হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফ স্থলবন্দরে কর্মবিরতি চলছে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৭ জুন ২০২২, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন

হেলাল উদ্দিন টেকনাফ ::

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে সারা দেশের মতো কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরেও কর্মবিরতি চলছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল নয়টা থেকে একযোগে সারা দেশের সব শুল্ক ভবন ও স্টেশনে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।

ধর্মঘটের কারণে মিয়ানমার থেকে জলপথে টেকনাফ স্থলবন্দরে আসা বিভিন্ন ধরনের পণ্যবাহী কার্গো ট্রলার ও জাহাজ থেকে মালামাল ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে ট্রলার-জাহাজের জট। এতে বিপাকে পড়েছে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক।

আরও পড়ুন

হিমছড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, জনতার মারধরে আহত সন্দেহভাজন হাসপাতালে

টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর কর্মবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তাঁরা বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মৌলিক অধিকার পরিপন্থী কাস্টমস এজেন্টস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ এবং পণ্য চালান শুল্কায়নে এইচএস কোড ও সিপিসি নির্ধারণে যেসব বিতর্কিত আইন করেছে, তা বাতিলের দাবিতে এই কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। দাবি আদায় না হলে আরও বড় ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
স্থলবন্দরের শ্রমিকনেতা বলেন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের দাবি আদায়ের সারা দিন কাজ বন্ধ করায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমিকেরা। কারণ, মালামাল ওঠানামা না হলে অনেকের ঘরে চুলা জ্বলবে না।
আজ বেলা ১১টার দিকে টেকনাফ স্থলবন্দরে দেখা যায়, বন্দরের সামনে টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের অর্ধশতাধিক দোকানপাটের অধিকাংশ বন্ধ রয়েছে। বন্দরের প্রধান ফটকে একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি চলছে। বন্দরের ভেতরে ঢুকতেই দেখা গেল, খোলা জায়গা খাঁ খাঁ করছে। অন্যদিন এসব স্থান পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের দখলে থাকে। বন্দরে তেমন কোনো যানবাহন নেই। জেটিগুলো খালি পড়ে থাকলেও নোঙর করে রয়েছে পণ্যভর্তি একাধিক কার্গো ট্রলার ও জাহাজ। এসব ট্রলার ও জাহাজে মিয়ানমার থেকে বিভিন্ন ধরনের কাঠ, হিমায়িত মাছ, আদা, সুপারি, উলের ঝাড়ু, নারকেল, আচারসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য এসেছে। স্থলবন্দরে বিশাল এলাকাজুড়ে বিভিন্ন ধরনের কাঠের স্তূপ পড়ে রয়েছে। এসব কাঠ দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে সরবরাহ করা হবে।
স্থলবন্দরের শ্রমিকনেতা (মাঝি) আলী আজগর বলেন, বর্তমানে স্থলবন্দরের জেটিতে ২৯টি কার্গো ট্রলার ও জাহাজভর্তি মালামাল রয়েছে। এসব মালামাল ওঠানামার দায়িত্বে সাড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ শ্রমিক রয়েছেন। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের দাবি আদায়ের জন্য আজ সারা দিন কাজ বন্ধ করায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমিকেরা। কারণ, মালামাল ওঠানামা না হলে অনেকের ঘরে চুলা জ্বলবে না।
স্থলবন্দর পরিচালনাকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট টেকনাফ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টের লোকজন না আসায় অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থলবন্দরের কাস্টমস সুপার মো. শাহীন আখতার বলেন, আজ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কর্মবিরতি পালন করায় এক কোটি টাকার রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়নি।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

টেকনাফ স্থলবন্দরে কর্মবিরতি চলছে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফ স্থলবন্দরে কর্মবিরতি চলছে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুন ২০২২, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
Print Image
হেলাল উদ্দিন টেকনাফ :: ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে সারা দেশের মতো কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরেও কর্মবিরতি চলছে। আজ মঙ্গলবার সকাল নয়টা থেকে একযোগে সারা দেশের সব শুল্ক ভবন ও স্টেশনে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। ধর্মঘটের কারণে মিয়ানমার থেকে জলপথে টেকনাফ স্থলবন্দরে আসা বিভিন্ন ধরনের পণ্যবাহী কার্গো ট্রলার ও জাহাজ থেকে মালামাল ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে ট্রলার-জাহাজের জট। এতে বিপাকে পড়েছে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক। টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর কর্মবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মৌলিক অধিকার পরিপন্থী কাস্টমস এজেন্টস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ এবং পণ্য চালান শুল্কায়নে এইচএস কোড ও সিপিসি নির্ধারণে যেসব বিতর্কিত আইন করেছে, তা বাতিলের দাবিতে এই কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। দাবি আদায় না হলে আরও বড় ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। স্থলবন্দরের শ্রমিকনেতা বলেন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের দাবি আদায়ের সারা দিন কাজ বন্ধ করায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমিকেরা। কারণ, মালামাল ওঠানামা না হলে অনেকের ঘরে চুলা জ্বলবে না। আজ বেলা ১১টার দিকে টেকনাফ স্থলবন্দরে দেখা যায়, বন্দরের সামনে টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের অর্ধশতাধিক দোকানপাটের অধিকাংশ বন্ধ রয়েছে। বন্দরের প্রধান ফটকে একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি চলছে। বন্দরের ভেতরে ঢুকতেই দেখা গেল, খোলা জায়গা খাঁ খাঁ করছে। অন্যদিন এসব স্থান পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের দখলে থাকে। বন্দরে তেমন কোনো যানবাহন নেই। জেটিগুলো খালি পড়ে থাকলেও নোঙর করে রয়েছে পণ্যভর্তি একাধিক কার্গো ট্রলার ও জাহাজ। এসব ট্রলার ও জাহাজে মিয়ানমার থেকে বিভিন্ন ধরনের কাঠ, হিমায়িত মাছ, আদা, সুপারি, উলের ঝাড়ু, নারকেল, আচারসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য এসেছে। স্থলবন্দরে বিশাল এলাকাজুড়ে বিভিন্ন ধরনের কাঠের স্তূপ পড়ে রয়েছে। এসব কাঠ দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে সরবরাহ করা হবে। স্থলবন্দরের শ্রমিকনেতা (মাঝি) আলী আজগর বলেন, বর্তমানে স্থলবন্দরের জেটিতে ২৯টি কার্গো ট্রলার ও জাহাজভর্তি মালামাল রয়েছে। এসব মালামাল ওঠানামার দায়িত্বে সাড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ শ্রমিক রয়েছেন। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের দাবি আদায়ের জন্য আজ সারা দিন কাজ বন্ধ করায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমিকেরা। কারণ, মালামাল ওঠানামা না হলে অনেকের ঘরে চুলা জ্বলবে না। স্থলবন্দর পরিচালনাকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট টেকনাফ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টের লোকজন না আসায় অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। স্থলবন্দরের কাস্টমস সুপার মো. শাহীন আখতার বলেন, আজ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কর্মবিরতি পালন করায় এক কোটি টাকার রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়নি।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×