হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

দীর্ঘ ৫ বছর পর কারাবন্দি মা অং সান সু চির সাথে কথা বললেন ছেলে কিম আরিস

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: নেপিডো, ২২ অক্টোবর – মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী ও কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ফোনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন তাঁর যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ছেলে কিম …


নেপিডো, ২২ অক্টোবর – মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী ও কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ফোনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন তাঁর যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ছেলে কিম আরিস। দীর্ঘ সময় পর মায়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে এই কথা শেয়ার করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক সামাজিক পোস্টের মাধ্যমে কিম আরিস জানান, এত বছর পর মায়ের গলা শুনতে পাওয়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বাইরের পৃথিবী থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকা শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর ফোন বার্তা বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন

ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল: পকেট ফাঁকা দেখে অ্যাপে লোন করিয়ে টাকা তুলল ছিনতাইকারীরা!

নেপিডোতে গৃহবন্দিত্ব ও মা-ছেলের কথোপকথন

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স টুয়েন্টিফোর (France 24)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিয়ানমারের সামরিক সরকারের তথ্যমতে, দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী নেপিডোতে সু চিকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানে অং সান সু চি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তাকে বন্দী জীবনযাপন করতে হচ্ছে।

তবে দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে মা-ছেলের মধ্যে এই ফোনালাপের সুযোগ হলো, সে বিষয়ে সামরিক জান্তা বা কোনো পক্ষের তরফ থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

বিশ্ববাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং উদ্বেগের ৩টি মূল বার্তা

ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে কিম আরিস কেবল নিজের আবেগের কথাই প্রকাশ করেননি, বরং মায়ের বর্তমান অবস্থা ও বৈশ্বিক জনমত নিয়েও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন:

১. বিশ্ববাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা:

সু চির মুক্তি এবং মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যারা বছরের পর বছর ধরে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আরিস। তিনি বিশ্বাস করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো কণ্ঠস্বর ও সমর্থনের কারণেই এই ফোনালাপ সম্ভব হয়েছে।

২. মায়ের বয়স ও স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ:

দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে মায়ের স্বাস্থ্যগত দিক নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আরিস। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, অং সান সু চির বয়স বর্তমানে ৮১ বছর এবং এই বয়সেও তাকে কঠিন বন্দিদশায় রাখা হয়েছে।

৩. সাময়িক যোগাযোগ নয়, প্রয়োজন স্থায়ী মুক্তি:

একবার ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়াকে নিয়মিত পারিবারিক যোগাযোগের বিকল্প হিসেবে মানতে নারাজ আরিস। তিনি মনে করেন, এটি সামান্য একটি যোগাযোগমাত্র; যতক্ষণ না তাঁর মায়ের পূর্ণ মুক্তি হচ্ছে, ততক্ষণ এই লড়াই চলবে।

“যারা আমার মা ও আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞ। তবে ভুলে গেলে চলবে না, আমার মায়ের বয়স ৮১ বছর এবং তিনি এখনও বন্দি। শুধু একবার কথা বলার সুযোগ নিয়মিত যোগাযোগের বিকল্প হতে পারে না।” — কিম আরিস

মিয়ানমারের রাজনীতিতে এর প্রভাব

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সামরিক জান্তার অধীনে বন্দি থাকা অং সান সু চির আন্তর্জাতিক ও পারিবারিক যোগাযোগের এই সুযোগ দেওয়া কোনো কৌশলগত চাল কি না, তা নিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর মুক্তি এবং স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থার তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়ে আসছে। সু চির সাথে তাঁর ছেলের এই ফোনালাপ মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপে নতুন মোড় আনতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

এনএন/ ২২ অক্টোবর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: দীর্ঘ ৫ বছর পর কারাবন্দি মা অং সান সু চির সাথে কথা বললেন ছেলে কিম আরিস সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: নেপিডো, ২২ অক্টোবর – মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী ও কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ফো। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

দীর্ঘ ৫ বছর পর কারাবন্দি মা অং সান সু চির সাথে কথা বললেন ছেলে কিম আরিস

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

দীর্ঘ ৫ বছর পর কারাবন্দি মা অং সান সু চির সাথে কথা বললেন ছেলে কিম আরিস

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নেপিডো, ২২ অক্টোবর – মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী ও কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ফোনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন তাঁর যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ছেলে কিম আরিস। দীর্ঘ সময় পর মায়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে এই কথা শেয়ার করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক সামাজিক পোস্টের মাধ্যমে কিম আরিস জানান, এত বছর পর মায়ের গলা শুনতে পাওয়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বাইরের পৃথিবী থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকা শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর ফোন বার্তা বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।নেপিডোতে গৃহবন্দিত্ব ও মা-ছেলের কথোপকথনআন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স টুয়েন্টিফোর (France 24)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিয়ানমারের সামরিক সরকারের তথ্যমতে, দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী নেপিডোতে সু চিকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানে অং সান সু চি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তাকে বন্দী জীবনযাপন করতে হচ্ছে।তবে দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে মা-ছেলের মধ্যে এই ফোনালাপের সুযোগ হলো, সে বিষয়ে সামরিক জান্তা বা কোনো পক্ষের তরফ থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।বিশ্ববাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং উদ্বেগের ৩টি মূল বার্তাফেসবুকে দেওয়া পোস্টে কিম আরিস কেবল নিজের আবেগের কথাই প্রকাশ করেননি, বরং মায়ের বর্তমান অবস্থা ও বৈশ্বিক জনমত নিয়েও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন:১. বিশ্ববাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা:সু চির মুক্তি এবং মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যারা বছরের পর বছর ধরে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আরিস। তিনি বিশ্বাস করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো কণ্ঠস্বর ও সমর্থনের কারণেই এই ফোনালাপ সম্ভব হয়েছে।২. মায়ের বয়স ও স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ:দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে মায়ের স্বাস্থ্যগত দিক নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আরিস। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, অং সান সু চির বয়স বর্তমানে ৮১ বছর এবং এই বয়সেও তাকে কঠিন বন্দিদশায় রাখা হয়েছে।৩. সাময়িক যোগাযোগ নয়, প্রয়োজন স্থায়ী মুক্তি:একবার ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়াকে নিয়মিত পারিবারিক যোগাযোগের বিকল্প হিসেবে মানতে নারাজ আরিস। তিনি মনে করেন, এটি সামান্য একটি যোগাযোগমাত্র; যতক্ষণ না তাঁর মায়ের পূর্ণ মুক্তি হচ্ছে, ততক্ষণ এই লড়াই চলবে।“যারা আমার মা ও আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞ। তবে ভুলে গেলে চলবে না, আমার মায়ের বয়স ৮১ বছর এবং তিনি এখনও বন্দি। শুধু একবার কথা বলার সুযোগ নিয়মিত যোগাযোগের বিকল্প হতে পারে না।” — কিম আরিসমিয়ানমারের রাজনীতিতে এর প্রভাবকূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সামরিক জান্তার অধীনে বন্দি থাকা অং সান সু চির আন্তর্জাতিক ও পারিবারিক যোগাযোগের এই সুযোগ দেওয়া কোনো কৌশলগত চাল কি না, তা নিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর মুক্তি এবং স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থার তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়ে আসছে। সু চির সাথে তাঁর ছেলের এই ফোনালাপ মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপে নতুন মোড় আনতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।এনএন/ ২২ অক্টোবর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×