হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

যোগদানের আগেই তোলপাড়! ২ এসপিকে প্রত্যাহার করল পুলিশ সদর দপ্তর

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১১ মে – দেশের পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই এল এক নাটকীয় খবর। ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া দুই কর্মকর্তাকে আকস্মিকভাবে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সোমবার (১১ মে) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— ফেনীর এসপি হিসেবে আদেশপ্রাপ্ত মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমান।

গত ৫ মে সারা দেশের ১২টি জেলায় নতুন পুলিশ সুপার পদায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদেশ জারির পর থেকেই ফেনীর নতুন এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক।

আরও পড়ুন

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মরদেহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দেশে আনা হবে

জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক হত্যা মামলার অভিযোগ ওঠে। এই খবর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

একই সাথে পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকেও ১০ মে-এর মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে তাঁদের বর্তমান দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে দ্রুত সদর দপ্তরে ফিরতে বলা হয়।

এসপি মাহবুব আলম খানের নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে গত ৭ মে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল ল’ ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু জনস্বার্থে এই রিটটি করেন।

  • হত্যা মামলার আসামিকে গুরুত্বপূর্ণ জেলা ফেনীর এসপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া বেআইনি।
  • তাঁর নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করতে হবে।
  • অভিযোগের বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

বর্তমান পুলিশ প্রশাসন যে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে জনরোষ সৃষ্টি করতে চায় না, এই সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ। সাধারণত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের নিয়োগের আগে গোয়েন্দা প্রতিবেদন যাচাই করা হয়। তবে এক্ষেত্রে কেন সেই যাচাই প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেনীর মতো রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর জেলায় একজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে পদায়ন করার কয়েক দিনের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করাকে পুলিশের ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ বা ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা হিসেবেই দেখছে সচেতন মহল। পঞ্চগড় ও ফেনীতে এখন নতুন কারা দায়িত্ব পাচ্ছেন, সেদিকেই নজর সবার।

এনএন/ ১১ মে ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

যোগদানের আগেই তোলপাড়! ২ এসপিকে প্রত্যাহার করল পুলিশ সদর দপ্তর

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

যোগদানের আগেই তোলপাড়! ২ এসপিকে প্রত্যাহার করল পুলিশ সদর দপ্তর

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১১ মে – দেশের পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই এল এক নাটকীয় খবর। ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া দুই কর্মকর্তাকে আকস্মিকভাবে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সোমবার (১১ মে) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— ফেনীর এসপি হিসেবে আদেশপ্রাপ্ত মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমান।গত ৫ মে সারা দেশের ১২টি জেলায় নতুন পুলিশ সুপার পদায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদেশ জারির পর থেকেই ফেনীর নতুন এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক।জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক হত্যা মামলার অভিযোগ ওঠে। এই খবর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।একই সাথে পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকেও ১০ মে-এর মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে তাঁদের বর্তমান দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে দ্রুত সদর দপ্তরে ফিরতে বলা হয়।এসপি মাহবুব আলম খানের নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে গত ৭ মে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল ল’ ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু জনস্বার্থে এই রিটটি করেন।হত্যা মামলার আসামিকে গুরুত্বপূর্ণ জেলা ফেনীর এসপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া বেআইনি।তাঁর নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করতে হবে।অভিযোগের বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।বর্তমান পুলিশ প্রশাসন যে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে জনরোষ সৃষ্টি করতে চায় না, এই সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ। সাধারণত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের নিয়োগের আগে গোয়েন্দা প্রতিবেদন যাচাই করা হয়। তবে এক্ষেত্রে কেন সেই যাচাই প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।ফেনীর মতো রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর জেলায় একজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে পদায়ন করার কয়েক দিনের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করাকে পুলিশের ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ বা ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা হিসেবেই দেখছে সচেতন মহল। পঞ্চগড় ও ফেনীতে এখন নতুন কারা দায়িত্ব পাচ্ছেন, সেদিকেই নজর সবার।এনএন/ ১১ মে ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×