কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)।
বুধবার (০১ জুলাই) রাতে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া বাজারে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও দুই রোহিঙ্গা কারবারি কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারির নাম মো. আলম (৩২)। সে লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৬ এর (ব্লক-৩) মো. নুর আহমদের ছেলে।
পলাতক আসামিরা হলো— জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৭ এর (ব্লক-সি-১৪) লাল মিয়ার ছেলে মো. রফিক (৩১) এবং একই ক্যাম্পের (ব্লক-বি) নুর সালামের ছেলে নুর কালাম (২৬)।
হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়
র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বুধবার রাতে টেকনাফ শাপলা চত্বর এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সূত্রে তথ্য আসে যে, হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া বাজারস্থ এডি মার্কেটের মো. আলমের দোকানে কতিপয় মাদক কারবারি ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করেছে।
সংবাদ পাওয়ার পর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে র্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প)-এর একটি চৌকস দল উক্ত দোকানে অভিযানে যায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে মো. আলমকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বাকি দুজন অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মো. আলমের দোকানে তল্লাশি চালিয়ে একটি পুরনো কাগজের কার্টুনের ভেতর থেকে কালো পলিথিন ও সাদা কাগজে মোড়ানো অবস্থায় সর্বমোট ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
একই সাথে মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত একটি রিয়েলমি (Realme) অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিরা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে ও বাইরে বড় ধরনের মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করে আসছিল। ধৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




মন্তব্য করুন