হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আইসিসিতে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন


জেরুজালেম, ২০ মে – ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) এ আবেদন করা হয়।

আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান এ আবেদন করেন। সোমবার (২০ মে) তিনি নিজেই তথ্যটি জানান। এ ছাড়া আদালতের ওয়েবসাইটে আবেদনের ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

তাতে দেখা যায়, নেতানিয়াহু ছাড়াও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের দল হামাসের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়

এ তালিকায় রয়েছেন- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট, গাজা উপত্যকার ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার, সামরিক শাখা আল কাসাম ব্রিগেডের কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ দিয়াব ইব্রাহিম আল মাসরি ও হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ।

আবেদনে করিম খান বলেন, উভয়পক্ষের এ ব্যক্তিরা গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ভার বহন করেছেন। এটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ তার কাছে আছে।

হামাস যোদ্ধারা ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রবেশ করে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা করে। তারা শত শত ইসরায়েলিকে হত্যা, লুটপাট, বেসামরিকদের সম্পদ ধ্বংসের পর ২৪৫ জনকে জিম্মি করে নিয়ে আসে।

এসব অপরাধ প্রমাণে সিসিটিভি ফুটেজ, বিশ্বাসযোগ্য অডিও, ভিডিও, ছবি, প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা, বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ রয়েছে।

অপরদিকে গাজায় চলমান যুদ্ধপরাধে দায়ী নেতানিয়াহু ও গ্যালান্ট। তারা নির্বিচারে হামলা করে মানুষ মারছে। গাজায় এমনভাবে বোমা ফেলা হচ্ছে যেন সেখানে কোনো মানুষই নেই। এ ছাড়া সেখানে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল; যা যুদ্ধপরাধ।

চলমান গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এ ছাড়া গাজার ৭০ শতাংশ বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে নেতানিয়াহুর বাহিনী।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০ এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু। এসব নিহতদের অস্ত্রধারী হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

নিয়ম অনুযায়ী আইসিসির বিচারকরা আবেদনটি পর্যালোচনা করবেন। এতে তাদের কাছে প্রমাণগুলো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার জন্য যথেষ্ট মনে হলে রায় আসবে। অন্যথায় আবেদনটি খারিজ হয়ে যাবে।

বিবিসি বলছে, আইসিসির প্রসিকিউটর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অনুরোধ করা এবং বিচারকরা এটির ওপর রায় দেওয়ার মধ্যে সময়ের ব্যবধানের বাধ্যবাধকতা নেই। মাঝে মধ্যে কয়েক সপ্তাহ এবং এমনকি কয়েক মাস কেটে যেতে পারে।

সূত্র: কালবেলা
আইএ/ ২০ মে ২০২৪




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আইসিসিতে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আইসিসিতে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] জেরুজালেম, ২০ মে – ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) এ আবেদন করা হয়।আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান এ আবেদন করেন। সোমবার (২০ মে) তিনি নিজেই তথ্যটি জানান। এ ছাড়া আদালতের ওয়েবসাইটে আবেদনের ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।তাতে দেখা যায়, নেতানিয়াহু ছাড়াও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের দল হামাসের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।এ তালিকায় রয়েছেন- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট, গাজা উপত্যকার ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার, সামরিক শাখা আল কাসাম ব্রিগেডের কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ দিয়াব ইব্রাহিম আল মাসরি ও হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ।আবেদনে করিম খান বলেন, উভয়পক্ষের এ ব্যক্তিরা গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ভার বহন করেছেন। এটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ তার কাছে আছে।হামাস যোদ্ধারা ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রবেশ করে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা করে। তারা শত শত ইসরায়েলিকে হত্যা, লুটপাট, বেসামরিকদের সম্পদ ধ্বংসের পর ২৪৫ জনকে জিম্মি করে নিয়ে আসে।এসব অপরাধ প্রমাণে সিসিটিভি ফুটেজ, বিশ্বাসযোগ্য অডিও, ভিডিও, ছবি, প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা, বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ রয়েছে।অপরদিকে গাজায় চলমান যুদ্ধপরাধে দায়ী নেতানিয়াহু ও গ্যালান্ট। তারা নির্বিচারে হামলা করে মানুষ মারছে। গাজায় এমনভাবে বোমা ফেলা হচ্ছে যেন সেখানে কোনো মানুষই নেই। এ ছাড়া সেখানে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল; যা যুদ্ধপরাধ।চলমান গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এ ছাড়া গাজার ৭০ শতাংশ বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে নেতানিয়াহুর বাহিনী।গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০ এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু। এসব নিহতদের অস্ত্রধারী হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।নিয়ম অনুযায়ী আইসিসির বিচারকরা আবেদনটি পর্যালোচনা করবেন। এতে তাদের কাছে প্রমাণগুলো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার জন্য যথেষ্ট মনে হলে রায় আসবে। অন্যথায় আবেদনটি খারিজ হয়ে যাবে।বিবিসি বলছে, আইসিসির প্রসিকিউটর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অনুরোধ করা এবং বিচারকরা এটির ওপর রায় দেওয়ার মধ্যে সময়ের ব্যবধানের বাধ্যবাধকতা নেই। মাঝে মধ্যে কয়েক সপ্তাহ এবং এমনকি কয়েক মাস কেটে যেতে পারে।সূত্র: কালবেলাআইএ/ ২০ মে ২০২৪ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×