হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাতাসে দুলছে হাজার কোটির গ্যালারি! বিশ্বকাপ শুরুর পরই টরন্টো স্টেডিয়াম নিয়ে তোলপাড়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন


টরন্টো, ১৩ জুন – মাঠের ফুটবলে গড়াচ্ছিল রোমাঞ্চ, কিন্তু মাঠের বাইরে ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা উঠতে না উঠতেই শুরু হয়ে গেল তীব্র বিতর্ক! আর এই চরম বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডার টরন্টো স্টেডিয়াম (বিএমও ফিল্ড)। ফিফার শর্ত পূরণ করতে গিয়ে তড়িঘড়ি করে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে স্টেডিয়ামের দর্শক আসন বাড়ানো হলেও, লোহার পাইপের জোড়াতালির অস্থায়ী গ্যালারি এখন রীতিমতো বাতাসে দুলতে শুরু করেছে!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই এমন কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে—তীব্র বাতাসে দর্শকদের বসার সিটগুলো কাঁপছে। এই দৃশ্য দেখে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীরা স্তম্ভিত এবং ক্ষুব্ধ। নেটদুনিয়ায় অনেকেই একে ইতোমধ্যেই ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে স্টেডিয়াম’ বলে ধুয়ে দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন

সৌদি আরব হুতিদের বিরুদ্ধে বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে

কানাডার ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ম্যাচকে ঘিরে যখন উৎসবের আমেজ, ঠিক তখনই সামনে এলো এই ভেন্যু ট্র্যাজেডি। স্টেডিয়ামটির মূল আসন ক্ষমতা ছিল মাত্র ৩০ হাজার, যা চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬টি ভেন্যুর মধ্যে সবচেয়ে ছোট। কিন্তু ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করতে হলে ন্যূনতম ধারণক্ষমতা হতে হবে ৪০ হাজারেরও বেশি।

আর এই শর্ত পূরণ করতে গিয়েই বাঁধে বিপত্তি। ধারণক্ষমতা ৪৩,০৩৬-এ নিয়ে যেতে উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারিতে প্রায় ১৭ হাজার অস্থায়ী সিট বসানো হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা এই বিশাল অংশটি মূলত সাধারণ লোহার পাইপের অস্থায়ী কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে! কোনো স্থায়ী আরসিসি বা কংক্রিটের ভিত্তি ছাড়াই তৈরি হয়েছে এই গ্যালারি।

এই নিরাপত্তা ঝুঁকি কিন্তু হঠাৎ করে সামনে আসেনি। গত মে মাসে মেজর লিগ সকারের (MLS) একটি ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে এই অস্থায়ী গ্যালারি চালু করা হয়েছিল।

বিএমও ফিল্ড বা টরেন্টো স্টেডিয়ামে চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ৫টি এবং শেষ-৩২ রাউন্ডের ১টি ম্যাচসহ মোট ৬টি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গ্যালারি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ট্রল শুরু হওয়ার পর অবশ্য ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে আয়োজকরা। স্টেডিয়ামটির অপারেশন্স ডিরেক্টর নিক ইভস দর্শকদের আশ্বস্ত করে দাবি করেছেন, “এই অস্থায়ী গ্যালারি নির্মাণে বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সহায়তা নেওয়া হয়েছে এবং এটি স্ট্রাকচারালি শতভাগ নিরাপদ। ভক্তদের ভয়ের কিছু নেই।”

কর্তৃপক্ষ অভয় দিলেও, গ্যালারির দুলতে থাকার ভিডিও দেখে সাধারণ সমর্থকরা আশ্বস্ত হতে পারছেন না। যেকোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার বিষয়, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফা এই ‘নড়বড়ে গ্যালারি’ নিয়ে শেষ পর্যন্ত কোনো কড়া পদক্ষেপ নেয় কি না!

