জেরুজালেম, ২১ জুন – ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গুলিতে চার ইসরাইলি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। অধিকৃত পশ্চিমতীরে একটি ইহুদি বসতির কাছে এ ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার বন্দুকধারীরা এলি বসতি এলাকায় রাস্তার পাশের একটি রেস্তোরাঁ ও একটি গ্যাস স্টেশনে গুলি ছুড়লে হতাহতের ওই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। খবর রয়টার্সের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের দাবি, জেনিন শহরে ইসরাইল বাহিনীর অভিযানের জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা
ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, ওই হামলার পর তারা পশ্চিমতীরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে।
বন্দুকধারীদের দুজন তাদের সশস্ত্র শাখার সদস্য বলে জানিয়েছে হামাস। এই হামলাকে তারা ‘বীরোচিত জবাব’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দুকধারীদের একজন ঘটনাস্থলে এক বেসামরিক নাগরিকের গুলিতে নিহত হয়েছেন। আর অন্যজন ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হন।
ফিলিস্তিনি যোদ্ধা ও ইসরাইলি সেনাদের মধ্যে কয়েক ঘণ্টার বন্দুকযুদ্ধের পর দিন এ হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে সোমবার জেনিনের আশপাশের এলাকায় ইসরাইলি সেনারা ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ঘাঁটি লক্ষ্য করে হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়েন। এতে ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হন। ওই হামলায় আহত হয়েছেন ৯০ জনের বেশি মানুষ। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে সাত ইসরাইলি সেনা রয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর
এম ইউ/২১ জুন ২০২৩





মন্তব্য করুন