হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

তীব্র শীতে মারা যাচ্ছে গাজার নবজাতক ও শিশুরা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:২৩ অপরাহ্ন


জেরুজালেম, ২০ ডিসেম্বর – গাজায় তীব্র শীতে নবজাতক ও শিশুরা মারা যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ)। সংগঠনটি বলেছে, ইসরায়েলের ত্রাণ ঢুকতে না দিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলতে থাকায় গাজায় মানবিক সংকট তীব্র হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে এমএসএফ।

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ২৯ দিন বয়সী শিশু সাঈদ আসাদ আবেদিন তীব্র হাইপোথার্মিয়ায় মারা যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে এমএসএফ জানায়, শীতকালীন ঝড় ও আগে থেকেই নাজুক জীবনযাপন পরিস্থিতি একসঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।

আরও পড়ুন

ইরান সংঘাত ও মার্কিন রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ: ট্রাম্প ও ওবামার মুখোমুখি অবস্থান

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চরম আবহাওয়ার কারণে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সপ্তাহ বয়সী শিশু মোহাম্মদ খলিল আবু আল-খাইর প্রচণ্ড শীতে পর্যাপ্ত আশ্রয় ও উষ্ণ পোশাকের অভাবে মারা যায়।

গত ১৩ ডিসেম্বর রাতে খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত ইমান আবু আল-খাইর তার দুই সপ্তাহ বয়সী ছেলে মোহাম্মদকে ঘুমের মধ্যে ‘বরফের মতো ঠান্ডা’ অবস্থায় পান। প্রবল বৃষ্টির কারণে কোনো যানবাহন না পেয়ে শেষ পর্যন্ত পশু টানা গাড়িতে করে রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শিশুটিকে নিবিড় পরিচর্যায় ভর্তি করা হলেও দুইদিন পর তার মৃত্যু হয়।

ইমান বলেন, তার সন্তানের কোনো শারীরিক সমস্যা ছিল না, তাঁবুর ভেতরের চরম ঠান্ডাই তার ছোট শরীর সহ্য করতে পারেনি।

এমএসএফ আরও জানায়, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে, যা শীতকালজুড়ে আরও বাড়তে পারে। পাঁচ বছরের নিচের শিশুরা এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ে হাজারও বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পানিতে ডুবে যাওয়া বা ভেঙে পড়া অস্থায়ী তাঁবুতে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রতি অবিলম্বে বড় পরিসরে ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এমএসএফ।

গত কয়েক সপ্তাহে প্রবল বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও হিমাঙ্কের কাছাকাছি তাপমাত্রায় গাজায় ৫৩ হাজারের বেশি তাঁবু ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ইসরায়েলি হামলায় অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় অনেক এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ও নর্দমার পানি উপচে পড়ছে। ঝুঁকি জেনেও অনেক পরিবার আধাভাঙা ভবনে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। গত সপ্তাহে এমন ১৩টি ভবন ধসে পড়েছে।

গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েল এখনো গাজায় ত্রাণ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, তাঁবু ও কম্বলসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী ঢুকতে না দেওয়ায় অন্তত ৫৫ হাজার ফিলিস্তিনি পরিবার ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং প্রায় ৩০ হাজার শিশুর জন্য থাকা নিরাপদ স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

তীব্র শীতে মারা যাচ্ছে গাজার নবজাতক ও শিশুরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

তীব্র শীতে মারা যাচ্ছে গাজার নবজাতক ও শিশুরা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] জেরুজালেম, ২০ ডিসেম্বর – গাজায় তীব্র শীতে নবজাতক ও শিশুরা মারা যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ)। সংগঠনটি বলেছে, ইসরায়েলের ত্রাণ ঢুকতে না দিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলতে থাকায় গাজায় মানবিক সংকট তীব্র হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে এমএসএফ।দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ২৯ দিন বয়সী শিশু সাঈদ আসাদ আবেদিন তীব্র হাইপোথার্মিয়ায় মারা যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে এমএসএফ জানায়, শীতকালীন ঝড় ও আগে থেকেই নাজুক জীবনযাপন পরিস্থিতি একসঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চরম আবহাওয়ার কারণে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সপ্তাহ বয়সী শিশু মোহাম্মদ খলিল আবু আল-খাইর প্রচণ্ড শীতে পর্যাপ্ত আশ্রয় ও উষ্ণ পোশাকের অভাবে মারা যায়।গত ১৩ ডিসেম্বর রাতে খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত ইমান আবু আল-খাইর তার দুই সপ্তাহ বয়সী ছেলে মোহাম্মদকে ঘুমের মধ্যে ‘বরফের মতো ঠান্ডা’ অবস্থায় পান। প্রবল বৃষ্টির কারণে কোনো যানবাহন না পেয়ে শেষ পর্যন্ত পশু টানা গাড়িতে করে রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শিশুটিকে নিবিড় পরিচর্যায় ভর্তি করা হলেও দুইদিন পর তার মৃত্যু হয়।ইমান বলেন, তার সন্তানের কোনো শারীরিক সমস্যা ছিল না, তাঁবুর ভেতরের চরম ঠান্ডাই তার ছোট শরীর সহ্য করতে পারেনি।এমএসএফ আরও জানায়, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে, যা শীতকালজুড়ে আরও বাড়তে পারে। পাঁচ বছরের নিচের শিশুরা এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ে হাজারও বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পানিতে ডুবে যাওয়া বা ভেঙে পড়া অস্থায়ী তাঁবুতে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রতি অবিলম্বে বড় পরিসরে ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এমএসএফ।গত কয়েক সপ্তাহে প্রবল বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও হিমাঙ্কের কাছাকাছি তাপমাত্রায় গাজায় ৫৩ হাজারের বেশি তাঁবু ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ইসরায়েলি হামলায় অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় অনেক এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ও নর্দমার পানি উপচে পড়ছে। ঝুঁকি জেনেও অনেক পরিবার আধাভাঙা ভবনে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। গত সপ্তাহে এমন ১৩টি ভবন ধসে পড়েছে।গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েল এখনো গাজায় ত্রাণ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, তাঁবু ও কম্বলসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী ঢুকতে না দেওয়ায় অন্তত ৫৫ হাজার ফিলিস্তিনি পরিবার ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং প্রায় ৩০ হাজার শিশুর জন্য থাকা নিরাপদ স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×