ঢাকা, ৩ মার্চ – কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালায় নজিরবিহীন শিথিলতার সুযোগে ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায় ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি ৯২ হাজার টাকা। এটি মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ।
এর আগে সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা যা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ ছিল। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ কমেছে ৮৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা।
হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে ব্যাপক হারে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়ায় কাগজে কলমে এই খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমেছে। যদিও সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল কিন্তু ডিসেম্বর নাগাদ তা কিছুটা কমলেও ব্যাংকগুলোর আর্থিক ঝুঁকি পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।
বর্তমানে খেলাপি ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোতে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকার প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষিত আছে। তবে এরপরও প্রভিশন ঘাটতি রয়ে গেছে এক লাখ ৯১ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। বিশ্লেষকদের মতে এই বিশাল ঘাটতি সাধারণ আমানতকারীদের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সহায়তায় অনেক গ্রাহক তাদের শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিলের আওতায় এনেছেন এবং এর ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বেরিয়ে এসেছে।
এনএন/ ৩ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন