হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের অভিযাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৪ অক্টোবর – গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের অভিযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকবে জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশে আগামী বছরের নির্বাচনের গুরুত্ব কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। নতুন সরকার নির্বাচিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পথে এই নির্বাচন একটি মাইলফলক হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে অনুষ্ঠিত শুনানিতে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন

পোর্ট এলিজাবেথে রোমাঞ্চকর জয় দক্ষিণ আফ্রিকার: অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ও ৩১ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা

এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২ সেপ্টেম্বর তাকে বাংলাদেশে পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী- রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন অনুমোদনের জন্য সিনেটে পাঠানো হয় এবং সেখানে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির পর সিনেট অনুমোদন দিলে রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

শুনানিতে বক্তব্যের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এবং তার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার নির্বাচিত হবে। এটি কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানান, রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত হলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য ঢাকা দূতাবাসের টিমকে নেতৃত্ব দেবেন।

২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে উত্তরণের পথে রয়েছে। এটি দেশের মানুষের দৃঢ়তা ও সহনশীলতার নিদর্শন।

রাষ্ট্রদূত হিসেবে সিনেটের অনুমোদন পেলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ব্যবসার সুযোগ সম্প্রসারণ, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে কাজ করবেন।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ২৪ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের অভিযাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের অভিযাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৪ অক্টোবর – গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের অভিযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকবে জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশে আগামী বছরের নির্বাচনের গুরুত্ব কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। নতুন সরকার নির্বাচিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পথে এই নির্বাচন একটি মাইলফলক হবে।বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে অনুষ্ঠিত শুনানিতে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২ সেপ্টেম্বর তাকে বাংলাদেশে পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করেছিলেন।যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী- রাষ্ট্রদূত মনোনয়ন অনুমোদনের জন্য সিনেটে পাঠানো হয় এবং সেখানে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির পর সিনেট অনুমোদন দিলে রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।শুনানিতে বক্তব্যের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এবং তার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার নির্বাচিত হবে। এটি কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানান, রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত হলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য ঢাকা দূতাবাসের টিমকে নেতৃত্ব দেবেন।২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে উত্তরণের পথে রয়েছে। এটি দেশের মানুষের দৃঢ়তা ও সহনশীলতার নিদর্শন।রাষ্ট্রদূত হিসেবে সিনেটের অনুমোদন পেলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ব্যবসার সুযোগ সম্প্রসারণ, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে কাজ করবেন।সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালএনএন/ ২৪ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×