হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় ১৮ কোটি ব্যয়ে নির্মিত হবে আধুনিক আর্চ ব্রিজ

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের জালিয়াকাটা ভায়া রাজাখালী দশেরঘোনা সংযোগ সড়কে ভোলা খালের ওপর ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন আর্চ ব্রিজ। ৬৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণকাজে…

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের জালিয়াকাটা ভায়া রাজাখালী দশেরঘোনা সংযোগ সড়কে ভোলা খালের ওপর ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন আর্চ ব্রিজ।

৬৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণকাজের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে পুরোনো সেতুর পাশে বিকল্প সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আল আমিন অ্যান্ড আজম কনস্ট্রাকশন। নতুন সেতুটি নির্মিত হলে দুই ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ভোগান্তি কমার পাশাপাশি কুতুবদিয়া ও বাঁশখালীর সঙ্গে যাতায়াতেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ফরিদপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আল আমিন অ্যান্ড আজম কনস্ট্রাকশন। নির্মাণকাজ চলাকালে মানুষের যাতায়াত সচল রাখতে জালিয়াকাটা পুরোনো সেতুর পাশে ভোলা খালে বাঁধ দিয়ে বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো সেতুটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। সেতুর ঢালাই ভেঙে বিভিন্ন স্থানে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় প্রায়ই যান চলাচল ব্যাহত হতো। কখনো কখনো যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে দুর্ভোগে পড়তে হতো স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ অবস্থায় সেতুটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন

তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বারবাকিয়া ও রাজাখালী ইউনিয়নের মানুষের সরাসরি যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এই সড়ক। একই সঙ্গে পেকুয়া বাজার থেকে মগনামা হয়ে দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া এবং বাঁশখালীতে যাতায়াতের বিকল্প পথ হিসেবেও এটি ব্যবহৃত হয়। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী, লবণচাষি, মৎস্যচাষিসহ হাজারো মানুষ চলাচল করেন। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তাঁদের প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হতো।

বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আনিসুল করিম বলেন, জালিয়াকাটা সেতুটি দীর্ঘদিন অবহেলিত ও সংস্কারহীন ছিল। নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় আমরা আশাবাদী। এটি নির্মিত হলে শিক্ষার্থী, লবণচাষি, মৎস্যচাষিসহ এলাকার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল হোছাইন বলেন, বারবাকিয়া-জালিয়াকাটা সেতুটির প্রাক্কলিত নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন আর্চ ব্রিজ হিসেবে নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।

পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন বলেন, সেতুটি শুধু দুটি ইউনিয়নের সরাসরি যোগাযোগ সহজ করবে না, বরং কুতুবদিয়া ও বাঁশখালীর মানুষের জন্যও একটি কার্যকর বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য, লবণ ও মাছ পরিবহন আরও সহজ হবে। পাশাপাশি যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমার মধ্য দিয়ে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কাটিয়ে ভোলা খালের দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

🔗 আরও পড়ুন:

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: পেকুয়ায় ১৮ কোটি ব্যয়ে নির্মিত হবে আধুনিক আর্চ ব্রিজ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের জালিয়াকাটা ভায়া রাজাখালী দশেরঘোনা সংযোগ সড়কে ভোলা খালের ওপর ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেকুয়ায় ১৮ কোটি ব্যয়ে নির্মিত হবে আধুনিক আর্চ ব্রিজ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় ১৮ কোটি ব্যয়ে নির্মিত হবে আধুনিক আর্চ ব্রিজ

প্রতিবেদক: নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া :: | প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের জালিয়াকাটা ভায়া রাজাখালী দশেরঘোনা সংযোগ সড়কে ভোলা খালের ওপর ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন আর্চ ব্রিজ। ৬৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণকাজের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে পুরোনো সেতুর পাশে বিকল্প সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আল আমিন অ্যান্ড আজম কনস্ট্রাকশন। নতুন সেতুটি নির্মিত হলে দুই ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ভোগান্তি কমার পাশাপাশি কুতুবদিয়া ও বাঁশখালীর সঙ্গে যাতায়াতেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ফরিদপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আল আমিন অ্যান্ড আজম কনস্ট্রাকশন। নির্মাণকাজ চলাকালে মানুষের যাতায়াত সচল রাখতে জালিয়াকাটা পুরোনো সেতুর পাশে ভোলা খালে বাঁধ দিয়ে বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো সেতুটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। সেতুর ঢালাই ভেঙে বিভিন্ন স্থানে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় প্রায়ই যান চলাচল ব্যাহত হতো। কখনো কখনো যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে দুর্ভোগে পড়তে হতো স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ অবস্থায় সেতুটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসী। বারবাকিয়া ও রাজাখালী ইউনিয়নের মানুষের সরাসরি যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এই সড়ক। একই সঙ্গে পেকুয়া বাজার থেকে মগনামা হয়ে দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া এবং বাঁশখালীতে যাতায়াতের বিকল্প পথ হিসেবেও এটি ব্যবহৃত হয়। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী, লবণচাষি, মৎস্যচাষিসহ হাজারো মানুষ চলাচল করেন। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তাঁদের প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হতো। বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আনিসুল করিম বলেন, জালিয়াকাটা সেতুটি দীর্ঘদিন অবহেলিত ও সংস্কারহীন ছিল। নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় আমরা আশাবাদী। এটি নির্মিত হলে শিক্ষার্থী, লবণচাষি, মৎস্যচাষিসহ এলাকার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল হোছাইন বলেন, বারবাকিয়া-জালিয়াকাটা সেতুটির প্রাক্কলিত নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন আর্চ ব্রিজ হিসেবে নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন বলেন, সেতুটি শুধু দুটি ইউনিয়নের সরাসরি যোগাযোগ সহজ করবে না, বরং কুতুবদিয়া ও বাঁশখালীর মানুষের জন্যও একটি কার্যকর বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য, লবণ ও মাছ পরিবহন আরও সহজ হবে। পাশাপাশি যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমার মধ্য দিয়ে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কাটিয়ে ভোলা খালের দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×