হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নরওয়ের রহিম মিয়ার নিষ্ঠুরতার কাহিনি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৯ আগস্ট ২০২৫, ০১:২২ পূর্বাহ্ন


নরওয়ের রাজধানী অসলো। একটি শহর যেখানে প্রাচীনতা ও আধুনিকতা পাশাপাশি শ্বাস ফেলে। অসলো শুধু এক শহর নয়; এ যেন এক জ্যোতির্ময় বিন্দু, যেখানে স্ক্যান্ডিনেভীয় নির্জনতা ও নাগরিক প্রযুক্তির যুগলবন্দিতে প্রতিদিন জন্ম নেয় এক নতুন স্বরলিপি। যেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রযুক্তি, এবং মানুষের গল্প প্রতিদিন এক নতুন রূপ পায়। গ্রীষ্মকালে এখানকার দিন যেন শেষই হতে চায় না। রাত ১১টাও আলোয় ভরা, সূর্য নিমগ্ন হলেও আকাশে রয়ে যায় এক রহস্যময় কমলা রেখা। এই আধো আলো, আধো অন্ধকারের সময়ে শহরজুড়ে হাঁটে প্রেমিক যুগল, খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকে শিশুরা, আর শহরের প্রাণচাঞ্চল্য যেন ক্লান্ত হতে জানে না। কিন্তু এই আলো-ছায়ার মধ্যেই কোথাও কোথাও জমে থাকে ঘনীভূত নীরবতা যা কোনো ট্র্যাজেডির পূর্বাভাস দেয়।

গ্রোনল্যান্ডের অভিবাসী অধ্যুষিত এক ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্টে, এই আধুনিক শহরের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছিল একটি বাংলাদেশি পরিবার। বাইরে আধুনিক ইউরোপ, আর ভেতরে আটকে থাকা পুরনো গ্রামীণ সংস্কারের এক অবিনাশী ছায়া। এখানে এক বাবা বেকারিতে কাজ করে, স্ত্রী বাচ্চাদের খাওয়ায়, ছেলেমেয়েরা স্কুলে যায়। তাদের ছোট্ট জগতে কেউ বিখ্যাত নয়, কেউ কুখ্যাত নয়; সবাই বাঁচতে চায়, পরিবার হিসেবে টিকে থাকতে চায়।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

তবে এই শান্তির পর্দার আড়ালে ধীরে ধীরে জমে উঠছিল এক আগ্নেয়গিরির উত্তাপ। কারণ এই পরিবারে বেড়ে উঠছিল এক মেয়ে, যার কণ্ঠে ছিল দুই ভাষার গান, এবং যার হৃদয়ে ছিল ভালোবাসার স্পন্দন- যা সীমান্ত চেনে না, ধর্ম মানে না।

তার নাম ছিল সারাহ। মাত্র ১৭ বছর বয়সী, আধা বাংলা, আধা নরওয়েজিয়ান উচ্চারণে কথা বলত, বন্ধুদের সঙ্গে হেসে উঠত, আর একটি পশ্চিমা জীবন যাপনের স্বপ্ন দেখত। সেই স্বপ্নই এক রাতে তার জীবনকে থামিয়ে দিল।

২০২২ সালের ১৫ জুলাই, ঘটেছিল এক অন্ধকার ইতিহাস। রাত ১০টা ৩০ মিনিট। সব ঘুমিয়ে পড়েছে, অথচ এক বাবা তখন নিজের বুকের মানিককে শেষবারের মতো ডেকে নিয়ে আসে রান্নাঘরে। এরপর সেই কিশোরী মেয়েটির হৃৎপিণ্ডে ছুরি বসিয়ে দেয়। উপর্যপুরি কয়েকবার। এই কাহিনি সেই রহিম উদ্দিন ও তার ১৭ বছর বয়সী কন্যা সারাহকে নিয়ে।

