হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফ স্থল বন্দরে মিয়ানমার থেকে ছোলা আমদানি শুরু

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ ২০২২, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন

হেলাল উদ্দিন টেকনাফ::

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে ছোলা আমদানি শুরু হয়েছে। কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ছোলা আমদানি বাড়াতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উৎসাহী করা হচ্ছে।

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মেসার্স ওয়াটার ওয়েজ এবং মেসার্স সেভেন স্টার নামে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সাড়ে ৭০০ বস্তায় ৩৩৮ দশমিক ১৪৯ মেট্রিক টন ছোলা স্থলবন্দরে এসে পৌঁছেছে। কয়েক দিনের মধ্যে আরও ৫০০ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হবে।

মেসার্স সেভেন স্টারের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আরাফাতুর রহিম বলেন, আমদানি করা প্রতি কেজি ছোলার দাম পড়ছে ৬৪ টাকা। শ্রমিক, বন্দর ও জাহাজভাড়া বাবদ খরচ হচ্ছে সাড়ে তিন টাকা, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে নিয়ে বিক্রি করতে খরচ পড়ছে দুই টাকা। আর দেড় টাকা লাভ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে ৭১ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর থেকে চলতি সপ্তাহের মধ্যে আরও কয়েকটি ট্রলারে করে প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন ছোলা এসে পৌঁছাবে। গত বছর মিয়ানমার থেকে তিনি প্রায় ৩৫০ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করেছিলেন।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

আরাফাতুর রহিম আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবর্তে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ছোলা আমদানি করা হলে তা তুলনামূলক কম দামে বিক্রি করা যাবে। কারণ, টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে মিয়ানমার খুব কাছে হওয়ায় পরিবহন খরচ কম পড়ছে। তাই ব্যবসায়ীরা এদিকে ঝুঁকছেন।

সোমবার টেকনাফের স্থানীয় হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, টেকনাফ পৌরসভার বড় বাজার ও বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন দোকানে মিয়ানমারের ছোলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫ টাকা দরে। তবে এর দাম আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, গত বছর মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ১ হাজার ৪৯১ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৮৫৭ মেট্রিক টন ছোলা এসেছে।
টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল আমিন বলেন, রমজান মাস সামনে রেখে মিয়ানমারের ব্যবসায়ীরা সে দেশে ছোলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আগে যেসব ব্যবসায়ীর ছোলা কেনা ছিল, তাঁরা এখন সেগুলো নিয়ে আসছেন। তবে কোনো কোনো ব্যবসায়ী লোকসান দিয়ে বিক্রি করছেন।

মিয়ানমার থেকে ট্রলারে আসা ছোলা দ্রুত খালাসের পাশাপাশি সরবরাহ করায় বিভিন্ন জেলা শহরের বাজারে চলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনা প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (হিসাব) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী।

স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা শাহীন আক্তার বলেন, আসন্ন রমজান উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে ছোলা আমদানি বাড়াতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। সরকার ছোলা আমদানিতে কোনো ধরনের রাজস্ব আদায় করছে না। তাই ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

টেকনাফ স্থল বন্দরে মিয়ানমার থেকে ছোলা আমদানি শুরু

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফ স্থল বন্দরে মিয়ানমার থেকে ছোলা আমদানি শুরু

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ ২০২২, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
Print Image
হেলাল উদ্দিন টেকনাফ:: পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে ছোলা আমদানি শুরু হয়েছে। কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ছোলা আমদানি বাড়াতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উৎসাহী করা হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মেসার্স ওয়াটার ওয়েজ এবং মেসার্স সেভেন স্টার নামে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সাড়ে ৭০০ বস্তায় ৩৩৮ দশমিক ১৪৯ মেট্রিক টন ছোলা স্থলবন্দরে এসে পৌঁছেছে। কয়েক দিনের মধ্যে আরও ৫০০ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হবে। মেসার্স সেভেন স্টারের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আরাফাতুর রহিম বলেন, আমদানি করা প্রতি কেজি ছোলার দাম পড়ছে ৬৪ টাকা। শ্রমিক, বন্দর ও জাহাজভাড়া বাবদ খরচ হচ্ছে সাড়ে তিন টাকা, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে নিয়ে বিক্রি করতে খরচ পড়ছে দুই টাকা। আর দেড় টাকা লাভ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে ৭১ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর থেকে চলতি সপ্তাহের মধ্যে আরও কয়েকটি ট্রলারে করে প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন ছোলা এসে পৌঁছাবে। গত বছর মিয়ানমার থেকে তিনি প্রায় ৩৫০ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করেছিলেন। আরাফাতুর রহিম আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবর্তে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ছোলা আমদানি করা হলে তা তুলনামূলক কম দামে বিক্রি করা যাবে। কারণ, টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে মিয়ানমার খুব কাছে হওয়ায় পরিবহন খরচ কম পড়ছে। তাই ব্যবসায়ীরা এদিকে ঝুঁকছেন। সোমবার টেকনাফের স্থানীয় হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, টেকনাফ পৌরসভার বড় বাজার ও বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন দোকানে মিয়ানমারের ছোলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫ টাকা দরে। তবে এর দাম আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, গত বছর মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ১ হাজার ৪৯১ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৮৫৭ মেট্রিক টন ছোলা এসেছে। টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল আমিন বলেন, রমজান মাস সামনে রেখে মিয়ানমারের ব্যবসায়ীরা সে দেশে ছোলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আগে যেসব ব্যবসায়ীর ছোলা কেনা ছিল, তাঁরা এখন সেগুলো নিয়ে আসছেন। তবে কোনো কোনো ব্যবসায়ী লোকসান দিয়ে বিক্রি করছেন। মিয়ানমার থেকে ট্রলারে আসা ছোলা দ্রুত খালাসের পাশাপাশি সরবরাহ করায় বিভিন্ন জেলা শহরের বাজারে চলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনা প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (হিসাব) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী। স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা শাহীন আক্তার বলেন, আসন্ন রমজান উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে ছোলা আমদানি বাড়াতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। সরকার ছোলা আমদানিতে কোনো ধরনের রাজস্ব আদায় করছে না। তাই ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×