হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হিমছড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, জনতার মারধরে আহত সন্দেহভাজন হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক::

নিজস্ব প্রতিবেদক::

শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় রাতে কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডাকাত সন্দেহে সুলতান মোহাম্মদ (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আ…

কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় রাতে কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডাকাত সন্দেহে সুলতান মোহাম্মদ (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে মারধর করেন স্থানীয় লোকজন। আহত অবস্থায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অন্য ব্যক্তিরা পালিয়ে গেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হিমছড়ি এলাকায় কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে হানা দেন। এ সময় তাঁরা ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন একত্র হয়ে তাঁদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সুলতান মোহাম্মদকে আটক করা হয়। তবে তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে মারধর করেন।

আটক সুলতান মোহাম্মদ কক্সবাজার সদর উপজেলার লিংক রোড কলেজ গেট এলাকার সুরত আলম লিডার পাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বাবা মিয়া হোসেন ও মা নুর জাহান।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় জালাল আহমেদের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা, রহিম মোল্লার কাছ থেকে সাত আনা স্বর্ণালংকার ও একটি মুঠোফোন এবং দেলোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ৩২ হাজার টাকা, একটি মুঠোফোন ও ছয় আনা স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক

এ ছাড়া ফকির আহমেদের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন, হাসিম মোল্লার কাছ থেকে ৯৮ হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন এবং রাবানীয়া জামে মসজিদের তহবিল থেকে ১২ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ রয়েছে। আবুল হাসেমের দোকান থেকেও বিভিন্ন মালামাল, চার আনা স্বর্ণালংকার ও ২৪ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় লোকজন।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় জনতা ডাকাত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে মারধর করেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: হিমছড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, জনতার মারধরে আহত সন্দেহভাজন হাসপাতালে সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় রাতে কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুটের অভিযোগ পাওয়া গ। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

হিমছড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, জনতার মারধরে আহত সন্দেহভাজন হাসপাতালে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হিমছড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, জনতার মারধরে আহত সন্দেহভাজন হাসপাতালে

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক:: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় রাতে কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডাকাত সন্দেহে সুলতান মোহাম্মদ (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে মারধর করেন স্থানীয় লোকজন। আহত অবস্থায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অন্য ব্যক্তিরা পালিয়ে গেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হিমছড়ি এলাকায় কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানে হানা দেন। এ সময় তাঁরা ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন একত্র হয়ে তাঁদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে সুলতান মোহাম্মদকে আটক করা হয়। তবে তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে মারধর করেন। আটক সুলতান মোহাম্মদ কক্সবাজার সদর উপজেলার লিংক রোড কলেজ গেট এলাকার সুরত আলম লিডার পাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বাবা মিয়া হোসেন ও মা নুর জাহান। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় জালাল আহমেদের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা, রহিম মোল্লার কাছ থেকে সাত আনা স্বর্ণালংকার ও একটি মুঠোফোন এবং দেলোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ৩২ হাজার টাকা, একটি মুঠোফোন ও ছয় আনা স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে। এ ছাড়া ফকির আহমেদের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন, হাসিম মোল্লার কাছ থেকে ৯৮ হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন এবং রাবানীয়া জামে মসজিদের তহবিল থেকে ১২ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ রয়েছে। আবুল হাসেমের দোকান থেকেও বিভিন্ন মালামাল, চার আনা স্বর্ণালংকার ও ২৪ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় লোকজন। রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় জনতা ডাকাত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে মারধর করেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×