হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সংযুক্ত আরব আমিরাত উপকূলে রহস্যময় জাহাজ জব্দ: মধ্যপ্রাচ্যে আবারও ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের কালো মেঘ!

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন


আবুধাবি, ১৪ মে – মধ্যপ্রাচ্যের ‘তেল রুট’ খ্যাত হরমুজ প্রণালি এখন বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূল থেকে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের দ্বারা অপহৃত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে ইউকে মেরিটাইম এজেন্সি (UKMTO)। বর্তমানে জাহাজটিকে টেনে ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ইউকে মেরিটাইম এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, ফুজাইরাহ থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে নোঙর করা অবস্থায় ছিল জাহাজটি। হুট করেই একদল সশস্ত্র ব্যক্তি জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। এখনো কোনো গোষ্ঠী বা দেশ এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। তবে জাহাজটি যে পথে ইরানের জলসীমার দিকে এগোচ্ছে, তাতে সন্দেহের তির তেহরানের দিকেই যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

ভারতের জামনগর তেল শোধনাগার পরিদর্শনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব অর্থনীতির এই লাইফলাইনটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। যদিও বর্তমানে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলছে, কিন্তু সমুদ্রপথে অস্থিরতা কমেনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহ আগে শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে তার দুই বড় মিত্র সৌদি আরব ও বাহরাইন বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো মার্কিন সামরিক অভিযানে তাদের আকাশসীমা বা ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। মিত্রদের অসহযোগিতায় ট্রাম্প তার অভিযান স্থগিত করতে বাধ্য হন, যদিও তিনি দাবি করেছেন ‘ইরানের সাথে আলোচনায় অগ্রগতি’র কারণে তিনি পিছু হটেছেন।

আজকের এই জাহাজ জব্দের ঘটনাটি প্রমাণ করে যে হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটন বা রিয়াদ নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ এখনো তেহরানের হাতেই। যুক্তরাষ্ট্র যদি এই ঘটনার পর ইরানের বন্দরে সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নেয়, তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে গিয়ে অঞ্চলটি আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে চলে যেতে পারে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সংযুক্ত আরব আমিরাত উপকূলে রহস্যময় জাহাজ জব্দ: মধ্যপ্রাচ্যে আবারও ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের কালো মেঘ!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সংযুক্ত আরব আমিরাত উপকূলে রহস্যময় জাহাজ জব্দ: মধ্যপ্রাচ্যে আবারও ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের কালো মেঘ!

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] আবুধাবি, ১৪ মে – মধ্যপ্রাচ্যের ‘তেল রুট’ খ্যাত হরমুজ প্রণালি এখন বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূল থেকে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের দ্বারা অপহৃত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে ইউকে মেরিটাইম এজেন্সি (UKMTO)। বর্তমানে জাহাজটিকে টেনে ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।ইউকে মেরিটাইম এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, ফুজাইরাহ থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে নোঙর করা অবস্থায় ছিল জাহাজটি। হুট করেই একদল সশস্ত্র ব্যক্তি জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। এখনো কোনো গোষ্ঠী বা দেশ এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। তবে জাহাজটি যে পথে ইরানের জলসীমার দিকে এগোচ্ছে, তাতে সন্দেহের তির তেহরানের দিকেই যাচ্ছে।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব অর্থনীতির এই লাইফলাইনটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। যদিও বর্তমানে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলছে, কিন্তু সমুদ্রপথে অস্থিরতা কমেনি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহ আগে শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে তার দুই বড় মিত্র সৌদি আরব ও বাহরাইন বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো মার্কিন সামরিক অভিযানে তাদের আকাশসীমা বা ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। মিত্রদের অসহযোগিতায় ট্রাম্প তার অভিযান স্থগিত করতে বাধ্য হন, যদিও তিনি দাবি করেছেন ‘ইরানের সাথে আলোচনায় অগ্রগতি’র কারণে তিনি পিছু হটেছেন।আজকের এই জাহাজ জব্দের ঘটনাটি প্রমাণ করে যে হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটন বা রিয়াদ নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ এখনো তেহরানের হাতেই। যুক্তরাষ্ট্র যদি এই ঘটনার পর ইরানের বন্দরে সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নেয়, তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে গিয়ে অঞ্চলটি আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে চলে যেতে পারে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×