হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

জি.আই পণ্যের স্বীকৃতি পেল নেত্রকোণার শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর – শতবর্ষের ঐতিহ্য বহনকারী নেত্রকোণার বিখ্যাত বালিশ মিষ্টি ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (DPDT) জিআই জার্নালের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এটি দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

দেখতে ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে এই মিষ্টির সূচনা প্রায় ১২০ বছর আগে নেত্রকোণা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়। স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এ মিষ্টি তৈরি করেন। বর্তমানে তার তৃতীয় প্রজন্মও এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

বালিশ মিষ্টি এখন নেত্রকোণার সামাজিক অনুষ্ঠান, উৎসব ও উপহার সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২৩ সালে জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়। পণ্যের ইতিহাস, উৎপাদন প্রক্রিয়া, উপাদান ও অনন্য বৈশিষ্ট্য সংবলিত বিস্তৃত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর DPDT যাচাই-বাছাই শেষে নিশ্চিত হয় যে, বালিশ মিষ্টি একান্তভাবেই নেত্রকোণার নিজস্ব সৃষ্টি।

গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভান্ডারের তৃতীয় প্রজন্মের কর্ণধার বাবুল চন্দ্র মোদক বলেন, “বালিশ মিষ্টি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। আমার দাদা গয়ানাথ ঘোষ এই মিষ্টির আবিষ্কারক ছিলেন। এরপর থেকে পরিবারিকভাবে আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এ ঐতিহ্য বহন করছি।”

নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জামান এই অর্জনকে ‘অত্যন্ত আনন্দের বিষয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “বিজয়পুরের সাদামাটির পর এবার বালিশ মিষ্টি জিআই সনদ পেল। এটি নেত্রকোণাবাসীর জন্য গর্বের অর্জন। আমরা বালিশ মিষ্টিকে জেলার ব্র্যান্ডিং হিসেবে বিশ্বে পরিচিত করার উদ্যোগ নেব।”


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

জি.আই পণ্যের স্বীকৃতি পেল নেত্রকোণার শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

জি.আই পণ্যের স্বীকৃতি পেল নেত্রকোণার শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর – শতবর্ষের ঐতিহ্য বহনকারী নেত্রকোণার বিখ্যাত বালিশ মিষ্টি ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (DPDT) জিআই জার্নালের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এটি দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।দেখতে ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে এই মিষ্টির সূচনা প্রায় ১২০ বছর আগে নেত্রকোণা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়। স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এ মিষ্টি তৈরি করেন। বর্তমানে তার তৃতীয় প্রজন্মও এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন।বালিশ মিষ্টি এখন নেত্রকোণার সামাজিক অনুষ্ঠান, উৎসব ও উপহার সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২৩ সালে জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়। পণ্যের ইতিহাস, উৎপাদন প্রক্রিয়া, উপাদান ও অনন্য বৈশিষ্ট্য সংবলিত বিস্তৃত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর DPDT যাচাই-বাছাই শেষে নিশ্চিত হয় যে, বালিশ মিষ্টি একান্তভাবেই নেত্রকোণার নিজস্ব সৃষ্টি।গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভান্ডারের তৃতীয় প্রজন্মের কর্ণধার বাবুল চন্দ্র মোদক বলেন, “বালিশ মিষ্টি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। আমার দাদা গয়ানাথ ঘোষ এই মিষ্টির আবিষ্কারক ছিলেন। এরপর থেকে পরিবারিকভাবে আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এ ঐতিহ্য বহন করছি।”নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জামান এই অর্জনকে ‘অত্যন্ত আনন্দের বিষয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “বিজয়পুরের সাদামাটির পর এবার বালিশ মিষ্টি জিআই সনদ পেল। এটি নেত্রকোণাবাসীর জন্য গর্বের অর্জন। আমরা বালিশ মিষ্টিকে জেলার ব্র্যান্ডিং হিসেবে বিশ্বে পরিচিত করার উদ্যোগ নেব।” [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×