হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গোপন মার্কিন রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পরমাণু অস্ত্রের পথ খোলা রাখছে সৌদি আরব, উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: সৌদি আরবের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।রিয়াদ, ২৭ সেপ্টেম্বর – বেসামরিক কাজের দোহাই দিয়ে পরমাণু কর্মসূচির পথে হাঁটা স…


সৌদি আরবের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

রিয়াদ, ২৭ সেপ্টেম্বর – বেসামরিক কাজের দোহাই দিয়ে পরমাণু কর্মসূচির পথে হাঁটা সৌদি আরব ভবিষ্যতে কি পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে? যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পাঠানো একটি অত্যন্ত গোপন গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দেয়নি, যদিও এখনই অস্ত্র তৈরির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো তথ্য মেলেনি।

গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্রে এই খবর প্রকাশের পর সৌদি আরবের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

‘ইরান বানাবে, তো আমরাও বানাবো’: এমবিএস-এর হুঙ্কার ও মার্কিন উদ্বেগ

আরও পড়ুন

ইতিহাসে প্রথমবার ২ পাউন্ড পার ডিজেল! ট্রাম্পের হুমকির মুখে ইউরোপ

সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারে—এমন আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন নয়।

মোহাম্মদ বিন সালমানের হুঙ্কার: সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) আগেই প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান যদি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে, তবে সৌদি আরবও বসে থাকবে না; তারাও তা তৈরির চেষ্টা করবে।

গোয়েন্দা নজরদারি: এই হুমকির পর থেকেই সৌদি আরবের প্রতিটি বেসামরিক পরমাণু পদক্ষেপের ওপর দীর্ঘদিন ধরে কড়া নজর রাখছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

বেসামরিক চুক্তির ফাঁদ: ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ নিয়ে আশঙ্কা

ট্রাম্প প্রশাসনের করা সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তিটি বর্তমানে মার্কিন কংগ্রেসে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। এই চুক্তির কয়েকটি ধারা নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আইনপ্রণেতারা গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, সৌদি আরব পরমাণু জ্বালানি তৈরির জন্য প্রাথমিকভাবে ৫ শতাংশের নিচে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে। তবে, পরে নতুন করে পর্যালোচনা ও লিখিত চুক্তির মাধ্যমে এই সমৃদ্ধকরণের মাত্রা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। যদিও এই মাত্রা পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে কম, তবুও ইউরেনিয়াম ২০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করা হলে অস্ত্র তৈরির উপযোগী উচ্চ মাত্রায় পৌঁছাতে তুলনামূলক অনেক কম সময় লাগে। আইনপ্রণেতাদের ভয়, বেসামরিক কর্মসূচির সুযোগ কাজে লাগিয়ে সৌদি আরব ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

৩০ বছরের চুক্তি: মার্কিন কোম্পানির লাভ বনাম আঞ্চলিক নিরাপত্তা

এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে বেসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে মার্কিন কোম্পানিগুলো একচেটিয়া আধিপত্য পাবে। ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি হলো:

অর্থনৈতিক লাভ: ৩০ বছরের এই চুক্তিতে সৌদি আরবের বিশাল পরমাণু প্রকল্পে কাজ করে মার্কিন পরমাণু বিদ্যুৎ শিল্প লাভবান হবে।

সম্পর্ক জোরদার: এর ফলে রিয়াদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

অন্যদিকে, সমালোচকরা বলছেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতার (Nuclear Arms Race) আশঙ্কা তৈরি করেছে। একদিকে ইসরায়েলের অঘোষিত পরমাণু ভাণ্ডার, অন্যদিকে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ—এর মধ্যে সৌদি আরবের পরমাণু সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

কংগ্রেসে ৯০ দিনের পর্যালোচনা: বাধার মুখে ট্রাম্প প্রশাসন

সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তিটি এখন মার্কিন কংগ্রেসে ৯০ দিনের বাধ্যতামূলক পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। চুক্তির ঘোর বিরোধিতা করে হাউজ ও সিনেটের বেশ কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। তারা সৌদি আরবকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ না দেওয়ার দাবি করেছেন।

যদিও ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, এই চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধের (Non-proliferation) আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখবে। সৌদি আরবও বারবার দাবি করেছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হবে।

এনএন/ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬




সৌদি আরব কি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে?

এখনই সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সৌদি আরব ভবিষ্যতে সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেনি বলে জানানো হয়েছে।

সৌদি আরব কেন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে চায়?

সৌদি আরবের ঘোষিত অবস্থান অনুযায়ী, তাদের পরমাণু কর্মসূচির লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, যার মধ্যে বেসামরিক পরমাণু জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন রয়েছে।

২০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কি পরমাণু অস্ত্র তৈরির সমান?