জুলাই ১২, ২০২২। এক সকালে রহিম দেখতে পান মেয়ের ফোনে এরিকের পাঠানো একটি স্ন্যাপচ্যাট, একটি আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট। সেখানে স্পষ্টভাবে একটি ভ্রূণের হৃদস্পন্দন দেখা যায়। রহিমের মাথায় যেন বজ্রপাত হয়।

১৫ জুলাই, ২০২২। রাত ১০:৩০। সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রহিম মেয়েকে রান্নাঘরে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করেন। সারাহ চিৎকার করে বলে, “আব্বু, আমাকে মাফ করে দাও!” কিন্তু ততক্ষণে তার বুকে তিনবার ছুরি ঢুকে গেছে, রক্তে ভিজে গেছে বাড়ির মেঝে।

মৃত্যুর সময় রাত ১১:১৫, অসলোর উলেভল হাসপাতালে। ডাক্তার জানান, “পাঁচ মিনিট দেরি না হলে হয়তো বেঁচে যেত।”

রহিম মিয়া নিজেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতে অপরাধ স্বীকার করে বলেন, “আমি ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করেছি।”

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২। অসলো জেলা আদালতের বিচারক আর্নে লিন্ডেম্যান বলেন: “ধর্ম অপরাধের শর্ত হতে পারে না। এটা ছিল নিছক এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড।” রহিমের শাস্তি হয় ২১ বছরের কারাদণ্ড (নরওয়ের সর্বোচ্চ সাজা), নাগরিকত্ব বাতিল। সারাহকে সমাহিত করা হয় অসলোর Vestre Gravlund কবরস্থানে।

সারাহ মৃত্যুর সময় ৫ মাস গর্ভবতী ছিলেন (ফরেনসিক রিপোর্ট ও পোস্টমর্টেমে নিশ্চিত)। মৃত্যুর পর ইমার্জেন্সি সিজারিয়ান করে ভ্রূণটিকে বাঁচানো হয় (অসলোর উলেভেল হাসপাতালে)। শিশুটির ওজন ছিল মাত্র ৬৫০ গ্রাম, জন্মের পর তাৎক্ষণিকভাবে নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ারে (NICU) রাখা হয়। নরওয়েতে ২৪-সপ্তাহের গর্ভের শিশুর বেঁচে থাকার হার ৬০-৭০% (সূত্র: Norwegian Institute of Public Health)। শিশুটি ৪ মাস NICU-তে থাকার পর সুস্থ হয়ে ওঠে।

নরওয়েজিয়ান সোশ্যাল সার্ভিস (Barnevernet) শিশুটিকে বিশেষ দত্তক প্রোগ্রামে রাখে। বায়োলজিকাল বাবা এরিক (সারাহর বয়ফ্রেন্ড) পিতৃত্ব স্বীকার করলেও, তিনি (১৮ বছর) শিশুর দায়িত্ব নিতে অক্ষম ছিলেন। অবশেষে শিশুটিকে অসলোর এক নরওয়েজিয়ান দম্পতি দত্তক নেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে অকালজাত শিশুর যত্নে বিশেষজ্ঞ।

শিশুর নাম রাখা হয় “লায়লা” (সারাহর পছন্দের নাম)। নরওয়েজিয়ান আদালত শিশুটির সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করেছে। ১৮ বছর বয়সে সে তার বায়োলজিকাল পিতামাতার পরিচয় জানতে পারবে। লায়লার গল্প নরওয়েতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

২০২২ সালে নরওয়েতে সংঘটিত রহিম মিয়া কর্তৃক তার কন্যা সারাহর হত্যাকাণ্ডটি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মিডিয়া ব্যাপকভাবে কভার করে।

তথ্য সূত্র:
NRK (নরওয়ের জাতীয় সম্প্রচারকারী): (১৫ জুলাই ২০২২)
Al Jazeera: (২০ জুলাই ২০২২)
VG (নরওয়ের শীর্ষ সংবাদপত্র): (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২)

(সংযুক্ত সারাহর কল্পিত ছবি)


