন। আসন্ন আইকাও অডিটে এই মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমাদের দক্ষতা আন্তর্জাতিক মানের অডিটে ইতিবাচক ফলাফল আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নিরাপত্তা মহড়া

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক:: | প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
Print Image
সকাল বেলা। কক্সবাজার বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন আসে। ওপাশ থেকে জানানো হয়, ‘ব্লুওয়েব এয়ারওয়েজের’ বিডব্লিউএ-৭৮৯ ফ্লাইটের ভেতরে একটি বোমা রাখা হয়েছে, যা যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারে। মুহূর্তেই পাল্টে যায় বিমানবন্দরের দৃশ্যপট। কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে দ্রুত বিষয়টি বিমানবন্দর পরিচালক ও এভিয়েশন সিকিউরিটি ইনচার্জকে জানানো হলে পুরো বিমানবন্দর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়। এভিয়েশন সিকিউরিটি, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), র‍্যাব, বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, আনসার ও ডগ স্কোয়াড দ্রুত অবস্থান নেয়। প্রস্তুত রাখা হয় ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স। এটি কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়, বরং কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রথমবারের মতো আয়োজিত একটি বিশাল নিরাপত্তা মহড়ার খণ্ডচিত্র। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে শুরু হয় মূল উদ্ধার অভিযান। প্রথমে বিমানটি ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনী। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিমান থেকে ৮ জন যাত্রী ও ২ জন কেবিন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার চলাকালীন এক যাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর বোম ডিসপোজাল ইউনিট বিমানের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে একটি ব্রিফকেসে থাকা বোমাটি শনাক্ত করে এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তা নিষ্ক্রিয় করে। শেষে সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের ডগ স্কোয়াড পুরো বিমানে তল্লাশি চালিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে দুপুর ১২টায় শেষ হয় এই সফল মিশন। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) আয়োজিত এই মহড়াটি প্রতি দুই বছর পরপর আয়োজনের নিয়ম থাকলেও কক্সবাজারে এটিই ছিল প্রথম। বেবিচকের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট এয়ার কমোডর আসিফ ইকবালের নেতৃত্বে এই উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়। এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল বলেন, এই মহড়ার প্রধান লক্ষ্য ছিল আমাদের প্রস্তুতির সার্বিক অবস্থা যাচাই করা এবং কোথায় কী ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করা। এই ঘাটতিগুলো নিয়ে একটি ইভালুয়েশন টিম গঠন করা হয়েছে, যারা আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। এ ছাড়া এপিবিএন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশসহ সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোই ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। মহড়াটি পর্যবেক্ষণ করেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা যাচাই করতেই এই আয়োজন। আসন্ন আইকাও অডিটে এই মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমাদের দক্ষতা আন্তর্জাতিক মানের অডিটে ইতিবাচক ফলাফল আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×