হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নাইক্ষ্যংছড়িতে যৌথ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিভিন্ন ধরনের সার আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। আটক করা সারের আনুমানিক মূল্য ৩৯ হাজার টাকা। শনিবা…

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিভিন্ন ধরনের সার আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। আটক করা সারের আনুমানিক মূল্য ৩৯ হাজার টাকা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সমন্বয়ে উপজেলার থিমছড়ি এলাকায় এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে মালিকবিহীন ২৫০ কেজি ইউরিয়া, ৮০০ কেজি টিএসপি ও ২৫০ কেজি ডিএপি সারসহ মোট ১ হাজার ৩০০ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার আটক করা হয়।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত দিয়ে কৃষি উপকরণ যাতে অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার হতে না পারে, সে লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি কৃষি উপকরণ ও সার যাতে দেশের বাইরে পাচার হতে না পারে, সে বিষয়েও সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে।

এদিকে, সীমান্ত এলাকা থেকে সার পাচার রোধে বিজিবির এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তাঁরা বলেন, সার দেশের বাইরে পাচার হলে স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে বাজারে সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে।

আটক সার পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: নাইক্ষ্যংছড়িতে যৌথ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিভিন্ন ধরনের সার আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

নাইক্ষ্যংছড়িতে যৌথ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নাইক্ষ্যংছড়িতে যৌথ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিভিন্ন ধরনের সার জব্দ

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
Print Image
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিভিন্ন ধরনের সার আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)। আটক করা সারের আনুমানিক মূল্য ৩৯ হাজার টাকা। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সমন্বয়ে উপজেলার থিমছড়ি এলাকায় এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মালিকবিহীন ২৫০ কেজি ইউরিয়া, ৮০০ কেজি টিএসপি ও ২৫০ কেজি ডিএপি সারসহ মোট ১ হাজার ৩০০ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার আটক করা হয়। বিজিবি জানায়, সীমান্ত দিয়ে কৃষি উপকরণ যাতে অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার হতে না পারে, সে লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি কৃষি উপকরণ ও সার যাতে দেশের বাইরে পাচার হতে না পারে, সে বিষয়েও সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে। এদিকে, সীমান্ত এলাকা থেকে সার পাচার রোধে বিজিবির এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তাঁরা বলেন, সার দেশের বাইরে পাচার হলে স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে বাজারে সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে। আটক সার পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×