হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

জানুয়ারির অধিবেশনেই সংসদে উঠছে সংবিধান সংশোধন বিল: পাসের পর অনুষ্ঠিত হবে দেশব্যাপী গণভোট

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: জানুয়ারির সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর – দেশের সার্বিক শাসনকাঠামো ও সংবিধানে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে…


জানুয়ারির সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর – দেশের সার্বিক শাসনকাঠামো ও সংবিধানে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। জাতীয় সংসদের আগামী জানুয়ারির অধিবেশনেই বহুল প্রতীক্ষিত সংবিধান সংশোধন বিল পেশ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন এ-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, সংসদে বিলটি পাস হওয়ার পর এবং রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত স্বাক্ষরের ঠিক আগেই আয়োজন করা হবে জাতীয় গণভোট।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ এক মতামত বিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

গণভোট কেন? সংবিধানে ফিরছে জনগণের সরাসরি রায়

আরও পড়ুন

বিয়ের পাত্র চেয়ে গুগল ফর্মে পোস্ট!: ২৪১ আবেদন ও দেড় হাজার মেসেজে তোলপাড়

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাদ পড়া গণভোটের আইনি বিধানটি পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ১৪২ কিংবা অন্যান্য স্পর্শকাতর মৌলিক ধারায় পরিবর্তন আনা হলে জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট বা গণভোটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে ভোট: সংসদে সংশোধনী বিলটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হওয়ার পর তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর আগেই গণভোটে দেওয়া হবে। জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তা রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত আইনে পরিণত হবে, আর ‘না’ ভোট পড়লে তা বাতিল হয়ে যাবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সুরক্ষিত: ভবিষ্যতে যেন কোনো দল একক ক্ষমতায় এসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা মৌলিক গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলো বাতিল করতে না পারে, সে জন্য সেগুলোকে গণভোটের আওতাভুক্ত করার শক্ত প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

জাতীয় ঐক্য ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন

সংবিধান সংশোধনে রাজনৈতিক হানাহানি এড়িয়ে ‘জাতীয় ঐকমত্য’ সৃষ্টির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার।

বিরোধী দলকে ফের আহ্বান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিরোধী দলকেও আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিভেদ বা দলীয় এজেন্ডা নয়, জাতীয় ঐক্যের ওপর ভিত্তি করেই সংবিধান সংশোধনের মূল কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।”

জাতীয় অগ্রাধিকার: জুলাই আন্দোলনে রাজপথের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, সেই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-কে এই সংশোধনীতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

কাজের অগ্রগতি: বিশেষ কমিটি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ ও প্রতিবেদন সংসদে জমা দেবে। এর ওপর ভিত্তি করে আইন মন্ত্রণালয় খসড়া বিল তৈরি করবে, যা জানুয়ারির অধিবেশনে তোলা হবে।

পটভূমি ও বিরোধী দলের অবস্থান

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রধান করে ১২ সদস্যের ‘সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হয়। তৎকালীন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের দিক থেকে ৫ জন প্রতিনিধির নাম চাওয়া হলেও তারা তা প্রদান করেনি এবং পরবর্তীতে বিরোধী দল পুরো কমিটিটিকেই প্রত্যাখ্যান করে। তবে বর্তমান প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের কোনো লিখিত ও বাস্তবসম্মত প্রস্তাব এলে তা অন্তর্ভুক্ত করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই সংবিধান সংশোধন হতে যাচ্ছে সবচেয়ে নজিরবিহীন, যেখানে মূল সিদ্ধান্ত সংসদীয় বিতর্কের পর সরাসরি দেশের সাধারণ জনগণের ভোটের ওপর নির্ভর করবে।

এনএন/ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬




সংবিধান সংশোধন বিল কবে সংসদে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারির জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

গণভোট কখন হওয়ার কথা বলা হয়েছে?

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সংসদে সংশোধনী বিল পাস হওয়ার পর এবং রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষ কমিটি কবে প্রতিবেদন দেবে?

বিশেষ কমিটি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশ ও প্রতিবেদন দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

‘জুলাই সনদ’ কি সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে যুক্ত?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নকে সংশোধন প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে কী বলা হয়েছে?

ভবিষ্যতে যাতে এককভাবে ক্ষমতাসীন কোনো দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বা কিছু মৌলিক গণতান্ত্রিক কাঠামো বাতিল করতে না পারে, সে ধরনের প্রস্তাব আলোচনায় রয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।

সংবিধান সংশোধন কি ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে?

না। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটি এখনও বিশেষ কমিটির সুপারিশ, খসড়া বিল এবং পরবর্তী সংসদীয় প্রক্রিয়ার পর্যায়ে রয়েছে।


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: জানুয়ারির অধিবেশনেই সংসদে উঠছে সংবিধান সংশোধন বিল: পাসের পর অনুষ্ঠিত হবে দেশব্যাপী গণভোট সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: জানুয়ারির সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর – দ। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

জানুয়ারির অধিবেশনেই সংসদে উঠছে সংবিধান সংশোধন বিল: পাসের পর অনুষ্ঠিত হবে দেশব্যাপী গণভোট

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

জানুয়ারির অধিবেশনেই সংসদে উঠছে সংবিধান সংশোধন বিল: পাসের পর অনুষ্ঠিত হবে দেশব্যাপী গণভোট

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] জানুয়ারির সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর – দেশের সার্বিক শাসনকাঠামো ও সংবিধানে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। জাতীয় সংসদের আগামী জানুয়ারির অধিবেশনেই বহুল প্রতীক্ষিত সংবিধান সংশোধন বিল পেশ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন এ-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, সংসদে বিলটি পাস হওয়ার পর এবং রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত স্বাক্ষরের ঠিক আগেই আয়োজন করা হবে জাতীয় গণভোট।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ এক মতামত বিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য প্রকাশ করেন।গণভোট কেন? সংবিধানে ফিরছে জনগণের সরাসরি রায়সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাদ পড়া গণভোটের আইনি বিধানটি পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ১৪২ কিংবা অন্যান্য স্পর্শকাতর মৌলিক ধারায় পরিবর্তন আনা হলে জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট বা গণভোটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে ভোট: সংসদে সংশোধনী বিলটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হওয়ার পর তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর আগেই গণভোটে দেওয়া হবে। জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তা রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত আইনে পরিণত হবে, আর ‘না’ ভোট পড়লে তা বাতিল হয়ে যাবে।তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সুরক্ষিত: ভবিষ্যতে যেন কোনো দল একক ক্ষমতায় এসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা মৌলিক গণতান্ত্রিক কাঠামোগুলো বাতিল করতে না পারে, সে জন্য সেগুলোকে গণভোটের আওতাভুক্ত করার শক্ত প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।জাতীয় ঐক্য ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নসংবিধান সংশোধনে রাজনৈতিক হানাহানি এড়িয়ে ‘জাতীয় ঐকমত্য’ সৃষ্টির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার।বিরোধী দলকে ফের আহ্বান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিরোধী দলকেও আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিভেদ বা দলীয় এজেন্ডা নয়, জাতীয় ঐক্যের ওপর ভিত্তি করেই সংবিধান সংশোধনের মূল কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।”জাতীয় অগ্রাধিকার: জুলাই আন্দোলনে রাজপথের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, সেই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-কে এই সংশোধনীতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।কাজের অগ্রগতি: বিশেষ কমিটি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ ও প্রতিবেদন সংসদে জমা দেবে। এর ওপর ভিত্তি করে আইন মন্ত্রণালয় খসড়া বিল তৈরি করবে, যা জানুয়ারির অধিবেশনে তোলা হবে।পটভূমি ও বিরোধী দলের অবস্থানউল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রধান করে ১২ সদস্যের ‘সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হয়। তৎকালীন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের দিক থেকে ৫ জন প্রতিনিধির নাম চাওয়া হলেও তারা তা প্রদান করেনি এবং পরবর্তীতে বিরোধী দল পুরো কমিটিটিকেই প্রত্যাখ্যান করে। তবে বর্তমান প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের কোনো লিখিত ও বাস্তবসম্মত প্রস্তাব এলে তা অন্তর্ভুক্ত করতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।বাংলাদেশের ইতিহাসে এই সংবিধান সংশোধন হতে যাচ্ছে সবচেয়ে নজিরবিহীন, যেখানে মূল সিদ্ধান্ত সংসদীয় বিতর্কের পর সরাসরি দেশের সাধারণ জনগণের ভোটের ওপর নির্ভর করবে।এনএন/ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬সংবিধান সংশোধন বিল কবে সংসদে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে?স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারির জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।গণভোট কখন হওয়ার কথা বলা হয়েছে?তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সংসদে সংশোধনী বিল পাস হওয়ার পর এবং রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।বিশেষ কমিটি কবে প্রতিবেদন দেবে?বিশেষ কমিটি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশ ও প্রতিবেদন দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।‘জুলাই সনদ’ কি সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে যুক্ত?স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নকে সংশোধন প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে কী বলা হয়েছে?ভবিষ্যতে যাতে এককভাবে ক্ষমতাসীন কোনো দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বা কিছু মৌলিক গণতান্ত্রিক কাঠামো বাতিল করতে না পারে, সে ধরনের প্রস্তাব আলোচনায় রয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।সংবিধান সংশোধন কি ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে?না। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটি এখনও বিশেষ কমিটির সুপারিশ, খসড়া বিল এবং পরবর্তী সংসদীয় প্রক্রিয়ার পর্যায়ে রয়েছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×