আবুধাবি, ২১ সেপ্টেম্বর – দুশমন্থা চামিরার ফুলটসের লাইন মিস করে এলবিডব্লিউ হয়ে গেলেন তাওহিদ হৃদয়। ভাঙল ২৭ বল স্থায়ী ৪৫ রানের জুটি। রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি, বল আঘাত হানত লেগ স্টাম্পে। ৩৭ বলে দুই ছক্কা ও চারটি চারে ৫৮ রান করেন হৃদয়। ক্রিজে গিয়েই ফুলটসে বাউন্ডারিতে শুরু করেন জাকের আলি। যদিও শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৯ ওভার ৫ বলে ৪ উইকেট হাতে রেখেই ১৬৯ রান করে বাংলাদেশ জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে টাইগাররা। তবে দলীয় ১ রানের মাথায় তানজিদ হাসান তামিম কোনো রান না করেই বিদায় নেন। পরবর্তীতে সাময়িক সেই চাপ সামলে নেন সাইফ হাসান এবং লিটন দাস। একসময় ৫০ রানের জুটিও পার করেন এই দুই ব্যাটার।
পোর্ট এলিজাবেথে রোমাঞ্চকর জয় দক্ষিণ আফ্রিকার: অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ও ৩১ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা
তবে দলীয় ৬০ রানে লিটন ফিরে যান ব্যক্তিগত ২৩ রান করে। এরপর সাইফ একাই চার ছক্কার ইনিংস খেলতে থাকেন, তাকে সঙ্গ দেন তাওহীদ হৃদয়। একসময় সাইফ তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধ-শতক। তখন ব্যাট হাতে রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছিলেন হৃদয়। এরপর ৪৫ বলে ৬১ রান করে বিদায় নেন সাইফ।
যদিও বোলিংয়ের শুরুটা ভালো ছিল না বাংলাদেশের। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে লঙ্কানদের বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে দারুণ ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বিশেষ করে স্পিনাররা দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। তবে স্লগ ওভারে মুস্তাফিজ ছাড়া আর কেউই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে পারেনি। তাতে দেড়শ ছাড়ান সংগ্রহ পেয়েছে লঙ্কানরা।
দুবাইতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬৪ রান করেছেন দাসুন শানাকা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কুশল মেন্ডিসের কাছে ছক্কা হজম করেন শরিফুল ইসলাম। আক্রমণাত্মক শুরু করা লঙ্কানদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। পঞ্চম ওভারের শেষ বলটি ভালো লেংথে করেছিলেন তাসকিন। মিডল ও লেগ স্টাম্পের ওপর থেকে টেনে খেলতে চেয়েছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা, টাইমিং ভালো না হওয়ায় ডিপ মিডউইকেটে সাইফ হাসানের হাতে ধরা পড়েন তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে ১৫ বলে ২২ রান করেছেন এই ওপেনার।
সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন