হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চলে গেলেন জাপানের কেনজাবুরো ওয়ি, যিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন নোবেল

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩, ১২:০৭ অপরাহ্ন


জাপানের নোবেলজয়ী সাহিত্যিক কেনজাবুরো ওয়ি পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। গত ৩ মার্চ ৮৮ বছর বয়সে রাজধানী টোকিওতে তিনি মারা বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন তার প্রকাশক কোদানশা। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।

সাহিত্য শাখায় জাপানকে দ্বিতীয়বারের মতো নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছিলেন কেনজাবুরো ওয়ি; তবে পুরস্কার পেলেও বিশেষ কারণে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন

ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ না থাকায় ৬২৭ কোটি রুপি পর্যন্ত লোকসানের শঙ্কায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড

মনেপ্রাণে অহিংসা ও শান্তিবাদী কেনজাবুরো ওয়ি কবিতা-গল্প-উপন্যাস লেখার পাশাপাশি নিয়মিত পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান চালিয়েছেন। এমনকি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে যখন দেশটির শান্তিবাদী সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তখন দৃঢ়ভাষায় তার প্রতিবাদও জানিয়েছিলেন তিনি।

জাপানের মূল দ্বীপগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট শিকোকুতে ১৯৩১ সালে জন্ম নেন ওয়ি। সাত ভাইবোনোর মধ্যে তৃতীয় ছিলেন তিনি। ১৯৪৪ সালে পিতার মৃত্যুর পর মায়ের অভিভাবকত্বে বড় হন তিনি।

শৈশবেই ওয়ির মধ্যে সাহিত্য সম্পর্কে আগ্রহ জাগিয়ে তুলেছিলেন তার মা। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি সাহিত্যে স্নাতক সম্পন্ন করা কেনজাবুরো ওয়ির লেখালেখির শুরু ছাত্রাবস্থাতেই। ১৯৫৮ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় জাপানের বিখ্যাত আকুয়াতাগা সাহিত্য পুরস্কার পান, তারপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

১৯৬০ সালে জাপানের চিত্রপরিচালক জুজো ইতামির বোন ইউকারি ইতামিকে বিয়ে করেন ওয়ি। এ দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন হিকারি, যিনি দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন।

ওয়ির পুরো সাহিত্যজীবনে দুটো বিষয় গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়ে জাপানে পারমাণবিক বোমা হামলা এবং তার ছেলে হিকারি। অনেক বয়স হওয়ার পরও মানুষজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও সামাজিক যোগাযোগে জড়তা কাজ করত হিকারির মধ্যে। তবে ছোটো থেকেই সঙ্গীতে আগ্রহ ছিল তার এবং বর্তমানে হিকারি জাপানের একজন সফল সুরকার।

নিজের লেখা উপন্যাস ‘একটি ব্যক্তিগত ব্যাপার’-এর (এ পারসোনাল ম্যাটার) সুবাদে ২০১৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন ওয়ি; কিন্তু জাপানের রীতি অনুযায়ী দেশটির সম্রাটের কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করতে হতো বলে তা বর্জন করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে পরে এক সাক্ষাৎকারে ওয়ি বলেছিলেন, আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি- গণতন্ত্রের চেয়ে শক্তিশালী ও মর্যাদাসম্পন্ন কোনো শক্তির অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে নেই।

সূত্র: যুগান্তর
আইএ/ ১৩ মার্চ ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

চলে গেলেন জাপানের কেনজাবুরো ওয়ি, যিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন নোবেল

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চলে গেলেন জাপানের কেনজাবুরো ওয়ি, যিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন নোবেল

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩, ১২:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] জাপানের নোবেলজয়ী সাহিত্যিক কেনজাবুরো ওয়ি পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। গত ৩ মার্চ ৮৮ বছর বয়সে রাজধানী টোকিওতে তিনি মারা বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন তার প্রকাশক কোদানশা। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। সাহিত্য শাখায় জাপানকে দ্বিতীয়বারের মতো নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছিলেন কেনজাবুরো ওয়ি; তবে পুরস্কার পেলেও বিশেষ কারণে তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। মনেপ্রাণে অহিংসা ও শান্তিবাদী কেনজাবুরো ওয়ি কবিতা-গল্প-উপন্যাস লেখার পাশাপাশি নিয়মিত পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান চালিয়েছেন। এমনকি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে যখন দেশটির শান্তিবাদী সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তখন দৃঢ়ভাষায় তার প্রতিবাদও জানিয়েছিলেন তিনি। জাপানের মূল দ্বীপগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট শিকোকুতে ১৯৩১ সালে জন্ম নেন ওয়ি। সাত ভাইবোনোর মধ্যে তৃতীয় ছিলেন তিনি। ১৯৪৪ সালে পিতার মৃত্যুর পর মায়ের অভিভাবকত্বে বড় হন তিনি। শৈশবেই ওয়ির মধ্যে সাহিত্য সম্পর্কে আগ্রহ জাগিয়ে তুলেছিলেন তার মা। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি সাহিত্যে স্নাতক সম্পন্ন করা কেনজাবুরো ওয়ির লেখালেখির শুরু ছাত্রাবস্থাতেই। ১৯৫৮ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় জাপানের বিখ্যাত আকুয়াতাগা সাহিত্য পুরস্কার পান, তারপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯৬০ সালে জাপানের চিত্রপরিচালক জুজো ইতামির বোন ইউকারি ইতামিকে বিয়ে করেন ওয়ি। এ দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন হিকারি, যিনি দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন। ওয়ির পুরো সাহিত্যজীবনে দুটো বিষয় গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়ে জাপানে পারমাণবিক বোমা হামলা এবং তার ছেলে হিকারি। অনেক বয়স হওয়ার পরও মানুষজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও সামাজিক যোগাযোগে জড়তা কাজ করত হিকারির মধ্যে। তবে ছোটো থেকেই সঙ্গীতে আগ্রহ ছিল তার এবং বর্তমানে হিকারি জাপানের একজন সফল সুরকার। নিজের লেখা উপন্যাস ‘একটি ব্যক্তিগত ব্যাপার’-এর (এ পারসোনাল ম্যাটার) সুবাদে ২০১৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন ওয়ি; কিন্তু জাপানের রীতি অনুযায়ী দেশটির সম্রাটের কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করতে হতো বলে তা বর্জন করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে পরে এক সাক্ষাৎকারে ওয়ি বলেছিলেন, আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি- গণতন্ত্রের চেয়ে শক্তিশালী ও মর্যাদাসম্পন্ন কোনো শক্তির অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে নেই। সূত্র: যুগান্তরআইএ/ ১৩ মার্চ ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×