হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ার দুই কিশোর মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে, মুক্তিপণ দাবি, পরিবারে আহাজারি

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১০:০০ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের ছৈনাম্মার ঘোনা ও পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিলহাছুরা এলাকার দুই কিশোর মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে আটকা পড়েছে। মায়ানমারে আটকে রেখে তাদের পরিবার থেকে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার সদস্যরা। এ ঘটনায় দুই কিশোরের পরিবারে চলছে উদ্বেগ আতঙ্ক ও আহাজারি।

পরিবার সদস্যদের অভিযোগ, বিএমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা চিহ্নিত মানবপাচারকারী আলী হোসেন প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে দুই কিশোরকে দালালচক্রের হাতে তুলে দিয়েছে।

নিখোঁজ কিশোর মোহাম্মদ সাইমুন (১৫) চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ছৈনাম্মার ঘোনার শহিদুল ইসলামের ছেলে এবং অপরজন মোহাম্মদ সোলেমান (১৬) পেকুয়া সদর ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব বিলহাছুরার নাছির উদ্দীনের ছেলে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, কিছুদিন আগে স্থানীয় দালাল আলী হোসেন মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে দুই কিশোরকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। পরে রাতারাতি তাদেরকে দালালের হাতে তুলে দেয়। এরপর থেকেই তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগ পেতে ভুয়া তথ্য! পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দুদকের

নিখোঁজ কিশোরদের স্বজনরা জানান, তারা ইতোমধ্যে কয়েকবার মায়ানমারের দালালের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে পেরেছিলেন। তখন দালালরা জানায়, মুক্তিপণ দিলে ছেলেদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইদ্রিস মেম্বার আলী হোসেনের সহায়তায় মিয়ানমারের এক দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

দুই কিশোরকে মায়ানমারে আটকে রাখার
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিএমচর ইউনিয়নের ছৈনাম্মার ঘোনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এঘটনার পর থেকেই আলী হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে মানবপাচারকারী চক্রের এই তৎপরতা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের উদ্ধারে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী দুই পরিবারের সদস্যরা কিশোর সাইমুন ও সোলেমানকে উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, দুই কিশোরকে মালয়েশিয়া পাঠানোর নামে আটকে রাখার ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িত দালালকে আটক করে দুই কিশোরকে উদ্ধারে চেষ্টা করা হবে। ##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

চকরিয়ার দুই কিশোর মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে, মুক্তিপণ দাবি, পরিবারে আহাজারি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ার দুই কিশোর মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে, মুক্তিপণ দাবি, পরিবারে আহাজারি

প্রতিবেদক: এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া:: | প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১০:০০ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের ছৈনাম্মার ঘোনা ও পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিলহাছুরা এলাকার দুই কিশোর মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে আটকা পড়েছে। মায়ানমারে আটকে রেখে তাদের পরিবার থেকে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার সদস্যরা। এ ঘটনায় দুই কিশোরের পরিবারে চলছে উদ্বেগ আতঙ্ক ও আহাজারি। পরিবার সদস্যদের অভিযোগ, বিএমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা চিহ্নিত মানবপাচারকারী আলী হোসেন প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে দুই কিশোরকে দালালচক্রের হাতে তুলে দিয়েছে। নিখোঁজ কিশোর মোহাম্মদ সাইমুন (১৫) চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ছৈনাম্মার ঘোনার শহিদুল ইসলামের ছেলে এবং অপরজন মোহাম্মদ সোলেমান (১৬) পেকুয়া সদর ৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব বিলহাছুরার নাছির উদ্দীনের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, কিছুদিন আগে স্থানীয় দালাল আলী হোসেন মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে দুই কিশোরকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। পরে রাতারাতি তাদেরকে দালালের হাতে তুলে দেয়। এরপর থেকেই তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ কিশোরদের স্বজনরা জানান, তারা ইতোমধ্যে কয়েকবার মায়ানমারের দালালের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে পেরেছিলেন। তখন দালালরা জানায়, মুক্তিপণ দিলে ছেলেদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইদ্রিস মেম্বার আলী হোসেনের সহায়তায় মিয়ানমারের এক দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। দুই কিশোরকে মায়ানমারে আটকে রাখার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিএমচর ইউনিয়নের ছৈনাম্মার ঘোনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এঘটনার পর থেকেই আলী হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে মানবপাচারকারী চক্রের এই তৎপরতা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের উদ্ধারে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী দুই পরিবারের সদস্যরা কিশোর সাইমুন ও সোলেমানকে উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন। চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, দুই কিশোরকে মালয়েশিয়া পাঠানোর নামে আটকে রাখার ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িত দালালকে আটক করে দুই কিশোরকে উদ্ধারে চেষ্টা করা হবে। ##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×