ইসলামাবাদ, ২৬ নভেম্বর – পাকিস্তান তার সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে এবার নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত আরও এক বিধ্বংসী জাহাজ-বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র জল ও স্থল উভয় স্থানেই নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সাফল্য বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) পাকিস্তানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ (আইএসপিআর) নিশ্চিত করেছে যে পাকিস্তান নৌবাহিনী দেশীয়ভাবে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।
জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন
আইএসপিআর-এর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক নির্দেশিকা এবং উন্নত কৌশলগত ম্যানুভারিং সক্ষমতা সংযোজন করা হয়েছে। এর ফলে এটি সমুদ্র এবং স্থল উভয় স্থানেই ‘নির্ভুলতার সঙ্গে’ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।
ইসলামাবাদ দাবি করেছে, মিসাইলটি অত্যাধুনিক অ্যাভিওনিক্স ও ন্যাভিগেশন দক্ষতার সাহায্যে খুব সহজেই শত্রুপক্ষের রাডার ফাঁকি দিতে পারবে। এটি নৌবাহিনীর সক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ, সিনিয়র বিজ্ঞানী এবং প্রকৌশলীরা এই সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণটি প্রত্যক্ষ করেন। আইএসপিআর এই সাফল্যকে পাকিস্তানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পাকিস্তান নৌবাহিনীর অটল প্রতিশ্রুতির প্রমাণ বলে উল্লেখ করেছে।




মন্তব্য করুন