ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর – রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা প্রতারণা ও চাঁদা দাবির মামলায় আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছিল। পরে পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে আবেদনও করেছিলেন মেঘনা আলম। কিন্তু সেই আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মেঘনা আলমের আইনজীবী মহসিন রেজা। এদিন আদালতে শুনানির সময় মেঘনা আলম উপস্থিত ছিলেন।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
শুনানি শেষে মেঘনা আলম গণমাধম্যমে কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি কাঁদতে থাকেন। কেঁদে কেঁদে তিনি বলেন, তারা (রাষ্ট্রপক্ষ) আমার বিরুদ্ধে একটার পর একটা মিথ্যা বলে যাচ্ছে। তারা আমাকে সব মানুষের সামনে অপমান করে ছোট করে দিয়েছে। আদালতে যদি একটার পর একটা মিথ্যা বলতে থাকে, আমরা কীভাবে ন্যায় বিচার পাব? এরপর তিনি অঝোরে কাঁদতে থাকেন।
এদিকে মডেল মেঘনা আলমকে গ্রেপ্তারের সময় জব্দকৃত ম্যাকবুক, দুটি মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপের ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করার জন্য সেসব ফেরত দেয়ার ব্যাপারে এখনো আদেশ হয়নি।
এর আগে গত ২২ জুন জব্দকৃত ম্যাকবুক, পাসপোর্ট, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ জিম্মায় নেয়ার আবেদন করেন মেঘনা আলম। গত ২৯ জুলাই তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি শেষে আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে তার এসব ডিভাইসে রাষ্ট্রবিরোধী কোনো বিষয় বা উপাদান রয়েছে কিনা―তা তদন্তের নির্দেশ দেন।
এনএন/ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন