হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হেফজ ছাত্র আনিস মিয়া বাঁচতে চায়

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া:

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া:

মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন মো. আনিস মিয়া (১৩)। বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। প্রায় দুই মাস আগে এ দুর্ঘটনায় তাঁর দুটি হাত, একটি পা ও পেটে মারাত্মক জখম হয়। জীবন বাঁচাতে সমাজের সহানুভূতিশীল ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে পরিবারটি।

আনিস মিয়া পেকুয়া সদর আশরাফুল উলুম মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। এরই মধ্যে তিনি ২০ পারা কোরআন হেফজ করেছেন। তাঁর বাড়ি পেকুয়ার উজানটিয়া ইউনিয়নের সুতাচুরা গ্রামে। বর্তমানে পরিবারটি পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ভোলাইয়াঘোনা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করছে।

আনিসের পিতা সাইফুল ইসলাম পেশায় দিনমজুর। তিনি বলেন, দুই মাস আগে পেকুয়া বাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আমার ছেলে গুরুতর আহত হয়। তাঁর দুটি হাত, একটি পা ও পেটের অংশ পুড়ে যায়। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ডুলহাজারা খ্রিষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রামের চিটাগং হেলথ পয়েন্টে চিকিৎসাধীন। এ পর্যন্ত ছেলের চিকিৎসায় প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম আরও জানান, ছেলের চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে তিনি একমাত্র বসতভিটা বিক্রি করে দিয়েছেন। সমাজের অনেকের সহযোগিতায় এতদিন চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও বর্তমানে অর্থের অভাবে চিকিৎসা কার্যত বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তাই তিনি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে ছেলের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন

মিরপুরে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ: ছিটকে গেলেন মুশফিক, অভিষেক হৃদয়ের

আনিসের মা মুন্নি আক্তার বলেন, চার সন্তানের মধ্যে আনিস সবার বড়। এখন পঙ্গুত্ববরণ করে কষ্টে আছে। ডাক্তার বলেছেন, তার একটি হাত কেটে ফেলতে হতে পারে। স্বামী দিনমজুর তার পক্ষে একদিকে সংসারের খরচ, অন্যদিকে ছেলের চিকিৎসার খরচ বহন করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

নিজেই আবেগঘন কণ্ঠে আনিস বলেন, আমি বাঁচতে চাই। আবার পড়াশোনা করে হাফেজ হতে চাই। এখন পর্যন্ত ২০ পারা হেফজ করেছি। দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন। আপনাদের সহযোগিতায় আমি আবার জীবনে ফিরতে চাই।

আনিস মিয়ার চিকিৎসায় সাহায্য পাঠাতে বিকাশ ও নগদ নম্বর: 01869-336197

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেকুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হেফজ ছাত্র আনিস মিয়া বাঁচতে চায়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হেফজ ছাত্র আনিস মিয়া বাঁচতে চায়

প্রতিবেদক: নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন মো. আনিস মিয়া (১৩)। বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। প্রায় দুই মাস আগে এ দুর্ঘটনায় তাঁর দুটি হাত, একটি পা ও পেটে মারাত্মক জখম হয়। জীবন বাঁচাতে সমাজের সহানুভূতিশীল ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে পরিবারটি। আনিস মিয়া পেকুয়া সদর আশরাফুল উলুম মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। এরই মধ্যে তিনি ২০ পারা কোরআন হেফজ করেছেন। তাঁর বাড়ি পেকুয়ার উজানটিয়া ইউনিয়নের সুতাচুরা গ্রামে। বর্তমানে পরিবারটি পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ভোলাইয়াঘোনা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করছে। আনিসের পিতা সাইফুল ইসলাম পেশায় দিনমজুর। তিনি বলেন, দুই মাস আগে পেকুয়া বাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আমার ছেলে গুরুতর আহত হয়। তাঁর দুটি হাত, একটি পা ও পেটের অংশ পুড়ে যায়। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ডুলহাজারা খ্রিষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রামের চিটাগং হেলথ পয়েন্টে চিকিৎসাধীন। এ পর্যন্ত ছেলের চিকিৎসায় প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। সাইফুল ইসলাম আরও জানান, ছেলের চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে তিনি একমাত্র বসতভিটা বিক্রি করে দিয়েছেন। সমাজের অনেকের সহযোগিতায় এতদিন চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও বর্তমানে অর্থের অভাবে চিকিৎসা কার্যত বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তাই তিনি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে ছেলের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। আনিসের মা মুন্নি আক্তার বলেন, চার সন্তানের মধ্যে আনিস সবার বড়। এখন পঙ্গুত্ববরণ করে কষ্টে আছে। ডাক্তার বলেছেন, তার একটি হাত কেটে ফেলতে হতে পারে। স্বামী দিনমজুর তার পক্ষে একদিকে সংসারের খরচ, অন্যদিকে ছেলের চিকিৎসার খরচ বহন করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। নিজেই আবেগঘন কণ্ঠে আনিস বলেন, আমি বাঁচতে চাই। আবার পড়াশোনা করে হাফেজ হতে চাই। এখন পর্যন্ত ২০ পারা হেফজ করেছি। দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন। আপনাদের সহযোগিতায় আমি আবার জীবনে ফিরতে চাই। আনিস মিয়ার চিকিৎসায় সাহায্য পাঠাতে বিকাশ ও নগদ নম্বর: 01869-336197

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×