হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার, দুই কিশোর উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৫৮ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর বিশেষ অভিযানে পাচারের শিকার দুই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এসময় মানবপাচার চক্রের একজন সদস্যকে আটক করা হলেও অপর এক পাচারকারী পালিয়ে যায়। সোমবার সকালে এ অভিযান পরিচালনা করে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি একটি মানবপাচারকারী চক্র চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরদের মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছে। নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কুতুপালং ক্যাম্পে অবস্থানরত এক এফডিএমএন সদস্য দুই বাংলাদেশি কিশোরকে সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে।

এরই ধারাবাহিকতায় পাচারকারীরা ভুক্তভোগীদের কক্সবাজার থেকে টেকনাফের বড়ইতলি এলাকায় নিয়ে আসে। বিজিবির তৎপরতা টের পেয়ে তারা কেরানতলীতে অবস্থান নিলে, সেখানেই সাড়াশী অভিযান চালানো হয়। এসময় দুই কিশোরকে উদ্ধার এবং পাচারকারী চক্রের সদস্য মো. রাসেদ (১৮) কে আটক করা হয়। তবে নূর হাসান (৩০) নামে অপর এক পাচারকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আরও পড়ুন

মিরপুরে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ: ছিটকে গেলেন মুশফিক, অভিষেক হৃদয়ের

আটক আসামির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মানবপাচারের সত্যতা মেলে। তিনি স্বীকার করেন যে, মিয়ানমারে অবস্থানরত পাচারকারী আমিনের সহায়তায় বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে মিয়ানমার হয়ে মালয়েশিয়া পাঠানো হয়। স্থানীয়দের বরাতেও জানা যায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচার ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থেকে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

উদ্ধার হওয়া কিশোররা হলো— মো. মাহিম (১৫), পিতা আইয়ুব খান, লালদিঘির পাড়, কক্সবাজার এবং মো. সোহেল (১৬), পিতা জসিম, একই এলাকার বাসিন্দা।

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। এই অভিযানে একজন গ্রেপ্তার হয়েছে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের অন্যান্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে বিজিবির বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

আটক আসামিকে প্রচলিত আইনে মামলা রুজুর জন্য স্থানীয় থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে বিজিবি জানিয়েছেন।

###

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার, দুই কিশোর উদ্ধার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার, দুই কিশোর উদ্ধার

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর বিশেষ অভিযানে পাচারের শিকার দুই কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় মানবপাচার চক্রের একজন সদস্যকে আটক করা হলেও অপর এক পাচারকারী পালিয়ে যায়। সোমবার সকালে এ অভিযান পরিচালনা করে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি একটি মানবপাচারকারী চক্র চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরদের মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছে। নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কুতুপালং ক্যাম্পে অবস্থানরত এক এফডিএমএন সদস্য দুই বাংলাদেশি কিশোরকে সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় পাচারকারীরা ভুক্তভোগীদের কক্সবাজার থেকে টেকনাফের বড়ইতলি এলাকায় নিয়ে আসে। বিজিবির তৎপরতা টের পেয়ে তারা কেরানতলীতে অবস্থান নিলে, সেখানেই সাড়াশী অভিযান চালানো হয়। এসময় দুই কিশোরকে উদ্ধার এবং পাচারকারী চক্রের সদস্য মো. রাসেদ (১৮) কে আটক করা হয়। তবে নূর হাসান (৩০) নামে অপর এক পাচারকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আটক আসামির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মানবপাচারের সত্যতা মেলে। তিনি স্বীকার করেন যে, মিয়ানমারে অবস্থানরত পাচারকারী আমিনের সহায়তায় বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে মিয়ানমার হয়ে মালয়েশিয়া পাঠানো হয়। স্থানীয়দের বরাতেও জানা যায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচার ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থেকে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। উদ্ধার হওয়া কিশোররা হলো— মো. মাহিম (১৫), পিতা আইয়ুব খান, লালদিঘির পাড়, কক্সবাজার এবং মো. সোহেল (১৬), পিতা জসিম, একই এলাকার বাসিন্দা। এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। এই অভিযানে একজন গ্রেপ্তার হয়েছে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের অন্যান্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে বিজিবির বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।” আটক আসামিকে প্রচলিত আইনে মামলা রুজুর জন্য স্থানীয় থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে বিজিবি জানিয়েছেন। ###

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×