হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের ভাড়া বাসায় বসবাস: ১৩ রোহিঙ্গা ও ২ আশ্রয়দাতা আটক

শহিদুল ইসলাম::

শহিদুল ইসলাম::

মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৫৪ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে বসবাস করা ১৩ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫)।

একইসঙ্গে আশ্রয়দানকারী দুই বাংলাদেশিকেও আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন বাড়ির মালিক। অপরজন কেয়ারটেকার।

আটককৃতরা হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পৌর সভার কেকে পাড়ার বাসিন্দা ও বাড়ির মালিক মৃত ওমর হামজার ছেলে আব্দুল্লাহ (২৭) ও মৃত হাসান শরীফের ছেলে মো. ফয়াজ (৬৫)। আটককৃতদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আটক হওয়া রোহিঙ্গারা সবাই উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে তালিকাভুক্ত। তারা সরকারের দেওয়া মানবিক সহায়তা, খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য সুবিধা নিয়মিত গ্রহণ করছিলেন, অথচ দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে শহরের বাসায় বসবাস করছিলেন।

আরও পড়ুন

কুমিল্লায় কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের তিন বগি লাইনচ্যুত, ঢাকামুখী ট্রেন চলাচল বন্ধ

গত ৬ অক্টোবর (সোমবার) গভীর রাতে টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কে কে পাড়ায় অবস্থিত ‘আব্দুল্লাহ ম্যানশন’ নামক একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতাদের আটক করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে শহরের ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন।

প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের এইভাবে বসবাস করা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। কারণ, তারা পরিচয় গোপন রেখে সমাজে মিশে গিয়ে অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জনবহুল এলাকায় সামাজিক অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কাও থেকে যায়।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোহিঙ্গাদের অবৈধ চলাফেরা ও বাইরে বসবাস ঠেকাতে নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে যারা রোহিঙ্গাদের গোপনে আশ্রয় দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের গোপন বসবাস এলাকায় নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। প্রশাসনের তৎপরতায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করলেও, এরকম ঘটনা প্রতিরোধে আরও কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন তারা।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

টেকনাফে ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের ভাড়া বাসায় বসবাস: ১৩ রোহিঙ্গা ও ২ আশ্রয়দাতা আটক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের ভাড়া বাসায় বসবাস: ১৩ রোহিঙ্গা ও ২ আশ্রয়দাতা আটক

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম:: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে বসবাস করা ১৩ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫)। একইসঙ্গে আশ্রয়দানকারী দুই বাংলাদেশিকেও আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন বাড়ির মালিক। অপরজন কেয়ারটেকার। আটককৃতরা হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পৌর সভার কেকে পাড়ার বাসিন্দা ও বাড়ির মালিক মৃত ওমর হামজার ছেলে আব্দুল্লাহ (২৭) ও মৃত হাসান শরীফের ছেলে মো. ফয়াজ (৬৫)। আটককৃতদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। আটক হওয়া রোহিঙ্গারা সবাই উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে তালিকাভুক্ত। তারা সরকারের দেওয়া মানবিক সহায়তা, খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য সুবিধা নিয়মিত গ্রহণ করছিলেন, অথচ দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে শহরের বাসায় বসবাস করছিলেন। গত ৬ অক্টোবর (সোমবার) গভীর রাতে টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কে কে পাড়ায় অবস্থিত ‘আব্দুল্লাহ ম্যানশন’ নামক একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতাদের আটক করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে শহরের ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন। প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের এইভাবে বসবাস করা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। কারণ, তারা পরিচয় গোপন রেখে সমাজে মিশে গিয়ে অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জনবহুল এলাকায় সামাজিক অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কাও থেকে যায়। র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোহিঙ্গাদের অবৈধ চলাফেরা ও বাইরে বসবাস ঠেকাতে নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে যারা রোহিঙ্গাদের গোপনে আশ্রয় দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের গোপন বসবাস এলাকায় নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। প্রশাসনের তৎপরতায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করলেও, এরকম ঘটনা প্রতিরোধে আরও কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন তারা।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×