হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পাকিস্তানে হুমকির মুখে বিমান চলাচল

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩, ১২:০৭ অপরাহ্ন


ইসলামাবাদ, ১৮ মার্চ – ডলার সংকটে ভোগা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানে হুমকির মুখে পড়েছে বিমান চলাচল। পর্যাপ্ত ডলার না থাকায় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর পাওনা মেটাতে পারছে না দেশটি।

শুক্রবার (১৭ মার্চ) সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ) সম্প্রতি জানিয়েছে, পাকিস্তানে তাদের জন্য বিমান সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কারণ ইসলামাবাদের কাছে বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ২৯০ মিলিয়ন ডলার আটকে আছে। এ অর্থ ডলারে পরিশোধ করা হয়।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

দ্রুত কমতে থাকা পাকিস্তানের বৈদশিক রিজার্ভের পরিমাণ এখন ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে। রিজার্ভ কমে যাওয়ায় পণ্য আমদানিসহ পাকিস্তানের বিভিন্ন কার্যক্রম থমকে গেছে।

পাকিস্তান বেসামরিক পরিবহন সংস্থা জানিয়েছে, তারা এয়ারলাইন্সগুলোকে যথাসময়ে পাওনা পরিশোধ করার চেষ্টা করছে এবং এ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

আইএটিএ বিশ্বের ৩০০টিরও বেশি এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিত্ব করে (বিশ্বের পুরো এয়ার ট্রাফিকের ৮৩ শতাংশ)। এ সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্তই পাকিস্তানে এয়ারলাইন্সগুলোর ২৯০ মিলিয়ন ডলার আটকে গেছে। বৈশ্বিক এ বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এয়ারলাইন্সগুলোর পাওনা ২২৫ মিলিয়ন ডলার আটকে দেয় পাকিস্তান।

আইএটিএ-এর এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলের প্রধান ফিলিপ গোহ বলেছেন, ‘এয়ারলাইন্সগুলোকে তাদের পাওনা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিছু এয়ারলাইন্সের ২০২২ সালের বিক্রিত অর্থও আটকে আছে।‘

তিনি জানিয়েছেন, যদি পাকিস্তানে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা চলতে থাকে তাহলে এয়ারলাইন্সগুলো তাদের বিমান অন্য কোথাও ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

গত মাসে ভার্জিন আটলান্টিক ঘোষণা দেয়, পাকিস্তানে নিজেদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেবে তারা। যদিও এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছিল, নিজেদের নতুন করে গড়ে তোলার অংশের পরিকল্পনা এটি। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পাকিস্তানে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভার্জিন আটলান্টিক এয়ারলাইন্স।

বিমান পরিবহন প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৩ সালের মার্চে পাকিস্তানে যে ক’টি বিমান চলাচল করার কথা রয়েছে, ২০১৯ সালের মার্চ মাসের তুলনায় এটি অনেক কম।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
আইএ/ ১৮ মার্চ ২০২৩

সম্পুর্ন খবরটি পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ::পাকিস্তানে হুমকির মুখে বিমান চলাচল first appeared on DesheBideshe.


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পাকিস্তানে হুমকির মুখে বিমান চলাচল

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পাকিস্তানে হুমকির মুখে বিমান চলাচল

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩, ১২:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ইসলামাবাদ, ১৮ মার্চ – ডলার সংকটে ভোগা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানে হুমকির মুখে পড়েছে বিমান চলাচল। পর্যাপ্ত ডলার না থাকায় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর পাওনা মেটাতে পারছে না দেশটি। শুক্রবার (১৭ মার্চ) সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ) সম্প্রতি জানিয়েছে, পাকিস্তানে তাদের জন্য বিমান সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কারণ ইসলামাবাদের কাছে বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ২৯০ মিলিয়ন ডলার আটকে আছে। এ অর্থ ডলারে পরিশোধ করা হয়। দ্রুত কমতে থাকা পাকিস্তানের বৈদশিক রিজার্ভের পরিমাণ এখন ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে। রিজার্ভ কমে যাওয়ায় পণ্য আমদানিসহ পাকিস্তানের বিভিন্ন কার্যক্রম থমকে গেছে। পাকিস্তান বেসামরিক পরিবহন সংস্থা জানিয়েছে, তারা এয়ারলাইন্সগুলোকে যথাসময়ে পাওনা পরিশোধ করার চেষ্টা করছে এবং এ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আইএটিএ বিশ্বের ৩০০টিরও বেশি এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিত্ব করে (বিশ্বের পুরো এয়ার ট্রাফিকের ৮৩ শতাংশ)। এ সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্তই পাকিস্তানে এয়ারলাইন্সগুলোর ২৯০ মিলিয়ন ডলার আটকে গেছে। বৈশ্বিক এ বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এয়ারলাইন্সগুলোর পাওনা ২২৫ মিলিয়ন ডলার আটকে দেয় পাকিস্তান। আইএটিএ-এর এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলের প্রধান ফিলিপ গোহ বলেছেন, ‘এয়ারলাইন্সগুলোকে তাদের পাওনা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিছু এয়ারলাইন্সের ২০২২ সালের বিক্রিত অর্থও আটকে আছে।‘ তিনি জানিয়েছেন, যদি পাকিস্তানে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা চলতে থাকে তাহলে এয়ারলাইন্সগুলো তাদের বিমান অন্য কোথাও ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। গত মাসে ভার্জিন আটলান্টিক ঘোষণা দেয়, পাকিস্তানে নিজেদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেবে তারা। যদিও এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছিল, নিজেদের নতুন করে গড়ে তোলার অংশের পরিকল্পনা এটি। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পাকিস্তানে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভার্জিন আটলান্টিক এয়ারলাইন্স। বিমান পরিবহন প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৩ সালের মার্চে পাকিস্তানে যে ক’টি বিমান চলাচল করার কথা রয়েছে, ২০১৯ সালের মার্চ মাসের তুলনায় এটি অনেক কম। সূত্র: ঢাকা পোস্ট আইএ/ ১৮ মার্চ ২০২৩সম্পুর্ন খবরটি পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ::পাকিস্তানে হুমকির মুখে বিমান চলাচল first appeared on DesheBideshe. [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×