হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাংলাকে ধারণ করতে হলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান পরিহার করতে হবে: টুকু

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন


সিরাজগঞ্জ, ২১ ফেব্রুয়ারি – বাংলা ভাষাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হলে এবং মায়ের ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয় তবে ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ—এগুলোর সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই। ইনকিলাব শব্দটি অন্যদিকের ভাষা, যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল। আজ যখন দেখি এটিই আমাদের ছেলেদের ভাষা হয়ে গেছে, তখন আমার রক্তক্ষরণ হয়। এটি আমাদের শিক্ষকদের ব্যর্থতা।’

আরও পড়ুন

সালাহউদ্দিন আহমদ: প্রবারণা পূর্ণিমা ও কঠিন চীবর দান উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে সরকার

তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ‘সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সমাজ উল্টো পথে হাঁটছে। এসব কথা বললে হয়তো আমাকে ভারতের দালাল বলা হবে, তবুও আমি সত্য বলব। কারণ জীবন বাজি রেখেই আমি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছি এবং মন্ত্রী হয়েছি।’

ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ব্রিটিশরা এ দেশের অনেক ক্ষতি করে গেছে। শোষণের হাতিয়ার হিসেবে আমাদের রাষ্ট্রভাষাকে চেপে ধরা হয়েছিল। ১৯৫৪ সালের শোষণের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছিলেন, তারাই মূলত বাংলাদেশ ও বাঙালির আবাসস্থলের বীজ বপন করেছিলেন। সেই বীজ থেকেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ত্বরান্বিত হয়েছিল।’

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমাদের ভাবতে হবে, না হলে দেশ চরমপন্থা বা এক্সট্রিম রাইটের দিকে চলে যাবে। নিজেদের ভাষাকে সঠিকভাবে জানার চেষ্টা করিনি বলেই আমাদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ বা ন্যাশনালিজম গড়ে ওঠেনি। নিজেদের দেশ ও ভাষা আমাদেরই গড়তে হবে, অন্য কেউ তা করে দেবে না।’


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

বাংলাকে ধারণ করতে হলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান পরিহার করতে হবে: টুকু

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাংলাকে ধারণ করতে হলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান পরিহার করতে হবে: টুকু

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] সিরাজগঞ্জ, ২১ ফেব্রুয়ারি – বাংলা ভাষাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হলে এবং মায়ের ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয় তবে ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ—এগুলোর সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই। ইনকিলাব শব্দটি অন্যদিকের ভাষা, যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল। আজ যখন দেখি এটিই আমাদের ছেলেদের ভাষা হয়ে গেছে, তখন আমার রক্তক্ষরণ হয়। এটি আমাদের শিক্ষকদের ব্যর্থতা।’তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ‘সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সমাজ উল্টো পথে হাঁটছে। এসব কথা বললে হয়তো আমাকে ভারতের দালাল বলা হবে, তবুও আমি সত্য বলব। কারণ জীবন বাজি রেখেই আমি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছি এবং মন্ত্রী হয়েছি।’ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ব্রিটিশরা এ দেশের অনেক ক্ষতি করে গেছে। শোষণের হাতিয়ার হিসেবে আমাদের রাষ্ট্রভাষাকে চেপে ধরা হয়েছিল। ১৯৫৪ সালের শোষণের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছিলেন, তারাই মূলত বাংলাদেশ ও বাঙালির আবাসস্থলের বীজ বপন করেছিলেন। সেই বীজ থেকেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ত্বরান্বিত হয়েছিল।’তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমাদের ভাবতে হবে, না হলে দেশ চরমপন্থা বা এক্সট্রিম রাইটের দিকে চলে যাবে। নিজেদের ভাষাকে সঠিকভাবে জানার চেষ্টা করিনি বলেই আমাদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ বা ন্যাশনালিজম গড়ে ওঠেনি। নিজেদের দেশ ও ভাষা আমাদেরই গড়তে হবে, অন্য কেউ তা করে দেবে না।’ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×