হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

”ইরানের ইউরেনিয়াম না সরানো পর্যন্ত থামবে না লড়াই”— হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন


তেল আবিব, ১১ মে – বিশ্বজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন—কবে শেষ হবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ? কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্যে শান্তির আশা যেন আরও ফিকে হয়ে গেল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে (CBS News) দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানের পরমাণু বোমা তৈরির প্রধান উপাদান ‘ইউরেনিয়াম’ পুরোপুরি অপসারণ না করা হচ্ছে, ততক্ষণ এই যুদ্ধ শেষ হবে না।

বর্তমানে সাময়িক ‘যুদ্ধবিরতি’ চললেও যেকোনো মুহূর্তে ফের রণক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে মধ্যপ্রাচ্য। কিন্তু কেন এই ইউরেনিয়াম নিয়ে এতোটা মরিয়া ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র? চলুন জেনে নিই ভেতরের খবর।

আরও পড়ুন

জনপ্রিয়তা কমলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা বললেন ট্রাম্প

জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা (IAEA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, যা ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ। ভয়ের কারণ হলো, এই বিশুদ্ধতাকে ৯০ শতাংশে নিয়ে যেতে পারলেই ইরান একের পর এক পরমাণু বোমা বানাতে সক্ষম হবে। নেতানিয়াহুর দাবি, ইরান তাদের গোপন স্থাপনাগুলোতে এখনও এই বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।

গেল বছর জুন মাসে ১২ দিনের এক বিশাল সামরিক অভিযান চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও আসল লক্ষ্য পূরণ হয়নি—সেই ইউরেনিয়ামের কোনো হদিস মেলেনি। এরপর চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দফায় ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ১১ এপ্রিলের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় পরিস্থিতি এখন ‘বারুদের স্তূপে’ দাঁড়িয়ে আছে।

সাক্ষাৎকারে যখন প্রশ্ন করা হয় যে ইউরেনিয়াম সরাতে বল প্রয়োগ বা সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হবে কি না, তখন কৌশলী উত্তর দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন: “আমি আমাদের সামরিক পরিকল্পনা বা সম্ভাব্যতা নিয়ে এখানে কোনো কথা বলব না। তবে এটুকু নিশ্চিত, এই যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইউরেনিয়ামই সবচেয়ে বড় ইস্যু।”

এনএন/ ১১ মে ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

”ইরানের ইউরেনিয়াম না সরানো পর্যন্ত থামবে না লড়াই”— হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

”ইরানের ইউরেনিয়াম না সরানো পর্যন্ত থামবে না লড়াই”— হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] তেল আবিব, ১১ মে – বিশ্বজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন—কবে শেষ হবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ? কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্যে শান্তির আশা যেন আরও ফিকে হয়ে গেল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে (CBS News) দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানের পরমাণু বোমা তৈরির প্রধান উপাদান ‘ইউরেনিয়াম’ পুরোপুরি অপসারণ না করা হচ্ছে, ততক্ষণ এই যুদ্ধ শেষ হবে না।বর্তমানে সাময়িক ‘যুদ্ধবিরতি’ চললেও যেকোনো মুহূর্তে ফের রণক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে মধ্যপ্রাচ্য। কিন্তু কেন এই ইউরেনিয়াম নিয়ে এতোটা মরিয়া ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র? চলুন জেনে নিই ভেতরের খবর।জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা (IAEA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, যা ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ। ভয়ের কারণ হলো, এই বিশুদ্ধতাকে ৯০ শতাংশে নিয়ে যেতে পারলেই ইরান একের পর এক পরমাণু বোমা বানাতে সক্ষম হবে। নেতানিয়াহুর দাবি, ইরান তাদের গোপন স্থাপনাগুলোতে এখনও এই বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।গেল বছর জুন মাসে ১২ দিনের এক বিশাল সামরিক অভিযান চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও আসল লক্ষ্য পূরণ হয়নি—সেই ইউরেনিয়ামের কোনো হদিস মেলেনি। এরপর চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দফায় ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ১১ এপ্রিলের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় পরিস্থিতি এখন ‘বারুদের স্তূপে’ দাঁড়িয়ে আছে।সাক্ষাৎকারে যখন প্রশ্ন করা হয় যে ইউরেনিয়াম সরাতে বল প্রয়োগ বা সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হবে কি না, তখন কৌশলী উত্তর দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন: “আমি আমাদের সামরিক পরিকল্পনা বা সম্ভাব্যতা নিয়ে এখানে কোনো কথা বলব না। তবে এটুকু নিশ্চিত, এই যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইউরেনিয়ামই সবচেয়ে বড় ইস্যু।”এনএন/ ১১ মে ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×