কক্সবাজারের উখিয়ায় যৌথ অভিযানে অবৈধভাবে মজুতকৃত বিপুল পরিমাণ সার সহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এসময় ৩৯০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সার গুলো উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
রোববার বিকালে উখিয়ার কোটবাজার ভালুকিয়া সড়কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।জব্দকৃত সারগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩১০ বস্তা টিএসপি ও ৮০ বস্তা এমওপি। অভিযানের সময় সারগুলো একটি ট্রাকে লোড করা অবস্থায় পাওয়া যায়।
এগুলো বৈধ কোনো কাগজপত্র ছাড়াই মজুত করা হচ্ছিল বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই সারগুলো স্থানীয় কোনো বৈধ ডিলারের মাধ্যমে আনা হয়নি।
অভিযানে ধরা পড়া ব্যক্তি ডিলার জাহেদ, কোনো সরকারি বরাদ্দপত্র বা বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। জানা যায়, তিনি চট্টগ্রামের এক কালোবাজারীর কাছ থেকে এসব সার অবৈধভাবে ক্রয় করে কোটবাজারে এনে মজুত করছিলেন।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা
গোয়েন্দা সূত্র বলছে, চলতি বছরে বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমারে এসব সার পাচারের চেষ্টাও হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার বলেন, আমাদের কাছে আগে থেকেই তথ্য ছিল যে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সার কালোবাজারে কিনে এনে মজুত করছে। এই সার কৃষকের জন্য বরাদ্দ, কিন্তু তারা এটা পাচার বা চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে জমিয়ে রাখা অবস্থায় ৩৯০ বস্তা জব্দ করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন উখিয়ার ভালুকিয়া পালং গ্রামের মোহাম্মদ আলী ডিলারের পুত্র জাহেদুল আলমের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের ২৫(বি) বিশেষ ক্ষমতা আইলে মামলা রুজু করা হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, সার মজুতের বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এটি শুধু আইন ভঙ্গ নয়, কৃষকের স্বার্থের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। যারা সারের অপব্যবহার করছে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।
অভিযানে আরও অনেক তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে প্রকাশ করা যাচ্ছে না।জব্দকৃত সারগুলো বর্তমানে উখিয়া থানায় সংরক্ষিত রয়েছে।




মন্তব্য করুন