চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় বদরখালী নৌচ্যানেলে মাছ আহরণে নিয়োজিত সরকারি অনুমোদনবিহীন একটি ফিশিং বোট জব্দ করেছে মৎস্য অধিদফতর। এসময় নৌচ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্টে নিষিদ্ধ বেহেন্দি জাল বসিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগে পাঁচটি জাল জব্দ করে পরে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে অভিযান টিম।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা এগারোটার দিকে বদরখালী নৌপুলিশের সহায়তায় চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ আনোয়ারুল আমিনের নেতৃত্বে মৎস্য অধিদফতরের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের বদরখালী নৌচ্যানেলর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ আনোয়ারুল আমিন বলেন, কতিপয় মাছ শিকারী চক্র উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের বদরখালী নৌচ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্টে নিষিদ্ধ বেহেন্দি জাল বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করে মাছের প্রজনন ধ্বংস করে আসছিলেন।
এই অবস্থায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুদার নির্দেশনায় সোমবার সকালে চকরিয়া উপকুলের বদরখালী নৌচ্যানেলে “বিশেষ কম্বিং অপারেশন ২০২৬ এর আওতায় অভিযান চালিয়ে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী পাঁচটি অবৈধ বেহুন্দি জাল ২ হাজার মিটার চরঘেরা জাল জব্দ করা হয়। একইসময়ে মৎস্য অধিদফতরের অনুমোদনবিহীন মাছ আহরণে নিয়োজিত এফবি হাজী নুর জাহান বেগম নামের একটি ফিশিং বোট আটক করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়
তিনি বলেন, অভিযান শেষে জব্দকৃত নিষিদ্ধ বেহেন্দি ও চরঘেরা জাল গুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং আটককৃত ফিশিং বোট এফবি হাজী নুরজাহান বেগমকে নৌচ্যানেলে ট্রলডোর স্থাপনের দায়ে এক লাখ টাকা ও অপর একটি ফিশিং বোটকে অনুমতিপত্র না থাকায় দুই হাজার টাকা প্রশাসনিক জরিমানা করা হয়। #
- ঈদগাঁওয়ে অপহরণ পূর্বক মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় আটক ১
- রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে কক্সবাজারে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার




মন্তব্য করুন