কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার হেলালের ঘের নামক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত পাচারকারীর নাম মো. শামচু আলম (২০)। সে টেকনাফ উপজেলার মিনাবাজার গ্রামের মো. হেলালের ছেলে।
মঙ্গলবার দুপুরে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জীম্বংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৬ থেকে ৫০০ গজ দক্ষিণে ‘হেলালের ঘের’ নামক স্থানে কৌশলগত অবস্থান নেয়। রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এক ব্যক্তিকে টেকনাফের মিনাবাজারের দিকে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যদের সন্দেহ হয়। এ সময় টহল দল তাকে থামার নির্দেশ দিলে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে মো. শামচু আলমকে আটক করতে সক্ষম হন।
হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়
পরবর্তীতে তার সাথে থাকা কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ভেতরে অভিনব কায়দায় লুকানো খাকী রঙের প্যাকেটে মোড়ানো ৩০ হাজার পিস নীল রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক শামচু আলম স্বীকার করেছে যে, সে অধিক লাভে বিক্রির উদ্দেশ্যে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এই ইয়াবার চালানটি সংগ্রহ করে দেশে নিয়ে আসছিল।
উখিয়া বিজিবি’র অধিনায়ক জানান, এই মাদক চালানের সাথে জড়িত মূল সরবরাহকারী এবং অন্যান্য চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আটক আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জব্দকৃত ইয়াবাসহ সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, বরং চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও জিরো টলারেন্স নীতিতে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। তরুণ প্রজন্ম ও সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে বিজিবির এমন কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত চলমান থাকবে।




মন্তব্য করুন