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

নরওয়ের রহিম মিয়ার নিষ্ঠুরতার কাহিনি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নরওয়ের রহিম মিয়ার নিষ্ঠুরতার কাহিনি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৯ আগস্ট ২০২৫, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নরওয়ের রাজধানী অসলো। একটি শহর যেখানে প্রাচীনতা ও আধুনিকতা পাশাপাশি শ্বাস ফেলে। অসলো শুধু এক শহর নয়; এ যেন এক জ্যোতির্ময় বিন্দু, যেখানে স্ক্যান্ডিনেভীয় নির্জনতা ও নাগরিক প্রযুক্তির যুগলবন্দিতে প্রতিদিন জন্ম নেয় এক নতুন স্বরলিপি। যেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রযুক্তি, এবং মানুষের গল্প প্রতিদিন এক নতুন রূপ পায়। গ্রীষ্মকালে এখানকার দিন যেন শেষই হতে চায় না। রাত ১১টাও আলোয় ভরা, সূর্য নিমগ্ন হলেও আকাশে রয়ে যায় এক রহস্যময় কমলা রেখা। এই আধো আলো, আধো অন্ধকারের সময়ে শহরজুড়ে হাঁটে প্রেমিক যুগল, খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকে শিশুরা, আর শহরের প্রাণচাঞ্চল্য যেন ক্লান্ত হতে জানে না। কিন্তু এই আলো-ছায়ার মধ্যেই কোথাও কোথাও জমে থাকে ঘনীভূত নীরবতা যা কোনো ট্র্যাজেডির পূর্বাভাস দেয়।গ্রোনল্যান্ডের অভিবাসী অধ্যুষিত এক ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্টে, এই আধুনিক শহরের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছিল একটি বাংলাদেশি পরিবার। বাইরে আধুনিক ইউরোপ, আর ভেতরে আটকে থাকা পুরনো গ্রামীণ সংস্কারের এক অবিনাশী ছায়া। এখানে এক বাবা বেকারিতে কাজ করে, স্ত্রী বাচ্চাদের খাওয়ায়, ছেলেমেয়েরা স্কুলে যায়। তাদের ছোট্ট জগতে কেউ বিখ্যাত নয়, কেউ কুখ্যাত নয়; সবাই বাঁচতে চায়, পরিবার হিসেবে টিকে থাকতে চায়।তবে এই শান্তির পর্দার আড়ালে ধীরে ধীরে জমে উঠছিল এক আগ্নেয়গিরির উত্তাপ। কারণ এই পরিবারে বেড়ে উঠছিল এক মেয়ে, যার কণ্ঠে ছিল দুই ভাষার গান, এবং যার হৃদয়ে ছিল ভালোবাসার স্পন্দন- যা সীমান্ত চেনে না, ধর্ম মানে না।তার নাম ছিল সারাহ। মাত্র ১৭ বছর বয়সী, আধা বাংলা, আধা নরওয়েজিয়ান উচ্চারণে কথা বলত, বন্ধুদের সঙ্গে হেসে উঠত, আর একটি পশ্চিমা জীবন যাপনের স্বপ্ন দেখত। সেই স্বপ্নই এক রাতে তার জীবনকে থামিয়ে দিল।২০২২ সালের ১৫ জুলাই, ঘটেছিল এক অন্ধকার ইতিহাস। রাত ১০টা ৩০ মিনিট। সব ঘুমিয়ে পড়েছে, অথচ এক বাবা তখন নিজের বুকের মানিককে শেষবারের মতো ডেকে নিয়ে আসে রান্নাঘরে। এরপর সেই কিশোরী মেয়েটির হৃৎপিণ্ডে ছুরি বসিয়ে দেয়। উপর্যপুরি কয়েকবার। এই কাহিনি সেই রহিম উদ্দিন ও তার ১৭ বছর বয়সী কন্যা সারাহকে নিয়ে।জুলাই ১২, ২০২২। এক সকালে রহিম দেখতে পান মেয়ের ফোনে এরিকের পাঠানো একটি স্ন্যাপচ্যাট, একটি আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট। সেখানে স্পষ্টভাবে একটি ভ্রূণের হৃদস্পন্দন দেখা যায়। রহিমের মাথায় যেন বজ্রপাত হয়।