হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইউএনও পান্না আক্তারের তল্লাশিতে উদ্ধার নিখোঁজ শিক্ষিকার মরদেহ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্ন…

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তারের নেতৃত্বে ও তত্বাবধানে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় পরিচালিত তল্লাশিতে রিসোর্টের ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষের পাশে টিনের স্তূপের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল মরদেহটি মুক্তার বলে শনাক্ত করেছেন। এ নিয়ে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ জনে।

অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের পরিচয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করে। তবে সেগুলোর কোনো নমুনার সঙ্গে মুক্তার ডিএনএর মিল পাওয়া যায়নি। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তাঁর সন্ধানে নতুন করে তল্লাশি শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন।

ইউএনও পান্না আক্তারের তল্লাশিতে উদ্ধার নিখোঁজ শিক্ষিকার মরদেহ
ইউএনও পান্না আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত উদ্ধার কার্যক্রমে টিনের স্তূপের নিচ থেকে শিক্ষিকা মুক্তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।- কক্সবাজার পোস্ট

ইউএনও পান্না আক্তার বলেন, নিখোঁজ শিক্ষিকার সন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদের সহযোগিতায় মঙ্গলবার দুপুরে টানা দুই ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি মুক্তার বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মুক্তা ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে তিনি কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা।

আরও পড়ুন

৯৬৫ যাত্রী নিয়ে প্রথমবার কক্সবাজারে পৌঁছাল মহানগর এক্সপ্রেস

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে নিহত অপর ১০ জনের মরদেহ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)। তাঁদের বাড়ি যশোরের মনিরামপুরে।

অন্য পরিবারের নিহত ছয়জন হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), তাঁর ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর (৬) এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তাঁদের বাড়ি ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এবং বরগুনার আমতলী এলাকায়।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: ইউএনও পান্না আক্তারের তল্লাশিতে উদ্ধার নিখোঁজ শিক্ষিকার মরদেহ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ম। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

anwar

anwar

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইউএনও পান্না আক্তারের তল্লাশিতে উদ্ধার নিখোঁজ শিক্ষিকার মরদেহ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইউএনও পান্না আক্তারের তল্লাশিতে উদ্ধার নিখোঁজ শিক্ষিকার মরদেহ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তারের নেতৃত্বে ও তত্বাবধানে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় পরিচালিত তল্লাশিতে রিসোর্টের ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষের পাশে টিনের স্তূপের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল মরদেহটি মুক্তার বলে শনাক্ত করেছেন। এ নিয়ে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ জনে। অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের পরিচয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করে। তবে সেগুলোর কোনো নমুনার সঙ্গে মুক্তার ডিএনএর মিল পাওয়া যায়নি। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তাঁর সন্ধানে নতুন করে তল্লাশি শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। [caption id="attachment_88947" align="alignnone" width="225"] ইউএনও পান্না আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত উদ্ধার কার্যক্রমে টিনের স্তূপের নিচ থেকে শিক্ষিকা মুক্তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।- কক্সবাজার পোস্ট[/caption] ইউএনও পান্না আক্তার বলেন, নিখোঁজ শিক্ষিকার সন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদের সহযোগিতায় মঙ্গলবার দুপুরে টানা দুই ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি মুক্তার বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মুক্তা ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে তিনি কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে নিহত অপর ১০ জনের মরদেহ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)। তাঁদের বাড়ি যশোরের মনিরামপুরে। অন্য পরিবারের নিহত ছয়জন হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), তাঁর ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর (৬) এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তাঁদের বাড়ি ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এবং বরগুনার আমতলী এলাকায়।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×