হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ভারতীয় তুলা রপ্তানিকারকরা উদ্বিগ্ন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন


নয়াদিল্লি, ১১ ফেব্রুয়ারি – যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা নিয়ে তা ব্যবহার করে পোশাক তৈরি করে রপ্তানি করলে বাংলাদেশকে কোনো শুল্ক দিতে হবে না। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই শর্তে চুক্তি হওয়ার পর ভারতের পোশাক রপ্তানিকারকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে ভারতের তুলা শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, কারণ আগে ভারত থেকে বাংলাদেশ বেশি তুলা বিক্রি করতো; এখন ঢাকা মার্কিন তুলার দিকে ঝুঁকবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র ১৯ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপের পর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধার আশা করছিলেন। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যে ১৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তিতে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য নতুন একটি ব্যবস্থা শুরু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো নির্দিষ্ট কিছু তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্য কোনো আমদানি শুল্ক ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। তবে কতটুকু পণ্য বিনা শুল্কে পাঠানো যাবে তা নির্ভর করবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কতটুকু টেক্সটাইল কাঁচামাল যেমন—তুলা বা কৃত্রিম সুতা আমদানি করছে তার ওপর। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র থেকে যত বেশি কাঁচামাল কেনা হবে, তার অনুপাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য বিনা শুল্কে রপ্তানি করতে পারবে বাংলাদেশ।”

সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ২০২৪-২৫ সালে ভারত বাংলাদেশে ১.৪৭ বিলিয়ন ডলারের তুলার সুতা রপ্তানি করেছে, যা তাদের মোট সুতা রপ্তানির সবচেয়ে বেশি। গত বছর ভারত বাংলাদেশে ১২ থেকে ১৪ লাখ বেল তুলা রপ্তানি করেছে। বাংলাদেশ যে পরিমাণ পোশাক রপ্তানি করে, তার ২০ শতাংশ যায় যুক্তরাষ্ট্রে। অপরদিকে ভারতীয় তুলা দিয়ে তৈরি ২৬ শতাংশ পণ্য মার্কিন বাজারে যাচ্ছে।

কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির সেক্রেটারি জেনারেল চন্দ্রিমা চ্যাটার্জি বলেন, “আমার ভয়, ভারতের তুলার সুতার ওপর তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা কিনতে পারবে এবং টেক্সটাইল মিলগুলো সেগুলো ব্যবহার করে সুতা উৎপাদন করতে পারবে।”

তবে কিছু ভারতীয় ব্যবসায়ী আশা হারাতে চান না। তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তুলা এনে সেখান থেকে সুতা তৈরি করে পোশাক বানিয়ে রপ্তানি করতে বাংলাদেশকে লজিস্টিক সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে, যা সময়সাপেক্ষ হবে।

এনএন/ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ভারতীয় তুলা রপ্তানিকারকরা উদ্বিগ্ন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ভারতীয় তুলা রপ্তানিকারকরা উদ্বিগ্ন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নয়াদিল্লি, ১১ ফেব্রুয়ারি – যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা নিয়ে তা ব্যবহার করে পোশাক তৈরি করে রপ্তানি করলে বাংলাদেশকে কোনো শুল্ক দিতে হবে না। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই শর্তে চুক্তি হওয়ার পর ভারতের পোশাক রপ্তানিকারকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে ভারতের তুলা শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, কারণ আগে ভারত থেকে বাংলাদেশ বেশি তুলা বিক্রি করতো; এখন ঢাকা মার্কিন তুলার দিকে ঝুঁকবে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র ১৯ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপের পর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধার আশা করছিলেন। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যে ১৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে।বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তিতে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য নতুন একটি ব্যবস্থা শুরু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো নির্দিষ্ট কিছু তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্য কোনো আমদানি শুল্ক ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। তবে কতটুকু পণ্য বিনা শুল্কে পাঠানো যাবে তা নির্ভর করবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কতটুকু টেক্সটাইল কাঁচামাল যেমন—তুলা বা কৃত্রিম সুতা আমদানি করছে তার ওপর। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র থেকে যত বেশি কাঁচামাল কেনা হবে, তার অনুপাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য বিনা শুল্কে রপ্তানি করতে পারবে বাংলাদেশ।”সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ২০২৪-২৫ সালে ভারত বাংলাদেশে ১.৪৭ বিলিয়ন ডলারের তুলার সুতা রপ্তানি করেছে, যা তাদের মোট সুতা রপ্তানির সবচেয়ে বেশি। গত বছর ভারত বাংলাদেশে ১২ থেকে ১৪ লাখ বেল তুলা রপ্তানি করেছে। বাংলাদেশ যে পরিমাণ পোশাক রপ্তানি করে, তার ২০ শতাংশ যায় যুক্তরাষ্ট্রে। অপরদিকে ভারতীয় তুলা দিয়ে তৈরি ২৬ শতাংশ পণ্য মার্কিন বাজারে যাচ্ছে।কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির সেক্রেটারি জেনারেল চন্দ্রিমা চ্যাটার্জি বলেন, “আমার ভয়, ভারতের তুলার সুতার ওপর তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা কিনতে পারবে এবং টেক্সটাইল মিলগুলো সেগুলো ব্যবহার করে সুতা উৎপাদন করতে পারবে।”তবে কিছু ভারতীয় ব্যবসায়ী আশা হারাতে চান না। তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তুলা এনে সেখান থেকে সুতা তৈরি করে পোশাক বানিয়ে রপ্তানি করতে বাংলাদেশকে লজিস্টিক সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে, যা সময়সাপেক্ষ হবে।এনএন/ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×