হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: তেহরান, ০৬ নভেম্বর – মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিধিনিষেধ থেকে চার দেশের বাণিজ্যিক জাহাজকে ছাড় দিয়েছে ইরান। …


তেহরান, ০৬ নভেম্বর – মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিধিনিষেধ থেকে চার দেশের বাণিজ্যিক জাহাজকে ছাড় দিয়েছে ইরান। দেশগুলো হলো ভারত, চীন, ইরাক ও কাতার। তবে এই ছাড় একেবারেই ‘বিনামূল্যে পারাপার’ নয়—ভারত ও চীনের জাহাজকে পারাপারের জন্য এখনো নির্ধারিত শুল্ক বা ফি গুণতে হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে তেহরান।

ইরানের ভূ-রাজনৈতিক হিসাব ও অর্থনৈতিক কৌশল

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩২

ভারতের সংবাদমাধ্যম এবং ইরানের আধা-সরকারি সংস্থা আইএসএনএ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির উপপ্রধান আমির হায়াত মোগাদ্দাম এই সিদ্ধান্তের পেছনের মূল কারণ ও হিসাব-নিকাশ উন্মোচন করেছেন:

ভারতকে ছাড় ও ওষুধ আমদানির শর্ত:

কঠিন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধের মধ্যে ইরানের জন্য ওষুধ একটি অত্যন্ত জরুরি জীবন রক্ষাকারী পণ্য। ভারত হলো ইরানের জন্য ওষুধের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী। তেহরান চায় ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজ সচল রেখে দেশটি থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী আমদানি বজায় রাখতে।

চীন ও কাতারের কৌশলগত সমীকরণ:

চীন হচ্ছে ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা এবং জাতিসংঘের মতো বিশ্বমঞ্চে তেহরানের বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শক্তি। বেইজিংয়ের এই সমর্থন ধরে রাখতে চীনা জাহাজগুলোকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বের অন্যতম প্রধান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিকারক দেশ কাতারকে দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ বিনাশুল্কে পারাপারের সুবিধা।

ফি প্রদান ও বাণিজ্যে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা:

ইরানি আইনপ্রণেতা স্পষ্ট করেছেন যে কাতার ছাড় পেলেও ভারত ও চীনের জাহাজগুলোকে নির্ধারিত পারাপার ফি পরিশোধ করেই সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে (ইরাকের ক্ষেত্রে শুল্ক আছে কি না তা স্পষ্ট করা হয়নি)। এছাড়া, কেবল নির্দিষ্ট চার দেশকে বাছাই করে এই সুযোগ দেওয়ায় বিশ্ব সমুদ্রবাণিজ্যের বাকি অংশ এবং আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা ও জ্বালানি মূল্যের অস্থিরতা এখনো কাটেনি।

বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়, সেখানে এই চতুর চালের মাধ্যমে ইরান একদিকে নিজেদের অর্থনীতি ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থ রক্ষা করছে, অন্যদিকে বিশ্ব বাণিজ্য পথের চাবিকাঠি যে তাদের হাতেই—সেটিই স্পষ্ট করে দিচ্ছে।

এনএন/ ০৬ নভেম্বর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড় সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: তেহরান, ০৬ নভেম্বর – মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের । মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] তেহরান, ০৬ নভেম্বর – মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিধিনিষেধ থেকে চার দেশের বাণিজ্যিক জাহাজকে ছাড় দিয়েছে ইরান। দেশগুলো হলো ভারত, চীন, ইরাক ও কাতার। তবে এই ছাড় একেবারেই ‘বিনামূল্যে পারাপার’ নয়—ভারত ও চীনের জাহাজকে পারাপারের জন্য এখনো নির্ধারিত শুল্ক বা ফি গুণতে হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে তেহরান।ইরানের ভূ-রাজনৈতিক হিসাব ও অর্থনৈতিক কৌশলভারতের সংবাদমাধ্যম এবং ইরানের আধা-সরকারি সংস্থা আইএসএনএ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির উপপ্রধান আমির হায়াত মোগাদ্দাম এই সিদ্ধান্তের পেছনের মূল কারণ ও হিসাব-নিকাশ উন্মোচন করেছেন:ভারতকে ছাড় ও ওষুধ আমদানির শর্ত:কঠিন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধের মধ্যে ইরানের জন্য ওষুধ একটি অত্যন্ত জরুরি জীবন রক্ষাকারী পণ্য। ভারত হলো ইরানের জন্য ওষুধের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী। তেহরান চায় ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজ সচল রেখে দেশটি থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী আমদানি বজায় রাখতে।চীন ও কাতারের কৌশলগত সমীকরণ:চীন হচ্ছে ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা এবং জাতিসংঘের মতো বিশ্বমঞ্চে তেহরানের বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শক্তি। বেইজিংয়ের এই সমর্থন ধরে রাখতে চীনা জাহাজগুলোকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বের অন্যতম প্রধান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিকারক দেশ কাতারকে দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ বিনাশুল্কে পারাপারের সুবিধা।ফি প্রদান ও বাণিজ্যে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা:ইরানি আইনপ্রণেতা স্পষ্ট করেছেন যে কাতার ছাড় পেলেও ভারত ও চীনের জাহাজগুলোকে নির্ধারিত পারাপার ফি পরিশোধ করেই সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে (ইরাকের ক্ষেত্রে শুল্ক আছে কি না তা স্পষ্ট করা হয়নি)। এছাড়া, কেবল নির্দিষ্ট চার দেশকে বাছাই করে এই সুযোগ দেওয়ায় বিশ্ব সমুদ্রবাণিজ্যের বাকি অংশ এবং আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা ও জ্বালানি মূল্যের অস্থিরতা এখনো কাটেনি।বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়, সেখানে এই চতুর চালের মাধ্যমে ইরান একদিকে নিজেদের অর্থনীতি ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থ রক্ষা করছে, অন্যদিকে বিশ্ব বাণিজ্য পথের চাবিকাঠি যে তাদের হাতেই—সেটিই স্পষ্ট করে দিচ্ছে।এনএন/ ০৬ নভেম্বর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×