হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ট্রাইব্যুনালে প্রথম দিনের জবানবন্দিতে যা বললেন নাহিদ ইসলাম

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:২৯ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর – তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ আখ্যা দিয়েছিলেন—এমন মন্তব্যে সারা দেশের ছাত্রছাত্রীরা অপমানিত হয়েছিলেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া ছাত্র আন্দোলন ও সহিংসতা–সংক্রান্ত মামলায় তিনি ৪৭তম সাক্ষী হিসেবে আংশিক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অপর দুই আসামি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এর মধ্যে আল-মামুন দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হয়েছেন।

আরও পড়ুন

ইরান সংঘাত ও মার্কিন রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ: ট্রাম্প ও ওবামার মুখোমুখি অবস্থান

জবানবন্দিতে নাহিদ ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ আখ্যা দিয়ে কোটাপ্রথার পক্ষে অবস্থান নেন। তার ভাষায়, এই বক্তব্য সরকারের দমন-পীড়নকে বৈধতা দেয় এবং আন্দোলনের ন্যায্যতা খাটো করে।

তিনি বলেন, ওই মন্তব্যের পর শিক্ষার্থীরা অপমানিত হয়ে রাতেই প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। ১৭ জুলাই গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেয় এবং শাহবাগ থানাসহ বিভিন্ন থানায় মামলা হয়।

১৭ জুলাই রাতে দেশব্যাপী ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করলে ১৮ জুলাই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্রদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণে দেশজুড়ে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। নাহিদের দাবি, ওই সময় পুলিশের গুলিতে অনেক শিক্ষার্থী আহত ও নিহত হন, নেতাদের আত্মগোপনে যেতে হয়। পাশাপাশি দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ এবং টেলিভিশন থেকে আন্দোলনের খবর উধাও হয়ে যায়।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ট্রাইব্যুনালে প্রথম দিনের জবানবন্দিতে যা বললেন নাহিদ ইসলাম

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ট্রাইব্যুনালে প্রথম দিনের জবানবন্দিতে যা বললেন নাহিদ ইসলাম

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর – তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ আখ্যা দিয়েছিলেন—এমন মন্তব্যে সারা দেশের ছাত্রছাত্রীরা অপমানিত হয়েছিলেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া ছাত্র আন্দোলন ও সহিংসতা–সংক্রান্ত মামলায় তিনি ৪৭তম সাক্ষী হিসেবে আংশিক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অপর দুই আসামি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এর মধ্যে আল-মামুন দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হয়েছেন।জবানবন্দিতে নাহিদ ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ আখ্যা দিয়ে কোটাপ্রথার পক্ষে অবস্থান নেন। তার ভাষায়, এই বক্তব্য সরকারের দমন-পীড়নকে বৈধতা দেয় এবং আন্দোলনের ন্যায্যতা খাটো করে।তিনি বলেন, ওই মন্তব্যের পর শিক্ষার্থীরা অপমানিত হয়ে রাতেই প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। ১৭ জুলাই গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেয় এবং শাহবাগ থানাসহ বিভিন্ন থানায় মামলা হয়।১৭ জুলাই রাতে দেশব্যাপী ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করলে ১৮ জুলাই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্রদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণে দেশজুড়ে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। নাহিদের দাবি, ওই সময় পুলিশের গুলিতে অনেক শিক্ষার্থী আহত ও নিহত হন, নেতাদের আত্মগোপনে যেতে হয়। পাশাপাশি দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ এবং টেলিভিশন থেকে আন্দোলনের খবর উধাও হয়ে যায়। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×