না। ২০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র-গ্রেড স্তর নয়। তবে উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধকরণের দিকে এগোনোর প্রযুক্তিগত দূরত্ব কমে যাওয়ায় এটি বিস্তার-রোধের দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল বিষয়।

সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তির মেয়াদ কত?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর।

চুক্তিটি কি মার্কিন কংগ্রেসে অনুমোদিত হয়ে গেছে?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিটি মার্কিন কংগ্রেসের ৯০ দিনের পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: গোপন মার্কিন রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পরমাণু অস্ত্রের পথ খোলা রাখছে সৌদি আরব, উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: সৌদি আরবের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।রিয়াদ, ২৭ সেপ্টেম। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

গোপন মার্কিন রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পরমাণু অস্ত্রের পথ খোলা রাখছে সৌদি আরব, উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গোপন মার্কিন রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পরমাণু অস্ত্রের পথ খোলা রাখছে সৌদি আরব, উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] সৌদি আরবের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।রিয়াদ, ২৭ সেপ্টেম্বর – বেসামরিক কাজের দোহাই দিয়ে পরমাণু কর্মসূচির পথে হাঁটা সৌদি আরব ভবিষ্যতে কি পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে? যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পাঠানো একটি অত্যন্ত গোপন গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করে দেয়নি, যদিও এখনই অস্ত্র তৈরির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো তথ্য মেলেনি।গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্রে এই খবর প্রকাশের পর সৌদি আরবের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।‘ইরান বানাবে, তো আমরাও বানাবো’: এমবিএস-এর হুঙ্কার ও মার্কিন উদ্বেগসৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারে—এমন আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন নয়।মোহাম্মদ বিন সালমানের হুঙ্কার: সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) আগেই প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান যদি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে, তবে সৌদি আরবও বসে থাকবে না; তারাও তা তৈরির চেষ্টা করবে।গোয়েন্দা নজরদারি: এই হুমকির পর থেকেই সৌদি আরবের প্রতিটি বেসামরিক পরমাণু পদক্ষেপের ওপর দীর্ঘদিন ধরে কড়া নজর রাখছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।বেসামরিক চুক্তির ফাঁদ: ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ নিয়ে আশঙ্কাট্রাম্প প্রশাসনের করা সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তিটি বর্তমানে মার্কিন কংগ্রেসে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। এই চুক্তির কয়েকটি ধারা নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আইনপ্রণেতারা গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, সৌদি আরব পরমাণু জ্বালানি তৈরির জন্য প্রাথমিকভাবে ৫ শতাংশের নিচে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে। তবে, পরে নতুন করে পর্যালোচনা ও লিখিত চুক্তির মাধ্যমে এই সমৃদ্ধকরণের মাত্রা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। যদিও এই মাত্রা পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে কম, তবুও ইউরেনিয়াম ২০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করা হলে অস্ত্র তৈরির উপযোগী উচ্চ মাত্রায় পৌঁছাতে তুলনামূলক অনেক কম সময় লাগে। আইনপ্রণেতাদের ভয়, বেসামরিক কর্মসূচির সুযোগ কাজে লাগিয়ে সৌদি আরব ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।৩০ বছরের চুক্তি: মার্কিন কোম্পানির লাভ বনাম আঞ্চলিক নিরাপত্তাএই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে বেসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে মার্কিন কোম্পানিগুলো একচেটিয়া আধিপত্য পাবে। ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি হলো:অর্থনৈতিক লাভ: ৩০ বছরের এই চুক্তিতে সৌদি আরবের বিশাল পরমাণু প্রকল্পে কাজ করে মার্কিন পরমাণু বিদ্যুৎ শিল্প লাভবান হবে।সম্পর্ক জোরদার: এর ফলে রিয়াদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।অন্যদিকে, সমালোচকরা বলছেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতার (Nuclear Arms Race) আশঙ্কা তৈরি করেছে। একদিকে ইসরায়েলের অঘোষিত পরমাণু ভাণ্ডার, অন্যদিকে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ—এর মধ্যে সৌদি আরবের পরমাণু সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।কংগ্রেসে ৯০ দিনের পর্যালোচনা: বাধার মুখে ট্রাম্প প্রশাসনসৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তিটি এখন মার্কিন কংগ্রেসে ৯০ দিনের বাধ্যতামূলক পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। চুক্তির ঘোর বিরোধিতা করে হাউজ ও সিনেটের বেশ কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। তারা সৌদি আরবকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সুযোগ না দেওয়ার দাবি করেছেন।যদিও ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, এই চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধের (Non-proliferation) আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখবে। সৌদি আরবও বারবার দাবি করেছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হবে।এনএন/ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬সৌদি আরব কি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে?এখনই সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সৌদি আরব ভবিষ্যতে সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেনি বলে জানানো হয়েছে।সৌদি আরব কেন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে চায়?সৌদি আরবের ঘোষিত অবস্থান অনুযায়ী, তাদের পরমাণু কর্মসূচির লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, যার মধ্যে বেসামরিক পরমাণু জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন রয়েছে।২০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কি পরমাণু অস্ত্র তৈরির সমান?না। ২০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র-গ্রেড স্তর নয়। তবে উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধকরণের দিকে এগোনোর প্রযুক্তিগত দূরত্ব কমে যাওয়ায় এটি বিস্তার-রোধের দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল বিষয়।সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তির মেয়াদ কত?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর।চুক্তিটি কি মার্কিন কংগ্রেসে অনুমোদিত হয়ে গেছে?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিটি মার্কিন কংগ্রেসের ৯০ দিনের পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×