কক্সবাজারের টেকনাফে সীমান্তে পৃথক তিনটি অভিযানে ২ লাখ ৬০ হাজার ৬৮৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এ সময় তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বর্তমান বাজারমূল্য ৭ কোটি ৮৭ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ও উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানান, টেকনাফের সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ নাফ নদীতে গভীর রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। এ সময় একটি নৌকা থেকে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় আরও এক চোরাকারবারি নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
হাসপাতালে ভর্তি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
এদিকে, উখিয়া ৬৪ বিজিবির শীলখালী চেকপোস্টে বুধবার (২২ জুলাই) রাতে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিনের পাশে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১০ হাজার ৬৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা মো. ফরিদ (৪২)-কে আটক করা হয়েছে।
অপরদিকে, একই ব্যাটালিয়নের পালংখালী বিওপির বিশেষ টহলদলের সদস্যরা গত ২১ জুলাই রাতে টেকনাফের হোয়াইক্যং উলুবনিয়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত একটি বস্তা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ইয়াবাভর্তি বস্তা ফেলে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ দমনে সর্বদা সতর্ক রয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে মাদক প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




মন্তব্য করুন