হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রেঙ্গুন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প: মাদক কারবারী শালা দুলাভাইয়ের আধিপত্য

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক::

প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের পুরাতন রাজধানী রেঙ্গুনে (বর্তমানে ইয়াঙ্গুন নামে পরিচিত) বাস করেন রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ আবছার।

সেই রেঙ্গুন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পর্যন্ত প্রযুক্তির সহায়তায় অবৈধ মাদক ইয়াবার রমরমা বাণিজ্যের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার তথ্য মিলেছে এই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে।

ওপার থেকে সক্রিয় নেটওয়ার্কটির এপার নিয়ন্ত্রণ করেন আবছারের আপন বোন জামাই মোহাম্মদ ওসমান, যার অধীনে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ জন মাদক কারবারিদের একটি চক্র। ওসমান পালংখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ধামনখালী এলাকার মৃত অলি আহমেদের পুত্র।

আরও পড়ুন

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ভারতে আইনি প্রক্রিয়া চলছে, সময়সীমা বলা সম্ভব নয়: ভারতীয় হাইকমিশনার

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, ওসমান মাদক প্রতিরোধ আইনে দায়েরকৃত একাধিক মামলা’র আসামী। ২০২১ সালে থাইংখালী’র ফুটবল মাঠ এলাকা থেকে দশ হাজার ইয়াবা সহ ওসমান’কে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এছাড়াও ২০২৩ সালে বালুখালী এলাকায় ৫০ হাজার ইয়াবা সহ দুই নারী’কে বিজিবি গ্রেফতার করলে সে ঘটনাতেও ওসমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে।

সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচারের রুট হিসেবে কুখ্যাতি পাওয়া সীমান্তবর্তী গ্রাম ধামনখালীতে ইয়াবা লেনদেনের সংবাদ প্রচার পায় গণমাধ্যমে, এরপরই প্রকাশ্যে আসে শালা-দুলাভাইয়ের কু-কীর্তি।

প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত একটি ভিডিওর তথ্য বলছে, আবছারের সাথে নিয়মিতই ইয়াবা লেনদেন করে থাকেন ওসমান। ওসমানের মধ্যস্থতায় তার অধীনস্থ মাদকবহনকারীরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইয়াবা মজুদের পর ছড়িয়ে দেয় দেশের অন্যান্য স্থানে।

আশ্রয় শিবিরের কুতুপালং ১নং ক্যাম্পে বাস করেন আবছারের পিতা ফজল আহমেদ সহ তার পরিবার৷ ঐ ক্যাম্পের একটি সূত্র ব্যবহার করে আবছারের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেও অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনো উত্তর মেলেনি।

তবে কথা বলেছেন ওসমান। তিনি দাবী করেন, ‘আমি কখনোই ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছিলাম না, আমার বিরুদ্ধে এলাকায় কিছু শত্রু অপপ্রচারে সক্রিয়।তিনি গরুর খামার করেন বলে জানায়, তারা আমার মানহানির উদ্দেশ্যে এধরণের তথ্য দিয়ে আপনাদের বিভ্রান্ত করছে।’

মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য রুখতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র কঠোর তৎপরতা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন ৬৪ বিজিবির ( উখিয়া ব্যাটেলিয়ন) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

এদিকে ওসমান শুধু ইয়াবা পাচারে নয় জড়িত পাহাড়ের মাটি পাচারেও, সম্প্রতি তার একটি ড্রেজার মেশিনও বনবিভাগের থাইংখালী বিট জব্দ করেছে।

সম্প্রতি থাইংখালীর ধামনখালী, রহমতের বিল এলাকায় বেশ কয়েকটি ইয়াবার সিন্ডুকেট গড়ে উঠেছে বলে সীমান্তের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সিন্ডিকেট সদস্যরা প্রথমে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান এনে পৌঁছে দেয় ওসমানের হাতে, পরে সেখানে মজুদের পর সময়মতো পৌঁছে যায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকা তার শশুরবাড়িতে।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, ওসমান এলাকায় বীরদর্পে চলাফেরা করে, কখনো কখনো নিজেকে গরুর খামারী কখনো নিজেকে বালু ব্যবসায়ী পরিচয় দেন।

shahid

shahid

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রেঙ্গুন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প: মাদক কারবারী শালা দুলাভাইয়ের আধিপত্য