এনএন/ ১৩ জুন ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বাতাসে দুলছে হাজার কোটির গ্যালারি! বিশ্বকাপ শুরুর পরই টরন্টো স্টেডিয়াম নিয়ে তোলপাড়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাতাসে দুলছে হাজার কোটির গ্যালারি! বিশ্বকাপ শুরুর পরই টরন্টো স্টেডিয়াম নিয়ে তোলপাড়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] টরন্টো, ১৩ জুন – মাঠের ফুটবলে গড়াচ্ছিল রোমাঞ্চ, কিন্তু মাঠের বাইরে ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা উঠতে না উঠতেই শুরু হয়ে গেল তীব্র বিতর্ক! আর এই চরম বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডার টরন্টো স্টেডিয়াম (বিএমও ফিল্ড)। ফিফার শর্ত পূরণ করতে গিয়ে তড়িঘড়ি করে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে স্টেডিয়ামের দর্শক আসন বাড়ানো হলেও, লোহার পাইপের জোড়াতালির অস্থায়ী গ্যালারি এখন রীতিমতো বাতাসে দুলতে শুরু করেছে!সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই এমন কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে—তীব্র বাতাসে দর্শকদের বসার সিটগুলো কাঁপছে। এই দৃশ্য দেখে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীরা স্তম্ভিত এবং ক্ষুব্ধ। নেটদুনিয়ায় অনেকেই একে ইতোমধ্যেই ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে স্টেডিয়াম’ বলে ধুয়ে দিচ্ছেন।কানাডার ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ম্যাচকে ঘিরে যখন উৎসবের আমেজ, ঠিক তখনই সামনে এলো এই ভেন্যু ট্র্যাজেডি। স্টেডিয়ামটির মূল আসন ক্ষমতা ছিল মাত্র ৩০ হাজার, যা চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬টি ভেন্যুর মধ্যে সবচেয়ে ছোট। কিন্তু ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করতে হলে ন্যূনতম ধারণক্ষমতা হতে হবে ৪০ হাজারেরও বেশি।আর এই শর্ত পূরণ করতে গিয়েই বাঁধে বিপত্তি। ধারণক্ষমতা ৪৩,০৩৬-এ নিয়ে যেতে উত্তর ও দক্ষিণ গ্যালারিতে প্রায় ১৭ হাজার অস্থায়ী সিট বসানো হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা এই বিশাল অংশটি মূলত সাধারণ লোহার পাইপের অস্থায়ী কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে! কোনো স্থায়ী আরসিসি বা কংক্রিটের ভিত্তি ছাড়াই তৈরি হয়েছে এই গ্যালারি।এই নিরাপত্তা ঝুঁকি কিন্তু হঠাৎ করে সামনে আসেনি। গত মে মাসে মেজর লিগ সকারের (MLS) একটি ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে এই অস্থায়ী গ্যালারি চালু করা হয়েছিল।বিএমও ফিল্ড বা টরেন্টো স্টেডিয়ামে চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ৫টি এবং শেষ-৩২ রাউন্ডের ১টি ম্যাচসহ মোট ৬টি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।গ্যালারি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ট্রল শুরু হওয়ার পর অবশ্য ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে আয়োজকরা। স্টেডিয়ামটির অপারেশন্স ডিরেক্টর নিক ইভস দর্শকদের আশ্বস্ত করে দাবি করেছেন, “এই অস্থায়ী গ্যালারি নির্মাণে বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সহায়তা নেওয়া হয়েছে এবং এটি স্ট্রাকচারালি শতভাগ নিরাপদ। ভক্তদের ভয়ের কিছু নেই।”কর্তৃপক্ষ অভয় দিলেও, গ্যালারির দুলতে থাকার ভিডিও দেখে সাধারণ সমর্থকরা আশ্বস্ত হতে পারছেন না। যেকোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার বিষয়, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফা এই ‘নড়বড়ে গ্যালারি’ নিয়ে শেষ পর্যন্ত কোনো কড়া পদক্ষেপ নেয় কি না!এনএন/ ১৩ জুন ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×