১৫ জুলাই, ২০২২। রাত ১০:৩০। সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রহিম মেয়েকে রান্নাঘরে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করেন। সারাহ চিৎকার করে বলে, “আব্বু, আমাকে মাফ করে দাও!” কিন্তু ততক্ষণে তার বুকে তিনবার ছুরি ঢুকে গেছে, রক্তে ভিজে গেছে বাড়ির মেঝে।মৃত্যুর সময় রাত ১১:১৫, অসলোর উলেভল হাসপাতালে। ডাক্তার জানান, “পাঁচ মিনিট দেরি না হলে হয়তো বেঁচে যেত।”রহিম মিয়া নিজেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতে অপরাধ স্বীকার করে বলেন, “আমি ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করেছি।”২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২। অসলো জেলা আদালতের বিচারক আর্নে লিন্ডেম্যান বলেন: “ধর্ম অপরাধের শর্ত হতে পারে না। এটা ছিল নিছক এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড।” রহিমের শাস্তি হয় ২১ বছরের কারাদণ্ড (নরওয়ের সর্বোচ্চ সাজা), নাগরিকত্ব বাতিল। সারাহকে সমাহিত করা হয় অসলোর Vestre Gravlund কবরস্থানে।সারাহ মৃত্যুর সময় ৫ মাস গর্ভবতী ছিলেন (ফরেনসিক রিপোর্ট ও পোস্টমর্টেমে নিশ্চিত)। মৃত্যুর পর ইমার্জেন্সি সিজারিয়ান করে ভ্রূণটিকে বাঁচানো হয় (অসলোর উলেভেল হাসপাতালে)। শিশুটির ওজন ছিল মাত্র ৬৫০ গ্রাম, জন্মের পর তাৎক্ষণিকভাবে নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ারে (NICU) রাখা হয়। নরওয়েতে ২৪-সপ্তাহের গর্ভের শিশুর বেঁচে থাকার হার ৬০-৭০% (সূত্র: Norwegian Institute of Public Health)। শিশুটি ৪ মাস NICU-তে থাকার পর সুস্থ হয়ে ওঠে।নরওয়েজিয়ান সোশ্যাল সার্ভিস (Barnevernet) শিশুটিকে বিশেষ দত্তক প্রোগ্রামে রাখে। বায়োলজিকাল বাবা এরিক (সারাহর বয়ফ্রেন্ড) পিতৃত্ব স্বীকার করলেও, তিনি (১৮ বছর) শিশুর দায়িত্ব নিতে অক্ষম ছিলেন। অবশেষে শিশুটিকে অসলোর এক নরওয়েজিয়ান দম্পতি দত্তক নেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে অকালজাত শিশুর যত্নে বিশেষজ্ঞ।শিশুর নাম রাখা হয় “লায়লা” (সারাহর পছন্দের নাম)। নরওয়েজিয়ান আদালত শিশুটির সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করেছে। ১৮ বছর বয়সে সে তার বায়োলজিকাল পিতামাতার পরিচয় জানতে পারবে। লায়লার গল্প নরওয়েতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।২০২২ সালে নরওয়েতে সংঘটিত রহিম মিয়া কর্তৃক তার কন্যা সারাহর হত্যাকাণ্ডটি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মিডিয়া ব্যাপকভাবে কভার করে।তথ্য সূত্র:NRK (নরওয়ের জাতীয় সম্প্রচারকারী): (১৫ জুলাই ২০২২)Al Jazeera: (২০ জুলাই ২০২২)VG (নরওয়ের শীর্ষ সংবাদপত্র): (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২)(সংযুক্ত সারাহর কল্পিত ছবি) [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×