হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

অস্ত্র উৎপাদন বন্ধ হবে না, ২৬০টির বেশি শত্রুপক্ষের আকাশযানে হামলার দাবি ইরানের

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: মোহেব্বিতেহরান,০৭ নভেম্বর- ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, শত্রুপক্ষকে কোনোভাবেই ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়নের কাজ এক ম…


মোহেব্বি

তেহরান,০৭ নভেম্বর- ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, শত্রুপক্ষকে কোনোভাবেই ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়নের কাজ এক মুহূর্তের জন্যও বন্ধ করতে দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স শত্রুপক্ষের ২৬০টির বেশি আকাশযান ও উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

শনিবার আইআরজিসির অ্যারোস্পেস সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন

মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাথমিক ফলে কয়েকটি আসনে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্পের দল

মোহেব্বি জানান, এই বাহিনীর অন্যতম বড় কৌশলগত সাফল্য হলো মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তিতে নিজস্ব জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির দেশীয়করণ। এর ফলে ইরান এখন আর শুধু সামরিক অস্ত্র আমদানিকারক দেশ নয়, বরং বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশেও পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করছে ইরান। এসব সরঞ্জামের মধ্যে আরমান ক্ষেপণাস্ত্র, ৩৫৮ ড্রোন এবং খোরদাদ-৩ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য। অস্ত্র, সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ তৈরিতে এখন নিজস্ব জ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছে দেশটি।

সাম্প্রতিক ৪০ দিনের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, এ সময় আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স শত্রুপক্ষের ২৬০টির বেশি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও অন্যান্য আকাশযানকে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে অথবা সেগুলোর কার্যক্ষমতা নষ্ট করেছে। এসবের মধ্যে এফ-৩৫, এফ-১৮ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান এবং এমকিউ-১, আরকিউ-৪, রিপার ও লুকাস ড্রোন রয়েছে বলে জানান তিনি।

মোহেব্বি আরও বলেন, যুদ্ধের পরিস্থিতি এবং বোমাবর্ষণের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন যাতে রাডারে সহজে শনাক্ত না হয়, সে বিষয়ে এবং স্টেলথ প্রযুক্তির উন্নয়নেও অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়নের কার্যক্রম বন্ধ করতে শত্রুপক্ষের কোনো চেষ্টাই সফল হতে দেওয়া হবে না।

এস এম/ ০৭ নভেম্বর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: অস্ত্র উৎপাদন বন্ধ হবে না, ২৬০টির বেশি শত্রুপক্ষের আকাশযানে হামলার দাবি ইরানের সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: মোহেব্বিতেহরান,০৭ নভেম্বর- ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, শত্রু। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

অস্ত্র উৎপাদন বন্ধ হবে না, ২৬০টির বেশি শত্রুপক্ষের আকাশযানে হামলার দাবি ইরানের

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

অস্ত্র উৎপাদন বন্ধ হবে না, ২৬০টির বেশি শত্রুপক্ষের আকাশযানে হামলার দাবি ইরানের

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] মোহেব্বিতেহরান,০৭ নভেম্বর- ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, শত্রুপক্ষকে কোনোভাবেই ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়নের কাজ এক মুহূর্তের জন্যও বন্ধ করতে দেওয়া হবে না।তিনি আরও জানান, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স শত্রুপক্ষের ২৬০টির বেশি আকাশযান ও উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।শনিবার আইআরজিসির অ্যারোস্পেস সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।মোহেব্বি জানান, এই বাহিনীর অন্যতম বড় কৌশলগত সাফল্য হলো মহাকাশ ও বিমান প্রযুক্তিতে নিজস্ব জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির দেশীয়করণ। এর ফলে ইরান এখন আর শুধু সামরিক অস্ত্র আমদানিকারক দেশ নয়, বরং বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশেও পরিণত হয়েছে।তিনি বলেন, বর্তমানে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করছে ইরান। এসব সরঞ্জামের মধ্যে আরমান ক্ষেপণাস্ত্র, ৩৫৮ ড্রোন এবং খোরদাদ-৩ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য। অস্ত্র, সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ তৈরিতে এখন নিজস্ব জ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছে দেশটি।সাম্প্রতিক ৪০ দিনের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, এ সময় আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স শত্রুপক্ষের ২৬০টির বেশি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও অন্যান্য আকাশযানকে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে অথবা সেগুলোর কার্যক্ষমতা নষ্ট করেছে। এসবের মধ্যে এফ-৩৫, এফ-১৮ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান এবং এমকিউ-১, আরকিউ-৪, রিপার ও লুকাস ড্রোন রয়েছে বলে জানান তিনি।মোহেব্বি আরও বলেন, যুদ্ধের পরিস্থিতি এবং বোমাবর্ষণের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন যাতে রাডারে সহজে শনাক্ত না হয়, সে বিষয়ে এবং স্টেলথ প্রযুক্তির উন্নয়নেও অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও আধুনিকায়নের কার্যক্রম বন্ধ করতে শত্রুপক্ষের কোনো চেষ্টাই সফল হতে দেওয়া হবে না।এস এম/ ০৭ নভেম্বর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×