কক্সবাজারের পেকুয়ায় ৩ কোটি ২৭ লাখ টাকার নির্মিত সেতুটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির নির্মাণকাজ বন্ধ ছিল। দীর্ঘ অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নির্মাণকাজের শেষ প্রান্তে পৌঁছেছে পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া-রাজাখালী সংযোগ নোয়াখালী সেতু। সেতুটির মূল নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আবছার এন্টারপ্রাইজ।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে সেতুটি নির্মিত হয়েছে। তবে সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কের কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হলেই যান চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রায় সাড়ে বছর আগে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। মাঝখানে কয়েক দফা নির্মাণকাজ বন্ধ থাকে। যার ফলে মামুষ ভোগান্তিতে ছিল।
বর্ষা মৌসুমে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যেত। বিকল্প সরু সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করতে হতো। রাজাখালী ও বারবাকিয়া দুই ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল।
জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, নোয়াখালী সেতুটি চালু হলে বারবাকিয়া ও রাজাখালী ইউনিয়নের পাশাপাশি মগনামা ইউনিয়ন এবং বাঁশখালী উপজেলার পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দারাও সরাসরি উপকৃত হবেন।
বারবাকিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ বলেন, প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় তাদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এখন সেতুর কাজ শেষ পর্যায়ে। আশাকরি মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট ও ভোগান্তির অবসান হবে।
বারবাকিয়ার বাসিন্দা করিম বলেন, অনেক কষ্টের পর সেতুর কাজ শেষ হয়েছে। এখন দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি খুলে দিলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।
সিএনজি চালক নাছির উদ্দিন বলেন, নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় পাশের ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে গাড়ি চালাতে হয়েছে। সেতু চালু হলে দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগ আর থাকবে না।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বারবাকিয়ার বাসিন্দা ইকবাল হোছাইন বলেন, সেতুর কাজ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। সাংবাদিকদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের পর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এখন কাজ শেষ হওয়ায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। আশা করছি অল্প দিনের মধ্যে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি চালু করা হবে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আবছার এন্টারপ্রাইজের মালিক কফিল বলেন, আগের ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যাওয়ার পর নতুন টেন্ডারে আমরা কাজটি পাই। সেতুর মূল কাজ শেষ হয়েছে। দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করে সেতুটি উন্মুক্ত করা হবে।
❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন: পেকুয়ার ৩ কোটি ২৭ লাখ টাকার সেতু এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় সম্পর্কিত তথ্য কী?
উত্তর: কক্সবাজারের পেকুয়ায় ৩ কোটি ২৭ লাখ টাকার নির্মিত সেতুটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির নির্মাণকাজ বন্ধ ছিল। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।




মন্তব্য করুন