হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কলকাতার নাজিরাবাদে দুই গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন


কলকাতা, ৩১ জানুয়ারি – পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার পূর্বাঞ্চলীয় শহরতলী আনন্দপুরের নাজিরাবাদে পাশাপাশি দুই গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, ২৫ জানুয়ারি রোববার রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে দুটি গুদামে একসাথে আগুন লাগে। এই দুইটির মধ্যে একটি ছিল ডেকোরেটরসের গুদাম এবং অন্যটি মোমো ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানা।

পুলিশ জানিয়েছে, ডেকোরেটরসের গুদামের কর্মীরা ওই সময়ে পিকনিক করছিল, আর মোমো কারখানার কর্মীরা কাজ করছিল। মোমো কারখানার গুদামে প্রচুর দাহ্য পদার্থ ছিল। অভিযোগ উঠেছে, আগুনের সূত্রপাত মোমো কারখানা থেকে, তবে মোমো কারখানার মালিকপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে, ডেকোরেটরসের গুদাম থেকে আগুন শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন

ইরান সংঘাত ও মার্কিন রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ: ট্রাম্প ও ওবামার মুখোমুখি অবস্থান

আনন্দপুর এলাকা কলকাতার কাছাকাছি হলেও এটি আসলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর মহকুমার অন্তর্গত। বারুইপুর পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমার শুক্রবার জানান, ঘটনাস্থলে ঠিক কতজন ছিল তা এখনও জানা যায়নি। দগ্ধ দেহাংশ দেখে পরিচয় জানার উপায় নেই, তাই ডিএনএ পরীক্ষা করে শনাক্ত করতে হবে। যারা নিহত হয়েছেন, তাদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

আগুনের সময় গুদামে কতজন ছিল তা স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, সামনে লাশের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এছাড়া আগুন কীভাবে লেগেছে তাও এখনও পরিষ্কার নয়। জোড়া গুদামে আগুন নেভানোর কোনো ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস বিভাগের ডিজি রণবীর কুমার জানান, গুদাম দুটিকে অতীতে কোনো অনুমোদন বা ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।

অগ্নিকাণ্ডের পরে গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস পালিয়ে যান। তবে মঙ্গলবার গভীর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত মালিক গঙ্গাধর দাসের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে। তিনি ৪০ বছর ধরে ডেকোরেটরসের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। গঙ্গাধর দাস দাবি করেছেন, আগুন মোমো কারখানার গুদাম থেকে শুরু হয়েছে।

এনএন/ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কলকাতার নাজিরাবাদে দুই গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কলকাতার নাজিরাবাদে দুই গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] কলকাতা, ৩১ জানুয়ারি – পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার পূর্বাঞ্চলীয় শহরতলী আনন্দপুরের নাজিরাবাদে পাশাপাশি দুই গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, ২৫ জানুয়ারি রোববার রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে দুটি গুদামে একসাথে আগুন লাগে। এই দুইটির মধ্যে একটি ছিল ডেকোরেটরসের গুদাম এবং অন্যটি মোমো ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানা।পুলিশ জানিয়েছে, ডেকোরেটরসের গুদামের কর্মীরা ওই সময়ে পিকনিক করছিল, আর মোমো কারখানার কর্মীরা কাজ করছিল। মোমো কারখানার গুদামে প্রচুর দাহ্য পদার্থ ছিল। অভিযোগ উঠেছে, আগুনের সূত্রপাত মোমো কারখানা থেকে, তবে মোমো কারখানার মালিকপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে, ডেকোরেটরসের গুদাম থেকে আগুন শুরু হয়েছে।আনন্দপুর এলাকা কলকাতার কাছাকাছি হলেও এটি আসলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর মহকুমার অন্তর্গত। বারুইপুর পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমার শুক্রবার জানান, ঘটনাস্থলে ঠিক কতজন ছিল তা এখনও জানা যায়নি। দগ্ধ দেহাংশ দেখে পরিচয় জানার উপায় নেই, তাই ডিএনএ পরীক্ষা করে শনাক্ত করতে হবে। যারা নিহত হয়েছেন, তাদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।আগুনের সময় গুদামে কতজন ছিল তা স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, সামনে লাশের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এছাড়া আগুন কীভাবে লেগেছে তাও এখনও পরিষ্কার নয়। জোড়া গুদামে আগুন নেভানোর কোনো ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস বিভাগের ডিজি রণবীর কুমার জানান, গুদাম দুটিকে অতীতে কোনো অনুমোদন বা ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি।অগ্নিকাণ্ডের পরে গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস পালিয়ে যান। তবে মঙ্গলবার গভীর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত মালিক গঙ্গাধর দাসের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে। তিনি ৪০ বছর ধরে ডেকোরেটরসের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। গঙ্গাধর দাস দাবি করেছেন, আগুন মোমো কারখানার গুদাম থেকে শুরু হয়েছে।এনএন/ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×