কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর কেওড়া বাগানে প্রায় চার ঘণ্টার বিশেষ চিরুনি অভিযান চালিয়ে কাদামাটির ভেতর লুকানো ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাফ নদীর চৌধুরীপাড়া কেকে খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের আটক এবং কাদামাটির প্রায় আড়াই ফুট গভীর থেকে এই ইয়াবার চালান উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত পাচারকারীরা হলেন— টেকনাফের উত্তর চৌধুরীপাড়া এলাকার জাফর আহমদের দুই ছেলে মো. আয়াছ (৩০) ও মো. রফিক (২৫)।
রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।
জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন
বিজিবি জানায়, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি চালান নাফ নদী পার হয়ে জেলের ছদ্মবেশে থাকা পাচারকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে— এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ বিওপির একটি দল নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থান নেয়। বেলা আড়াইটার দিকে মাছ ধরার নৌকাগুলো তীরে ফেরার সময় বিজিবি সদস্যরা নজরদারি জোরদার করে এবং সন্দেহভাজন দুইজনকে হস্তচালিত একটি কাঠের নৌকাসহ আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা অসংগতিপূর্ণ তথ্য দিলেও পরবর্তীতে প্রযুক্তিগত নিরীক্ষণ ও তথ্যের ভিত্তিতে কেওড়া বাগানে দীর্ঘ চার ঘণ্টা চিরুনি অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে বাগানের কাদামাটির আড়াই ফুট গভীরে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হন বিজিবি সদস্যরা। অভিযানে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত হস্তচালিত কাঠের নৌকাটিও জব্দ করা হয়।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, মাদক পাচারকারীরা জেলের ছদ্মবেশ ধারণ কিংবা লুকানোর অভিনব কৌশল গ্রহণ করলেও বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। আটক আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরপূর্বক জব্দকৃত ইয়াবাসহ টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন: নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবাসহ ২ পাচারকারী আটক সম্পর্কিত তথ্য কী?
উত্তর: কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর কেওড়া বাগানে প্রায় চার ঘণ্টার বিশেষ চিরুনি অভিযান চালিয়ে কাদামাটির ভেতর লুকানো ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক প। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।




মন্তব্য করুন