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রেঙ্গুন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প: মাদক কারবারী শালা দুলাভাইয়ের আধিপত্য

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
Print Image
নিজস্ব প্রতিবেদক:: প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের পুরাতন রাজধানী রেঙ্গুনে (বর্তমানে ইয়াঙ্গুন নামে পরিচিত) বাস করেন রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ আবছার। সেই রেঙ্গুন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পর্যন্ত প্রযুক্তির সহায়তায় অবৈধ মাদক ইয়াবার রমরমা বাণিজ্যের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার তথ্য মিলেছে এই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে। ওপার থেকে সক্রিয় নেটওয়ার্কটির এপার নিয়ন্ত্রণ করেন আবছারের আপন বোন জামাই মোহাম্মদ ওসমান, যার অধীনে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ জন মাদক কারবারিদের একটি চক্র। ওসমান পালংখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ধামনখালী এলাকার মৃত অলি আহমেদের পুত্র। পুলিশের তথ্যানুযায়ী, ওসমান মাদক প্রতিরোধ আইনে দায়েরকৃত একাধিক মামলা’র আসামী। ২০২১ সালে থাইংখালী’র ফুটবল মাঠ এলাকা থেকে দশ হাজার ইয়াবা সহ ওসমান’কে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়াও ২০২৩ সালে বালুখালী এলাকায় ৫০ হাজার ইয়াবা সহ দুই নারী’কে বিজিবি গ্রেফতার করলে সে ঘটনাতেও ওসমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে। সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচারের রুট হিসেবে কুখ্যাতি পাওয়া সীমান্তবর্তী গ্রাম ধামনখালীতে ইয়াবা লেনদেনের সংবাদ প্রচার পায় গণমাধ্যমে, এরপরই প্রকাশ্যে আসে শালা-দুলাভাইয়ের কু-কীর্তি। প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত একটি ভিডিওর তথ্য বলছে, আবছারের সাথে নিয়মিতই ইয়াবা লেনদেন করে থাকেন ওসমান। ওসমানের মধ্যস্থতায় তার অধীনস্থ মাদকবহনকারীরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইয়াবা মজুদের পর ছড়িয়ে দেয় দেশের অন্যান্য স্থানে। আশ্রয় শিবিরের কুতুপালং ১নং ক্যাম্পে বাস করেন আবছারের পিতা ফজল আহমেদ সহ তার পরিবার৷ ঐ ক্যাম্পের একটি সূত্র ব্যবহার করে আবছারের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেও অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনো উত্তর মেলেনি। তবে কথা বলেছেন ওসমান। তিনি দাবী করেন, ‘আমি কখনোই ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছিলাম না, আমার বিরুদ্ধে এলাকায় কিছু শত্রু অপপ্রচারে সক্রিয়।তিনি গরুর খামার করেন বলে জানায়, তারা আমার মানহানির উদ্দেশ্যে এধরণের তথ্য দিয়ে আপনাদের বিভ্রান্ত করছে।’ মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য রুখতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র কঠোর তৎপরতা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন ৬৪ বিজিবির ( উখিয়া ব্যাটেলিয়ন) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। এদিকে ওসমান শুধু ইয়াবা পাচারে নয় জড়িত পাহাড়ের মাটি পাচারেও, সম্প্রতি তার একটি ড্রেজার মেশিনও বনবিভাগের থাইংখালী বিট জব্দ করেছে। সম্প্রতি থাইংখালীর ধামনখালী, রহমতের বিল এলাকায় বেশ কয়েকটি ইয়াবার সিন্ডুকেট গড়ে উঠেছে বলে সীমান্তের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। সিন্ডিকেট সদস্যরা প্রথমে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান এনে পৌঁছে দেয় ওসমানের হাতে, পরে সেখানে মজুদের পর সময়মতো পৌঁছে যায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকা তার শশুরবাড়িতে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, ওসমান এলাকায় বীরদর্পে চলাফেরা করে, কখনো কখনো নিজেকে গরুর খামারী কখনো নিজেকে বালু ব্যবসায়ী পরিচয় দেন।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×